চির তরুণ থাকতে করণীয়

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার গতি সকলের আলাদা হয়ে থাকে। তাই কেউ আশি বছর বয়সেও তরুণদের মতই কর্মচঞ্চল, আনন্দ-উদ্দিপনাময় জীবন যাপন করেন, আর কেউ পঁচিশ বছরেই জীবনের প্রতি আশা ভরসাহীন বৃদ্ধ মানুষ। যারা চিন্তা ভাবনায় নেতিবাচক, জীবনের প্রতি আশাবাদী নন, খুব সহজেই অনুতপ্ত হয়ে যান, বেশি আপত্তি করেন, অন্যকে দীর্ঘbabyhealth উপদেশ দেন, রোমাঞ্চকর কাজে জড়িত হননি কখনো এই ধরনের মানুষগুলোই সহজে অকালবৃদ্ধ হয়ে পরেন। মন ভালো থাকলে আমরা শারীরিকভাবেও ভালো থাকি। যার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো, বয়স বৃদ্ধি তার শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে না। কৈশর ও যৌবন পাড়ি দিয়ে মানুষ ধীরে ধীরে বার্ধ্যকের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। তারপরেও কিছু নিয়ম মেনে নিজেকে চির তরুণ রাখা সম্ভব। মনকে রাখুন তরুণ : মনটাকে সব সময় তরুণ রাখতে হবে। বয়স ৩০ না পেরুতেই যদি আপনি নিজেকে একজন বয়স্ক মানুষ ভাবতে থাকেন, তাহলে আপনার দেহ এবং ত্বকের অবশ্যই প্রভাব পড়বে। বয়স হয়েছে বলে আপনি ত্বকের যতœ করবেন না, সময়ের সঙ্গে তাল মেলাবেন না, আগের মতো পরিশ্রম ও ব্যায়াম করবেন না, এ ধরনের চিন্তা থেকে দূরে থাকুন। মনের ভেতর ইচ্ছেশক্তিকে পরিপূর্ণভাবে জাগিয়ে তুলুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন : তারুণ্যকে ধরে রাখার একটি প্রচলিত উপায় হল নিয়মিত ব্যায়াম। এটি দেহকে ফিট রাখতে সহায়ক। কিন্তু আপনি যদি প্রতিদিন গদবাঁধা নিয়মে বছরের পর বছর শারীরিক ব্যায়াম করেই যেতে থাকেন তাহলে তা আপনার দেহ ও ত্বকের ওপর বেশ বড় প্রভাব ফেলবে। তাই মাঝে মধ্যে দেহকে কিছুদিনের বিশ্রাম দেওয়া এবং বয়সের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যায়ামের নিয়মাবলী পরিবর্তনের প্রয়োজন। ফ্যাট গ্রহণ : অনেকেই শরীরটাকে ফিট রাখার জন্য বেশ অল্প বয়স থেকেই সব কিছুতে লো ফ্যাট খুঁজতে থাকেন। কিন্তু আপনি যদি ত্রিশের পরও নিজের চেহারায় বিশের তারুণ্য ধরে রাখতে চান, তাহলে লো ফ্যাট ডায়েটের কথা ভুলে যান। কিছুটা ফ্যাট আমাদের দেহের ক্ষতি নয়, বরং উপকারেই আসে। ফ্যাট আমাদের দেহের শক্তিশালী হরমোনগুলোকে রেগুলেট করে এবং আমাদের ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে। পানিশূন্যতা প্রতিরোধ : পানি আপনার দেহ, ত্বক ও দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জন্য বিশেষ জরুরি। পানিশূন্যতার ফলে ত্বকের নিষ্প্রাণ ভাব চলে আসে, কিডনির ক্ষতি হয়, দেহে ভর করে দুর্বলতা এবং সেই সঙ্গে মনে চলে আসে বার্ধক্য। তাই নিয়মিত দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি পান দেহকে রাখে টক্সিনমুক্ত, সুস্থ ও সবল এবং ধরে রাখে তারুণ্য। শিশুদের সঙ্গে মিশুন : বয়সের ভেদাভেদ না করে অল্পবয়স্ক ও বাচ্চাদের সঙ্গে খোলামনে মিশুন। এতে করে আপনার মন যেমন ফুরফুরে থাকবে তেমনি আপনার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে বহুগুণে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*