ঢাকায় পাইপে আটকে পড়া জিহাদ ২৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : রাজধানীর শাহজাহানপুরে পাইপে আটকে পড়া জিহাদকে ২৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। যে পাইপকে কেন্দ্র করে গতকাল থেকে চেষ্টা চলছিল, সেই পাইপ থেকেই লাশ উদ্ধার করা হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. রিয়াজ জিহাদকে মৃত ঘোষণা করেন। 1111স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণার আধঘণ্টা পর শাহ আবদুল্লাহ আল মামুন, সুজন দাস, আবদুল মজিদ, আবু বকর সিদ্দিক ও ওমর ফরুক নামে স্থানীয় পাঁচ স্বেচ্ছাসেবীর চেষ্টায় জিহাদের লাশ উদ্ধার করে। গতকাল রাত থেকেই তারা লোহার একটি ‘ক্যাচার’ তৈরি করছিলেন। সেটা দিয়েই লাশ তুলে আনা হয়। উদ্ধারের পর সরকারি প্রচেষ্টার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় মানুষ। তারা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। স্থানীয়রা বলেছেন, ‘সময় ক্ষেপণ না করে দক্ষতার সাথে অভিযান পরিচালিত হলে জিহাদকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো।’ শুক্রবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে ৬০০ ফুট গভীর পরিত্যক্ত একটি পানির পাইপে পড়ে যায় জিহাদ। 2222এদিকে শিশুর জিহাদের বাবা মতিঝিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের নৈশপ্রহরী মো. নাছির উদ্দিন বকুলকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে তাকে শাহজাহানপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মতিঝিল জোনের এডিসি আনোয়ার হেসেন বলেন, শিশুর জিহাদের বাবাকে তদন্তের স্বার্থে থানায় রাখা হয়েছে। প্রথমে শিশুটিকে রশি ফেলে উদ্ধারের চেষ্টা হয়েছিল। তারপর রশিতে কাঠ বেঁধে দেয়া হয়। সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় রশির সঙ্গে পাইপে একটি বস্তা দেয়া হয়। সর্বশেষ ক্রেন দিয়ে পাইপটি টেনে তোলার চেষ্টা করা হলেও সেটি সফল হয়নি। 333সর্বশেষ রাত ৩টার দিকে ৬০০ ফুট গভীর পাইপে শিশু জিহাদের অবস্থান জানতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা পাঠানো হয়। ঢাকা ওয়াসার ওই ক্যামেরায় শিশুর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। উদ্ধার কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা বলেন, ক্যামেরা নামানোর পর একেবারে শেষ প্রান্তে তেলাপোকা, টিকিটিকিও দেখা গেছে। কিন্তু শিশুর কোনো শরীর দেখা যায়নি। তবে, ওটিই পাইপের শেষপ্রান্ত ছিল কিনা, তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল।

Leave a Reply

%d bloggers like this: