দীপংকর তালুকদারকে মন্ত্রী করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন

নুরুদ্দিন পাটোয়ারী (এন পি সাগর), ১৪ জানুয়ারী ২০১৯ ইংরেজী, সোমবার: সমুদ্র কন্যা রুপ গরবীনী রাঙামাটি পাহাড়ি ও বাঙালির অতি আদরের দুলালী, বীর প্রসবিনী রাঙামাটি। প্রকৃতির অকৃতির দানে ঋদ্ধ, সংস্কৃতি ও সভ্যতার আলোকে পরিপুষ্ট এক,গায়ানের অনি’বাণ শিখায় প্রদীপ্ত আলোকময় এক মানব গোষ্ঠীর বিকাশ ঘটেছে রাঙামাটি ৬০০০ ব’গ কিলোমিটার দশটি থানা সদর, নানিয়ারচর, রাজস্থলী, লংগদু, কাপ্তাই, কাউখালী, বরকল, জুরাছড়ি, বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, এলাকা জুড়ে। মুক্তিযুদ্ধ, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, শিক্ষা,সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, সংবাদপত্র, রাজনৈতিসহ, প্রতিটি ক্ষেত্রে রাঙামাটির ইতিহাস সমুজ্জ্বল। মাঝখানে কিছু সময়ের জন্য নানা কারণে কলঙ্কিত হলেও রাঙামাটি এখন আবার দেশের অন্যতম গ্গানী, গুণীর স্হান হিসাবে খ্যাতি অ’জন করে স্বগৌরবে মহিমান্বিত হয়েছে। একসময়ের সন্রাসের জনপদ হিসেবে সারাদেশে পরিচিত থাকলে ও ব’তমান রাঙামাটি সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধিতে দেশের অন্যান্য জেলা ছাড়িয়ে গেছে তা একমাত্র সম্ভব হয়েছে রাঙামাটির প্রাণপ্রিয়, পাহাড়ি ও বাঙালির আস্থাবাজন প্রাণ পুরুষ আধুনিক রাঙামাটির রুপকার জনাব দীপংকর তালুকদার নিরলস পরিশ্রম ও রাজনৈতিক বিচক্ষনতায়। ১৯৯৬ -২০০১ সাল, ২০০৯-২০১৪ সাল পয’ন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, উষাতন তালুকদার (সিংহ),মনিস্বপন দেওয়ান (ধানের শীষ) কে হারিয়ে ২০১৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসা।ইউফেডিস +জেএসএস কখনো চায়নি নৌকার প্রতিক নিয়ে দীপংকর তালুকদার জয় লাভ করুক।আমরা নিরহী পাহাড়ি ও বাঙালি ঐক্য করেছেন আমাদের এই দীপংকরতালুকদার। পাহাড়ের রাজনৈতিক শহর রাজনৈক এক নয়। নৌকায় জয় করতে অনেক ত্যাগ স্বীকার করে জয় লাভ চিনিয়ে আমরা এনেছি।বাঙালি মুসলমানের লাশের খাট দীপংকর তালুকদার, আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইপ্রু চৌধুরী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ বেলালের কাধে। রাঙামাটি মানুষের প্রিয় মানুষ দীপংকর তালুকদার কে মন্রী পাবার জন্য মা জননী শেখ হাসিনার কাছে আকুল আবেদন। আওয়ামী লীগ সরকার কে দেশী বিদেশী বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার ছাড়া ও অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং চড়াই উৎরাই পার করতে হয়।দেশের সামগ্রিক অবস্থার কথা বিবেচনা করলে আওয়ামী লীগ সরকার সফলতার শী’ষ প’যায়ে।দেশের রাজনৈতিক সংকটাবস্থায় সারাদেশ উত্তাল থাকলে ও একমাত্র রাঙামাটি কোন প্রকার বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি সব কিছু নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র বিন্দুতে ছিল শুধু মাত্র একজন। তিনি হলেন আমাদের প্রানের নেতা দীপংকর তালুকদার। শিক্ষা,সংস্কৃতি, তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ সম্পাদন করেছেন সুনিপুন হতে।সব চেয়ে বড় কথা হলো রাঙামাটি স’বস্থরের মানুষকে একজায়গায় মিলিত করতে পারা যা সরকারি দলের বড় বড় এম পি মন্রীর পক্ষে সম্ভব হয়নি। নিজ দলের প্রত্যেক নেতা ক’মী কে ভালোবাসতো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির হৃদয়ের মানুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিজের জীবনকে ঢেলে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের তরে।রাঙামাটির প্রত্যেকটি মানুষকে আপন করেছন নিজ গুনে। গ’বে বুক ভরে যায় যখন আমাদের পাশ্ববর্তী জেলা ও উপজেলার সাধারণ মানুষের মুখে শুনি দীপংকর তালুকদার নেতার গুনগান।এ সময়েরঅশান্ত ও সন্রাসের জনপদ চিহ্নিত পাব’ত্য চট্টগ্রাম পরিবর্তন লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কে জানিয়ে আপনি দীপংকর তালুকদার হাতে তুলে নৌকার বৈঠা। দায়িত্ব দিয়েছেন পা’বত্য বিষয়ক মন্রী, পাহাড়ে শান্তি ফিরে আনছেন।ইতি মধ্যে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান খ্যাতি ও উন্নয়নের গল্প ছড়িয়ে পড়ছে দেশের আনাচে কানাচে যা বলার অপেক্ষা রাখে না। লেখক: কবি ও সাংবাদিক

Leave a Reply

%d bloggers like this: