ডা: মিতু ও ঐশীর নি:শর্ত মুক্তি চাই এবং দেন মোহরের উপর ২৫% ভ্যাট আপোষ করা হউক

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ইংরেজী, বুধবার: কথায় বলে পাপিকে নয় পাপকে ঘৃনা করে। মিতুর কি দোষ ? জাতির জনকের মতো” মনে রাখবা সোহাগ কারা তারি সাজে শাসন করে যে; মিতু বা ঐশির শুধু সোহাগই পেয়েছে। তাদের কোর্ট পড়া ভদ্র পিতা মাতা তাদের সোহাগ করেএসেছে শাসন করেনি। তাদের ধর্মীয় অনুশাসন, মূল্যবোধ এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেনি তাদেরকে যৌবন কালে অবাধ মেলা মেশার সুযোগ দিয়েছেন। তাদের মৌলিক চাহিদা গুলো হালাল রোজগার থেকে পূরণ করেনি। একটি গল্প মনে পড়ে গেল – গল্পটি এই রকম এক গ্রামে এক জাদেরেল মহিলা ছিল যে ছিল বার ডাংগি আর তার মেয়ে এক ধাপ এগিয়ে তের ডাংগি সে মেয়েকে এলাকায় যে কোন মাস্তান, সনএাসী পর্যন্ত ভয় পেত। কেউ ঐ মেয়েকে বিবাহ করার সাহস দেখাইনি। কোথায় থেকে এক চিকন ২৪/২৫ বছরের যুবক তাকে বিয়ে করতে প্রস্তাব দিল। এতে গ্রামের সবাই হতবাক হয়ে গেল যথাসময়ে ঐ যুবকটির সাথে মেয়েটির বিবাহ সম্পন্ন হল। এবার যাবার পালা যুবকটি একটি দারালো ছুরি বের করল যাওয়ার কালে তার সামনে একটি গাছ দেখল সে গাছটি এক কুপে কেটে পেলল। কিছু দুর যাওয়ার পর একটি ছাগল তার পথ আটকে দাড়াল, সে ঐ ছুরি দিয়ে ছাগলটি কে যবেহ করে দিল এভাবে যা সামনে পেল সেটি কেটে দিত লাগল এভাবে বাড়ি পৌঁছে বেশ কয়েক মাস পর মেয়েটির বাবা তার মেয়েকে দেখতে আসল তিনি দেখলেন মেয়ের শ্বাশুর ঘরের সামনে একটি বদনা একটি মোটা রশি ও আর একটি বড় লাটি। বাবা মেয়েটি কে দেখল সে খুবই খুশি এবং আনন্দে আছে। বাবা তো দেখে অবাক। কি ব্যাপার আমার এই জাদেরেল মেয়ের একি পরিবর্তন জামাই ঘরে আসলে শাশুর তাকে জিঙ্গাসা করল এবং জামাই বলল বাবা আমার ঘরের সামনে যে রশি, লাটি, এবং বদনা দেখতে পেয়েছেন সেটি দিয়ে আপনার মেয়েকে সকাল বিকাল পিটায়তাম আমার কিছু দরকার হলে দেরী করলে ঐ গাছের সাথে বেধে পিটা শুরু করতাম এ টিক ভাবে আপনার মেয়ের এই পরিবর্তন, শাশুর বলল আমাকে একটু উপদেশ দাও কি করে শাশুরী কে শাসন করা যায়। তার জ্বালাই আমি অতিষ্ঠ জামাই বলল বাবা এখন সে সময় নাই। মাটি থাকা অব¯হায় আপনি মাটি দিয়ে যে কোন জিনিস বানাতে পারেন ভেগ্ঙে আবার অন্য জিনিস বানাতে পারেন কিন্তু যখন মাটিকে আগুনে পুড়াইয়া কোন জিনিস বানিয়ে ফেলেন তাহলে এগুলোকে আর কিছু করা যায় না। তদ্রুপ আমার শাশুরী কে আর কিছু করার নেই সে জন্য আমি ঐশী এবং ডা:মিতুর নি:শর্ত মুক্তি চাই তাদের তো কোন দুষ নেই।আমাদের দেশের পশ্চিমা ও ভারতীয় সংস্কতি আমাদের কলিজার টুকরা সন্তানদেও মন মানসিকতার পরিবর্তন করে দিচ্ছে এমশ আমরা ধর্মীয় অনুশাসন থেকে সরে যাচ্ছি। বিশ্ব শ্রেষ্ঠ বেইস্যা তসলিমা খানকি মেয়েদের মুসলিম সভ্যতা থেকে ও দূরে নিয়ে যাচ্ছে। কিয়ামতের ময়দানে যখন আল্লাহ তাদের পাপের জান্য জিঙ্গাসা করবে তখন তারা উত্তর দিবে আমাদেরও পাপের জন্য আমার মা বাবা দায়ী এখন দেশের আইনে তাদের শাস্তি না দিয়ে তাদের মা বাবা কে শাস্তি দিন। এবং সে সমস্ত মেয়ের দেন মোহর ৫ লক্ষ টাকার উপরে ধার্য হয়। যে দেনমোহরের উপর কন্যার পক্ষকে দেনমোহরের ২৫% ভ্যাট আরোপ করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচিছ। বরের সাধ্য অনুযায়ী দেনমোহরের ধার্যের কথা বলা হয়েছে। লেখক: সাবেক জাতীয় ছাএলীগ নেতা ছাএ সংসদ সরকারী সিটি কলেজ চট্রগ্রাম। শিক্ষাবিদ ও কলামিষ্ট

Leave a Reply

%d bloggers like this: