দু:শাসন টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্র এখন ভয়াল ঘাতক : রিজভী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দু:শাসন টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্র এখন ভয়াল ঘাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা ruhulও নাগরিক অধিকারহীন একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সরকারী কর্মচারীদের দলের আনুগত্য করা বাধ্যতামূলক করা হয়। সেখানে নিরপেক্ষতার ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন করা যায় না। সোমবার বিকালে এ এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। আন্দোলন অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা অব্যাহত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যেতে প্রতিশ্র“তিবদ্ধ। বিএনপির ঘোষিত নীতিমালাই হচ্ছে বহু দল ও মতে বিশ্বাস করা, মানবতা ও মানুষের মানবিক সাম্য উর্দ্ধে তুলে ধরা। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে গুম আর গুপ্তহত্যা যাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি, পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে নাশকতার মতো বন্য ও আদিম হিংস্রতার মানবতাবিরোধী কাজ তারাই সংঘটিত করছে যারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। র‌্যাব প্রধানের বক্তব্যের সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, একেকজন কর্মকর্তার বক্তব্য শুনলে মনে হয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অস্ত্র যেন আওয়ামী লীগের তহবিল থেকে কেনা। সুতরাং এই অস্ত্র ব্যবহারে কোনো জবাবদিহিতার দরকার নেই বলে তারা মনে করে। কারণ আওয়ামী লীগপন্থী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধানরা ছাড়পত্র দিয়েছেন তাদের জোয়ানদের। অস্ত্র গোলাবারুদ কেনো অকেজো করে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে উস্মা প্রকাশ করেছেন র‌্যাবের ডিজি। কেন অস্ত্রসস্ত্র খেলার উপকরণ হিসেবে ফেলে রাখা হয়েছে। কেন যথাযথ ব্যবহার করা হচ্ছে না। র‌্যাবের মহাপরিচালক আরো বলেছেন বিচার বহির্ভুত হত্যা বলে নাকি কিছু নাই। এ প্রসঙ্গে রিজভী আহমেদ বলেন, তাহলে খিলগাঁও ছাত্রদল নেতা নুরুজ্জামান জনিকে কোন বিচারের আওতায় প্রাণদন্ড দেয়া হয়েছে? কোন আদালতের রায়ে সাত মাসের অন্তসত্তা স্ত্রীর স্বামীকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয় ? সপ্তাহ খানেক আগে দলের চারজন কর্মীকে ধরে নিয়ে গিয়ে টার্গেট হত্যা করা হয় কোন বিচারে? রিজভী আহমেদ বলেন, অমানবিক নাশকতার বিভৎস ঘটনা ঘটানো হচ্ছে সারাদেশ জুড়ে। পেট্রোল বোমা মেরে মানুষকে দগ্ধ করার বিরামহীন দৃশ্য দেখানো হচ্ছে টেলিভিশনে। বার্ণ ইউনিটের অমানবিক দৃশ্যকে কেন্দ্র করে হাইপার প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে বিরোধী দলের আন্দোলনের বিরুদ্ধে। কয়েকদিন ধরেই জনশ্র“তি ছিল, সরকার নিজেই একটা বড় ধরনের নাশকতা করবে। যেটির বিদেশ থেকে পরিচালিত একটি পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যাতে পুরো দায়টা বিরোধী দলের ওপর চাপানো যায়। ২৩ তারিখ রাতেই ডেমরায় ঘটানো হলো বাসে আগুন দিয়ে ৩৫ জন বাস আরোহীদের অগ্নিদগ্ধের ঘটনা। আর তার পরের দিন শোকে কাতর সন্তানহারা মা বেগম খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামী করে মামলা দেয়া হলো। সমগ্র ঘটনাটাই একটা মাষ্টারপ্ল্যানের অংশ বলে সর্বসাধারণ বিশ্বাস করে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*