টেকসই উন্নয়ন বা¯Íবায়নে দুর্নীতি কমিয়ে আনতে হবেটেকসই উন্নয়ন বা¯Íবায়নে দুর্নীতি কমিয়ে আনতে হবে

মাহমুদুল হক আনসারী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ১০ জুলাই ২০১৭

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট পহেলা জুন সংসদে পেশ হয়। ১৯ কর্মদিবসে আলোচনার মাধ্যমে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বিশাল বাজেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতেই কণ্ঠ ভোটে পাশ করে সংসদ সদস্যগণ। ÿমতাসীন দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের কণ্ঠ ভোটে পাশ হওয়া বাজেটে নানা দিক ও বিষয়ের উপর ১৯ কর্মদিবস মাননীয় সংসদ সদস্যগণ আলোচনা সমালোচনা করার পর ১ লা জুন থেকে এ বাজেট কার্যকর হলো। বৃহস্পতিবার পাশ হওয়া এ বাজেটে অনেক ত্রæটি বিচ্যুতি নিয়ে সমাজে নানাশ্রেণী পেশার মানুষের সমালোচনা হয়েছে। এ বাজেটকে কেউ বলেছে ধনীবান্ধব, কেউ বলেছে বাজেটে নি¤œ মধ্যবিত্ত মানুষের স্বার্থ রÿা করা হয়নি। ধনী আরো ধনী হবে, গরীব নিঃস্ব হবে। মধ্যবিত্ত মানুষের দুঃখ দুর্দশা আরো বাড়বে। নানা শ্রেণী পেশার মানুষের ব্যাপক সমালোচনার সাথে বিরোধী দলের অফিস কেন্দ্রীক সমালোচনা দেখা গেছে। সব সমালোচনা আলোচনার পরিসমাাপ্তি ঘটিয়ে অর্থ মন্ত্রী কিছু কিছু ÿেত্রে সংশোধনী আনেন। ÿমতাসীন দলের উপস্থাপিত বাজেট তাদের দলের সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটেই পাশ হয়। আলোচনা সমালোচনা যাই হউক  না কেন, দেশের ৮০ ভাগ মানুষ কৃষি কর্মকান্ডে নিয়োজিত থেকে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। জমিতে চাষ করে ফসল ফলায় ঘরে উঠায় আর হাট বাজারে বিক্রি করে জীবন জীবিকা চালায়। প্রতিবছর জুন মাসে নতুন করে বাজেট পেশ হয়, তা পাশ করা হয়, সেটা তারা শুনে। কিন্তু বাজেট পাশের হেরফের তারা বুঝেনা, তারা বুঝে বাজারের পণ্য মূল্যের অবস্থা। চাল,মাছ,মাংস,তরি তরকারির কি অবস্থা সেটাতেই তারা ধরে নেই, এ বাজেট ভালো কি মন্দ। যদি ভালো হয়, তাহলে তাঁরা বুঝে নেই, দ্রব্য মূল্যের দাম বাড়বেনা। আর যদি নিত্যপণ্যের মূল্যবাড়ে তারা  বুঝে এ বাজেট কৃষক মারার বাজেট। এখন আমাকে দেখতে হবে ৮০ ভাগ মানুষের স্বার্থ রÿা হলো কি হলো না। ২০ ভাগ মানুষের কল্যাণে বাজেট পেশ ও পাশ হলে সেটা গণমুখী বাজেট ধরা যায়না। সংসদে যারা রাষ্ট্রের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে, তারা কাদের প্রতিনিধিত্ব করছে সেটা বাজেট পর্যালোচনা করলেই বুঝা যায়। বাজেটে গরীব দুঃস্থ কৃষকদের স্বার্থ তুলণ্ঠিত হয়েছে। দ্রব্যমূল্য কমবার অথবা স্থিতিশীল থাকার মতো কোন প্র¯Íাব সেখানে নাই। বাজেট ১ জুন কার্যকর হওয়ার পর থেকে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বৃদ্ধি পাওয়া কিন্তু কমে আসেনা। দেশে কোন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেলে সেটা কমে আসার প্রবণতা দেখা যায়না। তাহলে তেল,মরিচ,পিঁয়াজ, আদা, রসুনের মূল্যবৃদ্ধির কারণ কি? মাননীয় অর্থমন্ত্রী আপনি বলবেন কি? আপনার বাজেট  পাশের সাথে সাথে সব ধরনের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, সেটা কে নিয়ন্ত্রণ করবে। আপনার প্রশাসনের আশপাশেই হাতের নাগালে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাহলে আমার গ্রামের কৃষক দিন মজুর খাল-বিলের মানুষের অবস্থাটা কি হবে? এর উত্তরকে দেবে। মাঠে ময়দানে এখন কাজ নেই, গ্রামের ৮০ ভাগ মানুষ বেকার। আয় রোজগারের রা¯Íা বন্ধ, কিন্তু তাদেরকেতো খেতে হবে। খেয়ে দেয়ে বেঁচে থাকার অধিকারটুকু রাষ্ট্রকে দিতে হবে। দেশের জাতীয় সংসদ,সরকার,তা কি রÿা করতে পেরেছে? নিশ্চয় পারে নাই। এ বাজেটে যেভাবে শিল্পপতি ধনীদের স্বার্থ রÿা করে হয়েছে, সে তুলনায় মোটেও নি¤œ আয়ের মানুষের স্বার্থ দেখা হয়নি। নি¤œ মধ্যবিত্ত মানুষ তারা কাজ করলে খাবে, কাজ না থাকলে মরবে। আয়ের চেয়ে ব্যায় বেশী এ ধরনের বাজেট বারবার পাশ হলেও সাধারণ মানুষের কিছু যায় আসেনা। বিশাল এ বাজেট পাশের মাধ্যমে যদি স্বাশক দল লুটপাটের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য বাড়ায় সে ÿেত্রে জনগণের কিছুই করার নেই। শাসক দল যা চাইবে তাই হবে, সাধারণ জনগণের কিছু বলার ও করার থাকবেনা। চোঁখ বুঝে অন্ধের মতো বোঁবা হয়ে থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তাদের চোঁখ আছে কিন্তু, দেখে এবং বুঝে তাঁরা তো আর চুপ থাকতে পারেনা। তবে তাদের সংখ্যাও সামান্য, তাদের বলা আর লিখা দিয়ে কিছু যে হবে সেটাও বলা যায়না। ÿমতাসীন দলের উপর থেকে নিচে যারা আছে তাদের পোয়াবার হয়েছে। বাজেটের অর্থ দরকার আছে নাই, প্রয়োজন অপ্রয়োজনে প্রকল্প উপস্থাপন আর বা¯Íবায়নে অর্থ চলে আসবে। তাদের অর্থের কোনো অভাব হবেনা, সরকারের তৃণমূল পর্যায়ে যে সব নেতা নেত্রী কর্মকতা কর্মচারী আছে, তাদের অর্থ এবং জীবন চলার বেগ পেতে হবেনা। লাখ লাখ টাকার বাজেট অর্থ তাদের প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের পকেটস্থ হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, দুর্নীতি সহ্য করা হবেনা। সব ধরনের সেক্টরে দুর্নীতি, দুর্নীতি নেই কোথায়। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সচিবালয় পর্যন্ত দুর্নীতি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবার পরিজন আত্মীয় স্বজন দুর্নীতিমুক্ত থাকলেও তাঁর দলের নেতারা এখন শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। তাদের বাড়ী গাড়ির অভাব নেই, তাদের জীবনমান অন্যরকম। সব দুর্নীতির টাকা, প্রকল্প ও টেন্ডারের টাকা। কার টাকা কার পকেটে হিসেব দেখার কেউ নেই। বলার মতো পাট্টা কারো নেই,দু-একজন নেতা বললেও তাঁরাও এখন চুপচাপ। স্বাধীনভাবে লুটপাটের রাজত্ব চলছে, পাশকৃত বাজেটের অর্থ যদি এভাবেই চলে তাহলে সাধারণ জনগণের কিছুই করার থাকবেনা। ভোগান্তি আর শোষণের হাতিয়ার হবে সাধারণ মানুষ। আর ধনী ও ভোগবিলাস করবে মাত্র ২০ ভাগ শিল্পপতি,কোটিপতি,আর ÿমতায় থাকা নেতা নেত্রীগণ। ৮০ ভাগ মানুষের কথা ভাবার জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে অনুরোধ জানাব। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারো কাছেই দেশের আপামর জনগণের দুঃখ দুর্দশার সমবেদনা নেই। তাঁর আশপাশে যারা আছে প্রায় সকলেই কে কার চেয়ে বেশী অর্থ সংগ্রহ করতে পারে সে চেষ্টায় নিয়োজিত আছে বলে জনগণ মন্তব্য করছে। এ ÿেত্রে জনগণকে সুখে শান্তিতে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর দরদের কোন বিকল্প নেই। দুর্নীতি বন্ধে আপনার  কঠোর আহŸানকে পরিস্কার করে দল ও প্রশাসনকে তা বা¯Íবায়নের উদ্দ্যোগ কঠোরভাবে  বা¯Íবায়ন করতে হবে। তাহলেই সম্ভব হবে বাজেট এর সুফল ভোগ করা। সুফল ও সফলতা বা¯Íবায়নে দুর্নীতি বন্ধ করে দল ও প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেই সাধারণ মানুষ বাজেটের সুফল পেতে পারে  বলে প্রত্যাশা করছি।

                                      রা¯Íাঘাটের বেহাল দশা, দুর্নীতি বন্ধ করা হউক

                                                                      মাহমুদুল হক আনসারী

রা¯Íা ঘাটের বেহাল অবস্থা। ঘূর্ণিঝড় মোরা, অতি অনাবৃষ্টিতে শহর গ্রাম সব রা¯Íার বেহাল দশা। সিটি ও মফস্বল এলাকায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে। জীবন চলার তাগিদে নগর ও গ্রামবাসীকে চলতে হচ্ছে। রা¯Íায় নামলে রা¯Íার করুণ অবস্থা। পুরো রা¯Íা যেন থালা আর গর্তে ভরপুর, যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। যাত্রীগণ চরমভাবে ঝুঁকির মধ্যে পরিবহণে আসা যাওয়া করছে। নগর ও দূর পালøার পরিবহণে সাধারণ যাত্রীগণ চরমভাবে খেসারত দিচ্ছে রা¯Íায়। একদিকে ঈদকে পুঁজি করে পরিবহণ সমূহ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। অপরদিকে রা¯Íার বেহাল দশায় শহর ও নগরে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। সামান্য মৌসুমী বৃষ্টিতে রা¯Íার করুণ দশায় মানুষ নানা মন্তব্য করতে বিরত নেই। ঠিকাদারের কাজের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন। কোটি কোটি টাকার টেন্ডারের কাজে রা¯Íার এত দুর্বল কাজে প্রশ্ন না করার কোন যুক্তি নেই। নগরীর এমন কোন রা¯Íার শাখা প্রশাখা নেই, যেখানে রা¯Íার চেহারা পাল্টিয়ে যায়নি। কত দুর্বল নি¤œমানের কাজ হলে রা¯Íার এমন দশা হয় সেটা ও সংশিøষ্ট  কর্তৃপÿকে চিন্তায় আনতে হবে। হাজার হাজার কোটি টাকার রা¯Íা ঘাটের কাজ করে সামান্য বৃষ্টিতে যদি রা¯Íার এমন অবস্থা হয় তাহলে এর জন্য দায়ী কে ? মৌসুমী বৃষ্টি দায়ী নাকি ঠিকাদার। সংশিøষ্ট কর্তৃপÿের যথাযত তদারকী যদি ঠিক মতো থাকতো তাহলে এমন হওয়ার কথা ছিলনা বলে মনে করছে সচেতন নগরবাসী। কাজের মান যথাযত থাকলে এমনভাবে রা¯Íার করুণ অবস্থা হওয়ার কথা না। রা¯Íাঘাটের উন্নয়নের  অর্থ কাগজে কলমে কাজ দেখিয়ে পকেটস্থ করলে এমনিই হবে রা¯Íার অবস্থা। রা¯Íার উন্নয়নের অর্থ রা¯Íায় উপযুক্তভাবে খরচ করতে হবে। তার তদারকী নিয়ন্ত্রন থাকতে হবে। সংশিøষ্ট কর্তৃপÿকে যথাযতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কাজের মান ঠিক না থাকলে অর্থ ছাড় দেয়া বন্ধ রাখতে হবে। হাজার হাজার কোটি টাকার কাজে এত বড় ধরনের দুর্নীতি খুব ভালভাবেই দেখতে হবে। দলীয় চিন্তায় এনে ক্যাডারদের মাধ্যমে রা¯Íাঘাটের উন্নয়নের কথা বলে প্রকল্পের টাকা তাদের পকেটস্থ করার কৌশল হিসেবে কাজ করলে সেখানে কিছুই বলার থাকে না। