দেবশ্রী-ইন্দ্রনীলের ‘না’ ভোটে ভাগ্য ফিরল

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২২ মে: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনে ‘না’ ভোটের কারণে ২৫ প্রার্থীর ভাগ্য ফিরেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, রায়দিঘীর তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী দেবশ্রী রায় ও চন্দননগরের তৃণমূল প্রার্থী সংগীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কলকাতার ভবানীপুর আসনেও ‘না’ ভোট পড়েছে ২ হাজার ৪৬১ টি। এই কেন্দ্রে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাসমুন্সী।
ভোটের ফলাফল বের হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, ২৯৪ বিধানসভার আসনে এবার কম বেশি ‘না’ ভোট পড়েছে। কোথাও আবার ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে। votএবার পশ্চিমবঙ্গে ৮ লাখ ৩১ হাজার ৮৪৫টি ‘না’ ভোট পড়েছে। দেখা গেছে, বাঁকুড়া জেলার ছাতনা আসনে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে। এই সংখ্যা ৭ হাজার ৭০৯। আর সব থেকে কম ‘না’ ভোট পড়েছে হাওড়া উত্তর আসনে। এখানে ‘না’ ভোটের সংখ্যা এক হাজার ৭০ টি। আবার দেখা গেছে, ২৯৪ আসনের মধ্যে অন্তত ১০০টি আসনের ‘না’ ভোট চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে।
অনেক আসনে জয়ী ও বিজয়ী প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ‘না’ ভোটের চেয়ে কম ছিল। এর ফলে তাঁরা জয়ী হতে পেরেছেন। এভাবেই জয়ী হয়েছেন, রায়দিঘীর তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী দেবশ্রী রায় এবং চন্দননগরের তৃণমূল প্রার্থী সংগীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন। একইভাবে জয়ী বালুঘাটের বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী বিশ্বনাথ চৌধুরী এবং কুশমন্ডীর বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী নর্মদা রায়।
আবার বাঁকুড়ার বড়জোড়ার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী এবং পান্ডুয়ার তৃণমূল প্রার্থী ফুটবলার রহিম নবীও হেরেছেন। তাঁরা এখানে ‘না’ ভোটের একটি অংশ পেলেও জিততে পারতেন।
ভারতের নির্বাচন কমিশন ইলেকট্রনিকস ভোট যন্ত্র বা ইভিএমএ এবার ‘না’ ভোট দেওয়ার বিধান চালু করে ভোটযন্ত্রে একটি না ভোট দেওয়ার বোতাম রেখেছিল। অর্থাৎ প্রতিটি আসনের প্রার্থীদের পছন্দ না হলে ভোটাররা বোতাম চেপে না ভোট দেওয়ার বা নোটায় (নান অফ দ্য অ্যাবোভ বা নোটা) ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: