জাতীয় নির্বাচন ঘরের দুয়ারে!

সোলায়মান আহসান, ১৫ জুন ২০১৭, বৃহস্পতিবার: প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দলের তৎপরতায় মনে হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচন ঘরের দুয়ারে! অথচ যে নির্বাচনকে নিয়ে এমন মাতামাতি, ১১তম সংসদের নির্বাচন, তার কিন্তু আরো দেড় বছর সময় বাকি। তবে দশম সংসদের নির্বাচনকালীন ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে শোনানো হয়েছিলÑ সংবিধানের বাধ্যবাধকতা রক্ষার্থেই এই নির্বাচন, আরো একটি নির্বাচনের জন্য যাতে বিরোধী দল প্রস্তুতি নেয়। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যাপারে সরকার আশ্বাস দিয়েছিল ঘরে-বাইরে।
এ দিকে নির্বাচন কমিশন আসন্ন নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। সেই অনুযায়ী আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য সিডিউল ২০১৮-এর ডিসেম্বর মাস। মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিষয়টিও রোডম্যাপে রাখা হয়েছে। কমিশন বলেছে, রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে নির্ধারিত সময়ের আগেও নির্বাচন অনুষ্ঠানে তারা সক্ষমতা দেখাতে প্রস্তুত। কমিশন নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী মাস থেকে নিবন্ধিত দলগুলোর সাথে সংলাপে বসার কথাও ওই রোডম্যাপে বলেছে। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিষয়টিকে সরকারদলীয় চিন্তার ‘ছাপ’ পাওয়া গেল।
কারণ সরকার তো দীর্ঘ দিন ধরেই একটা ‘গ্রহণযোগ্য’ নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার ‘ছক’ কাটছে। এর আগেও নির্বাচনের ধুয়া তুলেছিলেন তারা। ধারণা করা হয়েছিল, প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থেই হয়তো মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ক্ষমতায় ফিরে আসার উপযুক্ত পন্থা ভেবেছিলেন। বিরোধী দলের নড়েচড়ে বসা দেখে সেই চিন্তা থেকে সরে আসেন তারা। জঙ্গি ইস্যু চলে আসে সামনে। বিরোধী দল বিএনপি জানায়, এ ব্যাপারে জাতীয় ঐকমত্য হতে পারে। সংলাপের মাধ্যমে তারাও সাহায্য করতে প্রস্তুত। সরকার বলল, প্রয়োজন নেই সাহায্যের, যারা… ইত্যাদি।
যা হোক বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন। ধারণা করা যায়, মধ্যবর্তী নির্বাচন আর হচ্ছে না। বিরোধী দলের পথ থেকেও এ ব্যাপারে জোরালো দাবি ওঠেনি। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এবং তার জোট অস্তিত্ব রক্ষায় এতটাই পেরেশান যে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার মওকাই পায়নি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের নির্বাচনকে তো আর উপেক্ষা করা যায় না। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের যেমন গরজ আছে তেমনি বিরোধী দল বিএনপিরও কম আগ্রহ নেই। সরকারি দলের দুশ্চিন্তা হলো, ২০১৪ মার্কা নির্বাচন করা আর সম্ভব নয়। বিএনপিকে এবার যেভাবে হোক নির্বাচনে নামাতে হবে। তাই নির্বাচনের হাওয়া সৃষ্টিতে তৎপর হয়েছে সরকারি দল। প্রতিদিন নির্বাচনের কথা সবচেয়ে বেশি উচ্চারণ করছেন তারাই। বলা হয়, আওয়ামী লীগ নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নাকি এপ্রিলে দিল্লিতে গিয়েছিলেন বিগত দিনের মতো আগামী নির্বাচনে সৌদি সরকারের সমর্থন পেতে। কিন্তু দিল্লি ততটা আশ্বস্ত করেনি বলেই শোনা যায়। তিস্তার পানি ভাগের চুক্তি নিয়ে যা যা ঘটল তাতে পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা কোথাও একটা ‘কিন্তু’ লুকিয়ে রয়েছে। তাই ক্ষমতাসীনেরা চিন্তিত আগামী নির্বাচন নিয়ে। এর প্রকাশ ঘটছে তাদের বক্তব্যে।
গত ৭ মে। দলীয় সংসদীয় সভায় শেখ হাসিনা বলেই ফেললেনÑ আগামী নির্বাচনে কোনো এমপিকে বিজয়ী করে আনার দায়িত্ব নেবো না। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও কঠিন হবে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব নিয়েছি। কিন্তু আগামী নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে।’ তিনি আরো বলেনÑ ‘জনপ্রিয়তা না থাকলে মনোনয়ন পাবেন না। আপনারা কে কী করেছেন, প্রত্যেকের খতিয়ান আছে আমার কাছে। ছয় মাস পর পর তথ্য নিই।
২০ মে বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। গণভবনে দলীয় সভাপতির উপস্থিতিতে এ সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী, এমপিসহ উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতারাও। তৃণমূল নেতারা মন্ত্রী, এমপি, কেন্দ্রীয় নেতাদের ঝেড়েছেন। তারা দলের ভেতরে বিভিন্ন অসঙ্গতি, এমপি এবং মন্ত্রীদের সাথে নেতাকর্মীদের দূরত্ব, কোন্দল ও দ্বন্দ্ব। অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেন। এ দিনেও শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনে পার পাওয়া সহজ হবে নাÑ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, আগামী দলীয় টিকিট পেতে হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ইতিবাচক মতামত লাগবে।
আওয়ামী লীগের নেতারা যখন যেখানে যেটা বলা ‘দরকার’, বলে ফেলেন। যেখানে যা মানায়, বলে জনগণকে খুশি করার নজির আমাদের রাজনীতির ‘ঐতিহ্য’। তাই কখনো ইসলামপন্থীদের রাতের অন্ধকারে বাহিনী দিয়ে ‘ঢাকা মুক্ত করা’, আবার কখনো ‘জামাই আদর’ করে আমন্ত্রণ জানিয়ে সহমত পোষণ তাদের ছোটখাটো দাবি-দাওয়া মেনে তুষ্ট করা। এটা বিশেষ করে আওয়ামী লীগের পুরনো কায়দা। কিন্তু প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ব্যাপারটা কেমন? দশটা চড় খেলেও একটা রা করে না যে দলটি, তারাও দেখছি নির্বাচন নিয়ে বেশ তোড়জোড় শুরু করেছেন। এত মামলা যাদের ঘাড়ের ওপর, হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলহাজতে পচছে, তবুও দলটি নির্বাচন নিয়ে বেশ নড়েচড়ে উঠেছে। তারা কি কোনো ‘নির্ভরযোগ্য স্থান’ থেকে এমন আশ্বাস পেয়েছেন, আগামী নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক আর সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। যা তাদের বিজয়ের ব্যাপারে গ্যারান্টি দিচ্ছে!
