জামিন পেলেন খালেদা জিয়া

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতিkhaleda-zia-court মামলায় হাজিরা দিয়ে বিশেষ জজ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজের অস্থায়ী আদালত রোববার সকালে খালেদা জিয়ার আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। এর আগে সকাল ১০ টা ৩৫ মিনিটে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজের অস্থায়ী এজলাসে পৌঁছান তিনি। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহর গুলশান কার্যালয় থেকে আদালতের উদ্দেশে রওয়ান হয়। গুলশানের ওই কার্যালয়ে টানা তিন মাস অবস্থানের পর বাইরে বের হলেন বিএনপি নেত্রী। গত ৩ জানুয়ারি থেকে ৯৩ দিন এই কার্যালয়ে ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়ার গাড়িতে তার সঙ্গে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ছিলেন। দশম সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে ৩ জানুয়ারি কার্যালয় থেকে বের হতে পুলিশের বাধা পান বিএনপি চেয়ারপারসন। ৫ জানুয়ারি কর্মসূচিতে বাধা পেয়ে লাগাতার অবরোধ ডেকে সেখানেই অবস্থান নেন তিনি। এর মধ্যেই গত ২৫ ফেব্র“য়ারি জিয়া ট্রাস্টের দুই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় খালেদার বিরুদ্ধে। এরপর পরোয়ানা প্রত্যাহারে খালেদার পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে গত ৪ মার্চ তা নাকচ করেন বিচারক। খালেদা জিয়া আদালতে যাবেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হওয়ায় আদালত ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৯৩ দিন আগে ৩ জানুয়ারি নিজের বাসা থেকে গুলশানে রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসেছিলেন তিনি। এরপর আর কার্যালয় থেকে বের হননি বিএনপি নেত্রী। দীর্ঘদিন বাসাটি খালি থাকায় শনিবার সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা কর্মীরা বাসার ভেতর ও বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। গত ৩ জানুয়ারি রাত থেকে খালেদা জিয়া গুলশানে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। ৫ জানুয়ারির ‘একতরফা’ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিনে রাজধানী ঢাকায় সমাবেশ কর্মসূচিকে ঘিরে ওই রাত থেকে তাঁকে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে তালা মেরে দেওয়া হয়। এরপর ১৯ জানুয়ারি থেকে অবরোধমুক্ত করা হলেও তিনি আর কার্যালয় থেকে বের হননি। সূত্র : শীর্ষ নিউজ ডটকম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*