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণীর চিন্তা যদি হয় রা¯Íা ঘাটের যথাযত উন্নয়ন, তাহলে সেভাবেই রা¯Íার উন্নয়নের অর্থ রা¯Íাঘাটেই ব্যয় করতে হবে। টেকসই রা¯Íা বানাতে হবে, তাহলে রা¯Íা ও যান চলাচলে ভোগান্তি কমবে এবং মানুষ নি¯Íার পাবে। শান্তি ও স্ব¯িÍতে সাধারণ যাত্রী চলাচল করতে পারবে। অহেতুক অন্যায় দুর্নীতির মাধ্যমে রা¯Íার অর্থ বিভিন্ন সেক্টরে উন্নয়নের নামে ভাগ করা হবে সেখানে আর জনগণের শান্তি থাকে না। রা¯Íার যান চলাচল ও মানুষ চলাচলে ভোগান্তি কমবেনা। এ ÿেত্রে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে, ক্যাডার থেকে আরম্ভ করে রাজনীতি দলীয় সন্ত্রাসের উর্ধ্বে রা¯Íার উন্নয়ন দেখতে হবে। তাহলে যারা কাজ করছে তাদের টাকা বৈধ হবে। রাষ্ট্রের উন্নয়নের সঠিক চরিত্র ও সুফল জনগণ দেখতে পাবে। দুর্নীতি লাভ করার মাপকাঠি থাকতে হবে, ভেজাল করার একটা সীমা থাকতে হবে। সিমেন্ট কংকরের জায়গায় বালি আর মাটি দিয়ে রা¯Íার কাজ করলে সে রা¯Íা থাকবেনা। সেটা হয়ে যাবে থালা খন্ধক অনুপযোগী রা¯Íা। যান চলাচল সেখানে নিরাপদ থাকেনা, মানুষের ভোগান্তি চরমভাবে হবে এবং তাই হচ্ছে। দেশের মূল্যবান অর্থ রা¯Íাঘাটের উন্নয়নের নামে বরাদ্দ নিয়ে এভাবে ভাগ করে পকেটস্থ করা কোন অবস্থায় গ্রহণ ও মেনে যায় না। মুষ্টিময় কিছু লোককে কোটিপতি ও স্বাবলম্ভী করার কর্মসূচী ছাড়া কিছুই না। এ ধরনের অপরাধ ও সংস্কৃতি থেকে ÿমতাসীন দলকে সরে আসতে হবে। নিশ্চয় ÿমতাসীন দলের ছত্র ছায়ায় এ সব রা¯Íার কোটি কোটি টাকা আত্মসাত হচ্ছে। এগুলো রাষ্ট্রের টাকা, জনগণের অর্থ,দেশবাসীর অর্থকে যত্রতত্র উন্নয়নের নামে পাশ করে পকেটস্থ করার কোনো যুক্তি আছে বলে মনে হয়না। এ ধরনের অপরাধের কঠোর বিচার ও শা¯িÍ থাকতে হবে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম আসলেই হাজার হাজার কোটি টাকার রা¯Íার উন্নয়ন কাজের এমন অবস্থা হবে আর জনগণ নিরব থাকবে। ÿমতাসীন দল আর কেন্দ্রীয় সরকার হতে বাজেট এনে কাজের নামে পকেটস্থ করবে সেটা জনগণ ভাল চোখে দেখছেনা এবং মানতে ও রাজি না। এসব দুর্নীতি রাষ্ট্র ও সংশিøষ্ট প্রশাসনকে বন্ধ করতে হবে। বা¯Íব উন্নয়নের মাধ্যমে রা¯Íাঘাটের কাজ করতে হবে। রা¯Íাঘাটের কাজের দুর্নীতি শূণ্যের কোটায় আনতে হবে। সাধারণ মানুষের চলাচলের রা¯Íাঘাট সর্বদা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও যান চলাচলের উপযোগী রাখতে হবে। এ ÿেত্রে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় আশ্রয় বন্ধ করতে কঠোর হতে হবে। মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রীকে এসব বিষয়ে কঠোর হতে হবে, জনগণের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে রা¯Íাঘাট তৈরীর নামে লুটপাট বন্ধ করতে হবে। কাজের মান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বরতদের আরো আন্তরিকতা দিতে হবে। রা¯Íার  সংস্কার করে যান ও নাগরিক চলাচলের উপযোগী করতে সংশিøষ্ট কর্তৃপÿকে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নানাভাবে জনগণের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার মন মানসিকতা চিন্তা থেকে সরে আসতে হবে। অহেতুক রাষ্ট্রের অর্থ যত্রতত্র ব্যায় করে জনগণের মাথায় আঘাত করার কৌশল চিন্তা পরিহার করতে হবে। মাননীয় অর্থ মন্ত্রীকে বলব বাজেট বৃদ্ধি করে উন্নয়নের নামে অর্থ আত্মসাৎ করার রা¯Íা বন্ধ করুন। অর্থকে যথাযতভাবে উন্নয়ন, সঠিক উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দিন। কাজের মান তদারকী ও দুর্নীতি বন্ধ করুন। জনগণের অর্থ সঠিকভাবে গণখাতে ব্যায় করুন, তাহলে জনগণ আপনাদেরকে সম্মান ও ভালোবাসবে। জোর করে জনগণের ভালোবাসা আদায় করা যায়না। আদর্শ ও কাজ দিয়ে জনগণের সাপোর্ট আদায় করুন। যতদূর সম্ভব ধ্বজভঙ্গ রা¯Íাঘাটের সংস্কার করে দিন। যান ও মানব চলাচলে জন ভোগান্তি দূর করুন। অর্থকে যথাযতভাবে সঠিক প্রকল্পে ব্যয় করুন, তাহলে আপনাদের সরকার আরো দীর্ঘায়ু হবে, আপনাদের প্রতি জন সমর্থন বাড়বে।  আসুন রাষ্ট্রের অর্থ ব্যায়ে কাজের মান বৃদ্ধি করি।

সোনার ছেলে যুব সমাজ 

                                                                      মাহমুদুল হক আনসারী

যুবকরাই শক্তি, যুবকরাই শান্তি, তারাই সোনার ছেলে। তারাই পারে সমাজ পাল্টাতে, তাদের মেধাশক্তি চিন্তা চেতনায় হতে পারে সমাজ চলার পথেয়। যুবকদের সঠিক পথে পরিচালিত করা সমাজপতিদের দায়িত্ব। ভালো মন্দ বুঝবার পুরোপুরি তাদের বয়স না হলেও, আজকাল যুবকরা অনেক কিছু বুঝতে ও জানতে শিখেছে। তাদের বুদ্ধিমত্তার পরিধি বেড়েছে। সঠিক ও নির্দিষ্ট পথে তাদের পরিচালিত করলে সমাজ রাষ্ট্র অনেকাংশে এগিয়ে যাবে। কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী যুব সমাজকে ব্যবহার করে জীবন ধ্বংস করছে, এটা মারত্মক অপরাধ। তারা সেটা বুঝতে পারেনা বলে সে কাজে ব্যবহার হয়। একবার ঐ কাজে জড়িয়ে পড়লে আর ফিরে আসা হয় না। যুবকরা না বুঝে অর্থ লোভে সে ফাঁদে পা ফেলে। যুবকদের এসব বিষয়ে আরো সচেতন হতে হবে। অন্যায় অবিচার কাজ কর্ম তাদের পা বাড়াতে হুঁশিয়ার হতে হবে। দেশে রাজনীতির নামে ধ্বংসাত্মক জ্বালাও পোড়াও সহিংস ঘটনা ঘঠতে দেখা যায় সময়ে অসময়ে। তাদেরকে ÿমতায় উঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অল্প টাকার বিনিময়ে রা¯Íা মাঠের খেলনা বানিয়ে কতিপয় নেতারা তাদের ব্যবহার করে থাকে। তারা সমাজের সোনার ছেলে, তারা দেশের অমূল্য সম্পদ, তাদের মাথার উপর দাঁড়িয়ে দেশ এগিয়ে যাবে। তাদের মেধা আর যোগ্যতায় সমাজ পাল্টাবে, তাদের চিন্তা চেতনা আর শক্তিকে ধ্বংস করলে সমাজ রাষ্ট্র পিঁছিয়ে পড়বে, রাষ্ট্র এগুতে পারবেনা। কাংখিত অগ্রগতি আর উন্নতি সম্ভব হবেনা। যুব সমাজকেই এগিয়ে নিতে ও দিতে হবে।  সংস্কৃতি অপসংস্কৃতি দুটোকেই আলাদা করে চালাতে হবে। এখন তাদের যে বয়স সে বয়সে তারা আসল নকল চিনবার বয়স হয়নি। তাদেরকে প্রকৃত সংস্কৃতির ধারণা চর্চা দিতে হবে। অশিøলতা বেহায়পনার প্রতি ঘৃণা দেখাতে হবে। শালিন আচার আচরণ শিÿা ও অনুশীলনে অভ্য¯Í করতে হবে। মাতাপিতা অভিভাবক সে ÿেত্রে প্রকৃত শিÿার পাত্র বলা যায়। ধর্মীয় শাসন অনুশাসন কখনো খারাপ কিছু শিখায় না। প্রত্যেক ধর্মের অমূল্য বাণীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও অনুস্বরণীয় করে তুলতে হবে। রাজনীতির চাল চলনে অন্যায় ও ধ্বংসাত্মক পথে যুবকদের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাদের এসব বিষয় মাথায় এনে শুদ্ধ চিন্তা চেতনায় রাজনীতি করতে হবে। প্রকৃত রাজনীতির মূল্যবোধ নেতাদের দেখাতে হবে। যুবকদের প্রকৃত মূল্যবোধ সম্পন্ন করে গড়ে তুলার সংস্কৃতি থাকতে হবে।  সব ধরনের গণতান্ত্রিক দলের নিয়মনীতি শৃংখলা থাকতে হবে। অনিয়মের রাজনীতিতে গড়ে ওঠা নেতৃত্ব কখনো নিয়ম দেখাতে পারেনা। যুবকদের নিয়ম শৃংখলা,দেশপ্রেম ভালোবাসায় গড়ে তুলতে হবে। তখন দেশ দল দুটোই শান্তিতে থাকবে। দলে দলে হানাহানি মারামারি বিভাজন সন্ত্রাস নৈরাজ্য বন্ধ হবে। সকল দল ও রাজনীতিবিদদের এসব বিষয়ে চিন্তা করে রাজনীত করতে হবে। নেতার পিছনে কত শত শত যুবকের ¯েøাগান আর মিছিল থাকা চায় সেটা চিন্তা করতে হবে। এসব শেøাগান আর মিছিলের কারণে রা¯Íায় জন চলাচল বিঘিœত ও ভোগান্তির শিকার হয় সাধারণ মানুষ। সুস্থ রাজনীতির মধ্যে সেটা পড়ে কিনা ভাবতে হবে। প্রযুক্তির শীর্ষ যুগে মানুষ সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবী এক করছে। সেখানে আদিকালের মিছিল মিটিং করে রা¯Íা বøগ করে জন ভোগান্তির কি দরকার নতুন করে দল ও নেতাদের চিন্তায় আনতে হবে। যুবকদের অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান,শিÿা ও কর্মসংস্থানের কর্মসূচী বা¯Íবায়ন করুন। তাদেরকে অভিভাবকগণ লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ ও উপার্জন উপযোগী করে তুলেছে। পরিবারের হাল ধরার বয়স চলছে তাদের। কর্মসৃষ্টি করে তাদের রোজগারের ব্যবস্থা করা দল, নেতা ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সে ব্যবস্থা না রেখে তাদের জীবন এক ধরনের হুমকীর মধ্যে পরিচালনা করা অন্যায় অবিচার ছাড়া কিছুই হতে পারেনা, যোগ্যতা সম্পন্ন সকল যুবকদের চাকরির ব্যবস্থা করুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন। সৎপথে সৎ উপার্জনে তাদের চলার ব্যবস্থা করুন। কোন অবস্থায় তাদের বেকার রাখা যাবেনা। বেকার হলে সেখানে মাদক,সন্ত্রাস জঙ্গীবাদের আ¯Íানা হবে। মুখে সন্ত্রাস,জঙ্গী,মাদকের বিরুদ্ধে বললেও দায়িত্ব শেষ হবেনা। প্রকৃতভাবে কর্মসূচী নিয়ে সোনার ছেলে যুবসমাজকে কর্ম দিতে হবে। রাষ্ট্রের নানা সেক্টরে তাদের কর্মসংস্থান দিতে হবে। খালি পদ পূরণ করুন,সকল সেক্টর ও পদ পূরণ করে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুন। কথায় কাজে মিল রাখুন, শুধু মাত্র ÿমতার পালাবদলে সাময়িকভাবে তাদের ব্যবহার করে নিজ ও দলকে বাঁচিয়ে রাখার রাজনীতি পরিহার করুন। যুব সমাজকে বাঁচান,দেশ বাঁচবে। যুবসমাজ শুদ্ধ ও সুন্দরভাবে চললেও দেশ সুন্দর ও শৃংখলায় এগিয়ে যাবে। অস্ত্রের অযাচিত মৌজুদ ব্যবহার হতে তাদের বিরত রাখুন। কথায় কথায় অস্ত্রের প্রদর্শন ও সতীর্থ হত্যার রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। কোটি কোটি যুব সমাজকে তাদের প্রকৃত গন্তব্যে পৌঁছতে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রণয়ন ও বা¯Íবায়ন চাই। তাদেরকে অন্ধকারে না রেখে আলোর মশালে পরিচালিত করুন। দায়িত্ব রাষ্ট্রের, দায়িত্ব নেতা নেত্রীদের , দায়িত্ব সকলের। দেশ সমাজ রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে যুব সমাজের বিকল্প নেই। কর্মমূখী যুব সমাজ পরিবার সমাজ, রাষ্ট্রের অমূল্য শক্তি। এ শক্তির সঠিক ব্যবহার ও বা¯Íবায়নের মাধ্যমে যুব সমাজ সোনার ছেলে পরিণত হবে, রাষ্ট্র বা¯Íবে সোনার বাংলায় পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।  আসুন যুবকদের সঠিক পথে পরিচালিত করে নিজে ও দেশকে উপকৃত করি।
সত্য মিথ্যার মাপকাঠি মানুষ 

                                                                                      মাহমুদুল হক আনসারী

সত্য মিথ্যার মাপকাঠি মানুষ। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। সকল সৃষ্টির উত্তম সৃষ্টি মানুষ। মানুষকে আশরাফুল মাখলুক বলা হয়েছে। পৃথিবীর সম¯Í সৃষ্টিকে মানুষের উপকারে সৃষ্টি করা হয়েছে। এক মাত্র মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে সৃষ্টিকর্তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য। মানুষের মাঝে কৃতজ্ঞতা অকৃতজ্ঞতা দুটোই আছে। ভালো মন্দ দুটোই মানুষ করার ÿমতা রাখে। মানুষের হিসাব নিকাশ আছে। হিসাব নিকাশ ছাড়া মানুষের মুক্তি নাই। সৃষ্টিকর্তা মানুষকে আলøাহ প্রদত্ত ঐশী জ্ঞান দিয়ে পৃথিবীতে সৃষ্টি করেছেন। জ্ঞান বিজ্ঞানের অফুরন্ত সাগর হচ্ছে আসমানি কিতাব। আসমানী কিতাবের সর্বশেষ গ্রন্থ হল পবিত্র কোরআনুল কারীম। যা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর উপর সর্বশেষে নাযিল করা হয়েছে। সব ধরনের জ্ঞানের ভান্ডার এ কিতাব। এ কিতাব অধ্যায়নের মাধ্যমে মানুষ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারে। সৃষ্টিকর্তার রহস্য উদঘাটন করতে পারে। পৃথিবী সৃষ্টির রহস্য অনুধাবন করতে পারে। সৃষ্টির অন্যান্য সৃষ্টি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে থাকে। দুনিয়া সৃষ্টির আদি ও বর্তমান সম্পর্কে পবিত্র কোরআন শরীফের অধ্যায়ন পর্যালোচনা মানুষকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষে পরিণত করে দেয়। জ্ঞানের সাগর আল কোরআন মানুষের জ্ঞানকে সর্বোচ্চ আসনে আসীন করে। পবিত্র কোরআন শরীফে বলা হয়েছে, মানুষ সত্যের মাপকাঠি। মানুষ সৃষ্টি করে সৃষ্টিকর্তা তাঁর পৃথিবীকে সাজিয়েছেন। মানুষকে তিনি তাঁর প্রতিনিধি বলেছেন। আলøাহর প্রতিনিধি হচ্ছেন মানুষ। মানুষের মাধ্যমে সম¯Í দুনিয়া সৃষ্টিকর্তা শাসন করবেন। ন্যায় অন্যায় ভালো মন্দের গুনাগুন মানুষের মধ্যে নিহিত আছে। মানুষ তাঁর কৃতকর্মের পুরস্কার পেয়ে যাবে। মানুষের সমাজ মানুষ দ্বারা পরিচালিত হবে। মানুষ তার অধিনস্থ অন্য মানুষের প্রতি কী ধরনের আচার আচরণ করবে সেটা সৃষ্টিকর্তা মানুষকে আসমানি কিতাবের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। মানুষ সৃষ্টিকর্তাকে অনুসরণ অনুকরণ করুক বা নাই করুক বা¯Íবে তার হিসাব একদিন দিতেই হবে। ইহজগতের সম¯Í হিসাব অন্য জগতে হবে, সেটার নাম ঈমান বা বিশ্বাস। এ বিশ্বাসের উপর ঈমান রেখেই মানুষের চলা উচিৎ। দুনিয়ার স্বল্প জীবনে মানুষ কর্মÿেত্রে সে কথা অনেকটা বেমালুম ভূললেও সে ভূল ক্লান্তির পর কয়েক ঘন্টা ঘুমের মতো। ঘুম যেমন মানুষকে তার সম¯Í কর্ম হতে বিশ্রামে নিয়ে যায় তদ্রæপ দুনিয়ার সামান্য জীবন মানুষের কয়েক ঘন্টা ঘুমের সাথে তুলনা করলে ভূল হবেনা আশা করি। দুনিয়ার সামান্য জীবনে মানুষ যা করছে তা একটু ভাবা দরকার। চিন্তা ভাবনা করলে মানুষ তার ÿনিকের জীবনে যা ইচ্ছে তা করতে পারেনা। কর্মের আগে একটুখানি ভাবা দরকার কি করছি,কেন করছি, ধর্ম এখানে মুখ্য ব্যাপার নয়, আসল বিষয় হলো মানুষ। মানুষ মানুষের জন্য কি করছে, অন্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য মানুষের কী করণীয় ছিল। আসলে কী একজন মানুষ তার নিজের জন্য যা ভাবে করে তা অন্যের জন্য চিন্তা ও বা¯Íবায়ন করে থাকে? করলে কোনো কথা নেই। যদি না করে তাহলে কেন এমনটা হচ্ছে। সত্য মিথ্যার মাপকাঠি মানুষ, মানুষ কেন মানুষকে ধ্বংস করছে, সৃষ্টির সেরা মানব পরিবার ধ্বংস করছে, সমাজে ÿতি করছে। মানুষের কল্যাণ অকল্যাণ চিন্তা না করে নিজের স্বার্থে সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংস করছে। সে স্থানে মানুষের হিতাহিত জ্ঞানের আলো কোথায় গিয়ে দাঁড়ালো সেটা একটুখানি চিন্তা করা দরকার। মানুষের কারণে মানুষের ÿতি, মানুষ ভালো মন্দের চিন্তার দিক হারিয়ে সমাজ বিধ্বংসী হচ্ছে। পরিবেশ পরিস্থিতি সমাজকে ধ্বংস করছে। একজন মানুষ অন্য মানুষের ভালো মন্দ দেখছেনা। অন্যের অধিকার আনন্দ খুশিতে বাঁধা দিচ্ছে। অন্যজনের অধিকারকে গুরুত্ব দিচ্ছেনা, মৌলিক নাগরিক অধিকার অধিনস্থরা পাচ্ছেনা। শাসক দল অন্যকে রা¯Íায় দাঁড়াতে দিচ্ছেনা, কথা বলতে দিচ্ছেনা। কথা ও মতের স্বাধীনতা ভোগ করতে পারছেনা অন্য সব দল ও মতের মানুষগুলো। তাহলে কী হবে এ সমাজ ব্যবস্থায়, সমাজের শৃংখলা মূল্যবোধ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে। সমাজ কিভাবে ঠিকে থাকবে ?  সামাজিক শৃংখলা কিভাবে রÿা পাবে, সব কিছুকেই চিন্তা করতে হবে মানুষকে। মানুষকেই ÿমতা দেয়া হয়েছে, ন্যায় ও অন্যায় অনুধাবন করার। তার অধিনস্থ অন্য সব মানুষের সুবিধায় অসুবিধায় ÿমতাবানদের জবাবদিহি করতে হবে। জুলুম ও অন্যায় আচরণের পরিণতি ভোগ করতে হবে। পরকাল নামক যে অনন্তকাল একটি জীবন আছে সে কালের অপেÿা সকলকে করতে হবে। সেখানে সকলের সাথে সাÿাৎ হবে, ইহকালের সব কর্মফল সেখানে সে দিবসে নিজ নিজ সম্মুখে উপস্থাপন করা হবে। সেখানে তখন কোন ধরনের ষড়যন্ত্র আর দলীয়করণ করা চলবেনা। সে দিনের কথা মনে রেখে দুনিয়ার স্বল্প সময়ের জীবনে সকলকে ভেবে চলা দরকার। নির্যাতন,জুলুম, ÿমতার অপব্যবহার চিরস্থায়ী হয়না। ÿমতাকে জুলুমের হাতিয়ার না করে মানব কল্যাণে ব্যবহার করলে উভয় কালের কল্যাণ আর সাফল্য আছে। এর বাইরে মানুষ তার চিন্তা শক্তিকে ব্যবহার করলে পরিণাম হবে ভয়াবহ।লেখকমাহমুদুল হক আনসারীসংগঠক,গবেষক,কলামিষ্ট

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*