দেশকে তামাক মুক্ত করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৯ মে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাক মুক্ত করতে হবে। এ জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। ছবিসহ সতর্কবাণী যাতে সব কোম্পানি ছাপায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’tamak
রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রবিবার বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরষ্কার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞ) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক, জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগ্রেডিয়ার (অব) আব্দুল মালেক, দৈনিক সমকালের উপ-সম্পাদক মোজাম্মেল হক, আত্মার আহবায়ক মর্তুজা হায়দার লিটন।
তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ৮ জনকে সেরা রিপোর্টিং এর জন্য দৈনিক যুগান্তর এর স্টাফ রিপোর্টার হামিদ-উজ-জামান, নয়া দিগন্ত এর জিয়াউল হক মিজান, ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস এর দৌলত আখতার মালা, ডেইলি স্টারের লাল মনিরহাট প্রতিনিধি এস দিলিপ রায়, বৈশাখী টিভির রিতা নাহার, দেশ টিভির ঝর্ণা রায়, বাংলা নিউজের লালমনির হাট প্রতিনিধি খোরশেদ আলমকে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার চেক, সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তামাকের ব্যবহার কমাতে প্লেইন প্যাকেজিং অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি। প্লেইন প্যাকেজিং তামাকের প্যাকেট বা কৌটাকে তামাক ব্যবহারকারীর কাছে অত্যন্ত অনাকর্ষণীয় করে তোলে। এই পদ্ধতিতে তামাক পণ্যেও প্যাকেট বা কৌটার গায়ে কোন প্রকার প্রচারণামূলক ও বিভ্রান্তিকর শব্দ ব্যবহারের সুযোগ থাকে না যা ছবি যুক্ত স্বাস্থ্য সর্তকবাণীর কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্লেইন প্যাকেজিং এ সকল তাপাক পণ্যেও প্যাকেট বা কৌটার রং একই রকম হয়। সকল প্যাকেট বা কৌটার আকার ও শলাকার সংখ্যা বা ওজন সমান থাকে। প্যাকেট বা কৌটায় ছবিযুক্ত স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা এবং তামাকের ক্ষতিকর উপাদান সংক্রান্ত তথ্য মুদ্রণ বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট রং ও ফ্রন্ট ব্যবহার করে পণ্যেও নাম ও ব্রান্ড লিখতে হয়। কোম্পানির লোগো, রং কিংবা ব্রান্ড ছবি এবং কোন প্রকার প্রচারণামূলক তথ্য মুদ্রণ করা যায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*