১০ মে একটি হোটেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ‘ভিশন-২০৩০’ ঘোষণা করলেন। এই দশসালা রূপকল্পটি সম্পর্কে নানা কথাও শুরু হয়ে গেল। বিএনপি বলতে চায়নি যে, এটা নির্বাচনের মেনিফেস্টো। তবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম দাবি করেছেন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে হলে তাদের ক্ষমতায় যেতে হবে। এ কারণেই আগামী নির্বাচনের মেনিফেস্টোতে প্রদত্ত ‘ভিশন-২০৩০’ প্রতিপাদ্য বিষয়গুলো প্রতিফলিত হবে। কিন্তু ওই ভিশনে রাজনীতি-সংস্কৃতি ও সরকার কাঠামো যে পরিবর্তনের রূপকল্প দেয়া হয়েছে, তার জন্য সংবিধানের কাটাকুটির প্রয়োজন পড়বে। তার মানে পেতে হবে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ বিজয়।
এ দিকে বিএনপির অবস্থা হচ্ছেÑ অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মসূচিই পালন করতে পারছে না। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ‘প্রহসনের’ নির্বাচনের পর থেকে দলটির সব কর্মসূচি ঘিরে চলছে অঘোষিত বিধিনিষেধ। ২০১৫ সালে টানা তিন মাস আন্দোলনের পর এই বিধিনিষেধ আরো কঠোর করা হয়েছে। প্রকাশ্য সমাবেশতো বটেই, ঘরোয়া কর্মসূচিগুলোও পালন করতে পারছে না। হঠাৎ (২০ মে) চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়ের তালা ভাঙা হলো। পুলিশ তছনছ করল নোটিশ ব্যতিরেকেই। সরকারের এহেন ন্যক্কারজনক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে দলটির তেমন প্রতিবাদ জানাতে বা বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করতে পারল না। অনেক জায়গায় পুলিশ মিছিলে নামতেই দেয়নি। কোথাও কোথাও মিছিলে পুলিশ চড়াও হয়ে আটক করেছে নেতাকর্মীদের। তা হলে কি সরকার বিএনপিকে জেলহাজতে আটকে রেখে, গ্রেফতারি পরোয়ানার খাঁড়া ঝুলিয়ে, নেতাকর্মীদের পালিয়ে বেড়াতে বাধ্য করে, সাজানো প্রশাসনের অধীনে, নির্বাচন কমিশনের গালভরা আশ্বাসের বুলি শুনিয়ে, আওয়ামী লীগ সরকার তত্ত্বাবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ভিশন-২০৪১’ এর দিকে সদম্ভে এগিয়ে যাবে? তা না হলে, তাদের মুখে ‘নির্বাচনে আমরাই জিতব’ এমন আত্মপ্রত্যয়ী বক্তব্য শোনা যাচ্ছে কেন? নির্বাচনের ব্যাপারে ‘অত্যন্ত পারদর্শী’ দলটির কাছ থেকে জাতি বিগত সময়ে নানা ধরনের নির্বাচন প্রত্যক্ষ করেছে। আওয়ামী লীগের অধীনে ১৯৭৩ সালে এবং ২০১৪ সালের যে নির্বাচন জাতি দেখেছে তার চেয়ে কি এমন ভালো নির্বাচন আগামীতে দেখবে, সেটা একটা বড় প্রশ্ন।
১৯৭৩ সালের (৭ মার্চ) প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচনটি মরহুম শেখ মুজিবের হাত দিয়েই হয়। তখনো তার জনপ্রিয়তায় ধস নামেনি। শক্তিশালী বিরোধী দলের উপস্থিতিও ছিল না। নির্বাচনে তাদের পরাজয়ের সম্ভাবনাই ছিল না। কিন্তু সেই অনিবার্য বিজয়ের নির্বাচনকেও হাস্যকর করলেন ৩০০ আসনের ২৯৮ আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে। এর মধ্যে আবার ১১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই ‘বিজয়’ ঘোষিত হয়। এভাবেই আওয়ামী লীগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ইতিহাসের সূচনা করেছে। আর ২০১৪ সালের (৫ জানুয়ারি) নির্বাচনে ১৫৪ আসনে ইলেকশনই হয়নি, সিলেকশন হয়েছে। বাকি ১৪৬টি আসনের নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ছিল ১০ শতাংশের কম। বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট, বাম ও ইসলামপন্থী কোনো দলই নির্বাচনে অংশ নেয়নি । একমাত্র ক্ষমতাসীন জোটের দল ও জাতীয় পার্টির একাংশ (নাটক মঞ্চস্থ করে) ওই নির্বাচনে অংশ নেয়। আসলে বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে কোনো দলীয় সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ইতিহাস নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদে তিনটি নির্বাচন মোটামুটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন অস্থায়ী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত পঞ্চম সংসদ এবং সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে প্রবর্তিত কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে সপ্তম ও অষ্টম সংসদ নির্বাচন। কিন্তু ২০০৮-এর অসংবিধানিক সরকার আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনটি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সেনাসমর্থিত ওই সরকারের ‘মাইনাস ফর্মুলায়’ গণতন্ত্র পড়ে যায় চরম হুমকির মধ্যে। সেখান থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ সেই নির্বাচনের ফলাফলকেও মেনে নিয়েছিল বিএনপি ও তার জোট। জেনারেল মইন ইউ আহমেদেরা চেয়েছিলেন ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে। কিন্তু দেশ-বিদেশের তেমন সমর্থন না পেয়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গ্যারান্টি প্রাপ্তিকে সামনে রেখে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন দিয়ে সরে পড়েন তারা। কিন্তু দেশকে নিক্ষেপ করে যান অনিশ্চয়তা ও ভারসাম্যহীন পরিস্থিতির ভেতর। গণতন্ত্রের জন্য যে সুষ্ঠু নির্বাচন ও শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজন, তা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়ায় দেশে চলতে থাকে ‘গণতন্ত্রের উল্টোরথ’। ২০১৪ সালের রকীব কমিশনের অধীনের নির্বাচনটি ছিল মৃত গণতন্ত্রের কফিনে পেরেক ঠুকে দেয়া।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট সম্প্রতি সিইসি নূরুল হুদার সাথে সাক্ষাৎ করলে সিইসি আশ্বস্ত করেন, আর নয় ১৯৯৬-র ১৫ জুন ও ২০১৪-র ৫ জানুয়ারি নির্বাচন।’ এ কথার মধ্যেও আওয়ামী দলীয় একটা যুক্তি আছে। তবে এসব প্রতিশ্রুতির ওপর জনগণ আস্থা রাখতে পারবে যখন দেখা যাবে নির্বাচন কমিশন শুধু নয়, সরকার একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে আন্তরিকভাবে সচেষ্ট। সংবিধানের দোহাই দিলেই চলবে না। সংবিধানের কাটাকুটি কম হলো না। সংবিধানতো জনগণের কল্যাণের জন্যই। সে কল্যাণের জন্য সংবিধানকে প্রয়োজনে আরো একটু কাটাকুটি করার দরকার পড়লে ক্ষতি কী? আর এটা সরকারের করার ব্যাপারে ক্ষমতা সংরক্ষিত রয়েছে।
নির্বাচনের জন্য ‘সহায়ক সরকার’ ফর্মুলা বা এর আগে ‘নির্বাচনকালীন সরকারের’ দাবিতে আন্দোলন এগুলোর ব্যাপার বিএনপির ভূমিকা আরো জোরালো হয় না কেন? ঘরের ভেতর সংবাদ সম্মেলন করলে কি দাবি পূরণ হবে? হবে না। অতীতেও হয়নি। জনগণ অস্থির হয়ে আছে কখন রাজপথে মিছিলের ডাক আসে। যারা বিএনপি জোটকে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দেখতে চায়, তারা চায়, দলটি গা ঝাড়া দিয়ে উঠে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াক। দাবি তুলতে হবেÑ আগামী নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য সরকারের সাজানো ছকে নয়, জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানের। ২০০৮ এ কেনিয়ায় জাতিসঙ্ঘ একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ স্থিতিশীল দেশ উপহার দিয়েছিল। দেশে দেশে শান্তিরক্ষার জন্য আমার দেশের সৈন্যরা (৬ সহস্রাধিক) অস্ত্রশস্ত্রসহ দিনরাত খেটে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রশংসিত হচ্ছেন। আর দেশে চলবে নৈরাজ্য, তা কি মেনে নেয়া যায়? লেখক : কবি

Leave a Reply

%d bloggers like this: