“জগন্নাথ যখন যেমন খুশী তখন তেমন যুক্তি দেখানোটাই কোনো অপকৌশলের পরিচয় বলে ভূক্তভোগী দৌহিত্রদের আশংকা প্রকাশ”

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২২ মে ২০১৯, বুধবার: দৌহিত্র সম্পত্তি আত্মসাৎ হওয়ার আশংকা থেকে মুক্তি চেয়ে চট্টগ্রাম জেলা ও রাউজান উপজেলার বিভিন্ন অফিসে পরিতোষ গং আবদেন করার পর জগন্নাথ সত্যতাকে আড়াল রেখে বা পাশ কাটিয়ে একেক ধরনের যুক্তি দেখানোটাই তিনি কোনো আগ্রাসনের উদ্দেশ্যে বিলম্বের মাধ্যমে হয়রানী করার কোনো অপকৌশলী প্রভাবের আশ্রয় নিয়েছেন বলে উক্ত দৌহিত্ররা আশংকা প্রকাশ করেছেন। জানা যায়, রাউজান সার্কেল ভূমি অফিসে আপত্তিকারী জগন্নাথ উক্ত দৌহিত্র সূত্রটি গোপন রেখে মৌরশী সূত্রটির পরিচয় নামক ভুল তথ্য দিয়ে স্থানীয় নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে আদায় করা এক ওয়ারিশান সনদের হালনাগাদ মৌরশী ওয়ারিশপত্র দেখাতে ব্যর্থতার কারণে জগন্নাথের আপত্তি বাতিল বা খারিজের মাধ্যমে পরিতোষ গংয়ের

Exif_JPEG_420

নামজারী বিএস খতিয়ানের দৌহিত্র সম্পত্তির নিস্কন্টকতা বহাল বা বলবৎ থাকার পক্ষে সহকারী কমিশনার ভূমি এক রায় ঘোষণা প্রদান করেন। এই ছাড়াও উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান এক বোর্ডসভার রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে উক্ত ভুল ওয়ারিশান অচল করে দেন বলে জানা যায়। এক পর্যায়ে জগন্নাথ ৩০/০৩/২০১৬ ইং তারিখে এডিসি রাজস্ব আদালতে তামাদি আইনের ০৫নং ধারার ক্ষেত্রবিশেষ অনুসারে বিলম্ব মওকুফ বা সময় বাড়ানোর আদেশ চেয়ে উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে ৫৫নং আপত্তি করার এক জবাব হিসেবে পরিতোষ গং ০৪ পৃষ্ঠার ১০০০০০৩১৬১১২৩০২৫ নম্বরযুক্ত জবাবপত্রের কপি ০২/০১/২০১৭ ইং তারিখে বিভাগীয় কমিশনার, এডিসি রাজস্ব, পাবলিক প্রসিকিউটর, নিযুক্ত উকিল, উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানা ওসি বরাবর যথাক্রমে ৫৫১ নং থেকে ৫৫৬ নং রেজিস্ট্রী ডাকযোগে পাঠিয়ে দেন বলে সূত্র জানিয়েছে। অবশ্য জগন্নাথ প্রথম থেকে একেক ক্ষেত্রে ভিন্নরূপ যুক্তি দেখানোর মাধ্যমে তিনি নিজেকে স্ববিরোধী বক্তব্যের কোনো শাস্তিযোগ্য অপরাধের কাঠগড়ায় নিয়ে গেছেন মর্মে এমন ধারণাটি উক্ত রেজিস্ট্রী ডাকযোগে পাঠানো ৪ পৃষ্ঠার জবাবপত্রে উল্লেখ থাকা অবস্থায় জগন্নাথের বিভিন্ন সময়প্রার্থনার মাধ্যমে মামলার শুনানীর বিষয়টি বিলম্বিত হতে থাকে বলেও সূত্র জানিয়েছে। এই সম্পর্কে ২৫/০২/২০১৭ ইং তারিখের newsgarden24.com পত্রিকার মুক্তখবরের কপি ২৬/০২/২০১৭ ইং তারিখে divcomchittagong@mopa.gov.bd নং, dcchittagong@mopa.gov.bd নং ও jalil7922@yahoo.com নং ইমেইল বরাবর পাঠানোর এক তথ্যকপি ২৪/১২/২০১৭ ইং তারিখে https://web.facebook.com/moi.gov.bd?-rdc=1&-rdr বরাবর পাঠানো হয় বলে সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। এইবার উক্ত শুনানীর ব্যাপারটি স্থগিতের আবদেন জানিয়ে জগন্নাথ চট্টগ্রাম ৩য় যুুগ্ন জেলা জজ আদালতে ৪১৮/১৭ইং নং মামলা করাটাই উক্ত পরিকল্পিত অপকৌশলের কোনো পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়নের কোনো ধারাবাহিক অগ্রগতির অশনি সংকেত বলে পরিতোষ গং ঘনীভূত আশংকায় ভূগছেন। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, দৌহিত্র সম্পত্তি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে জগন্নাথের দাখিলী উক্ত ৪১৮ নং মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্য্যন্ত উক্ত শুনানী স্থগিত চাওয়ার গ্রহণযোগ্যতা না থাকার কারণে ৫৫ নং আপত্তি ১৩/০২/২০১৮ ইং তারিখে খারিজ হয়ে যায় ও ৪১৮ নং মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: