ঢাকার দু’টি ফ্ল্যাটের যেখানেই খোঁজা হয় সেখানেই টাকা আর টাকা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ঢাকার পুরানা পল্টনের বাসা থেকে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার বাড়ির মালিক মোহাম্মদ আলী বিমান বন্দরের শুল্ক ও গোয়েন্দাদের হেফাজতে রয়েছেন। Takaতিনি স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত থাকার কথা স্বীকারও করেছেন। আজ শনিবার তাকে আদালতে নেয়া হবে। ঢাকার পল্টন এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে চার বস্তা দেশি বিদেশি মুদ্রা ও ৫২৮ পিস সোনার বার উদ্ধারের ঘটনায় পল্টন থানায় মানি লন্ডারিং ও শুল্ক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে । শুক্রবার রাতে কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মোহাম্মদ আলীসহ সন্দেহভাজন আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।  কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার রাত শুল্ক বিভাগের উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করবে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। বৃহস্পতিবার পুরানা পল্টনের ২৯/১ নম্বর বাসার ১১ ও ৭ তলার দু’টি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে খাটের জাজিমের নিচে থরে থরে সাজানো টাকার বান্ডিল পাওয়া যায়। এছাড়াও সিলিংয়ের উপর ছড়ানো ছিটানো বিদেশি মুদ্রা। 22222রুমের লাগেজ, কাপড় রাখার ওয়ারড্রোব এমনকি ফ্ল্যাটের বিভিন্ন আসবাবপত্র সবখানেই ছিল টাকা। উদ্ধার করা টাকার পরিমাণ প্রায় ৮ কোটি। শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন, বাসার দু’টি ফ্ল্যাটের যেখানেই খোঁজা হয় সেখানেই টাকা। সংস্থাটির মহাপরিচালক মঈনুল হক সাংবাদিকদের জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি বাসার মালিক মো. আলী স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। তারপর বেশ কিছুদিন ধরে তার উপর গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পল্টনের ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মো. আলী স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছেন। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা জানা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*