চলে গেলেন ঘেরাওকারীরা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও করতে আসা বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা চলে গেছেন। পুলিশি বাধার কারণে কার্যালয় ঘেরাও করতে না পেরে বিভিন্নস্থানে অবস্থান gara-1শেষে তারা চলে যান। এর আগে আজ (বৃহস্পতিবার) পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, ঢাকা জেলা ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, ঢাকা হিউম্যান হলার সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ সম্মিলিত গাড়ি চালক সমাজ ও খেটে খাওয়া নগরবাসী খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও অভিমুখে রওয়ানা হয়। পরে পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা গুলশান ২ নম্বর গোল চত্বরে ও ৮৬ নম্বর রোডের দক্ষিণ পাশে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিলে তারা চলে যায়। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাও করতে আসা বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুই দিনের সময় দিয়ে চলে গেছেন। আগামী শনিবারের মধ্যে দেশব্যাপী ২০ দলের অবরোধ কর্মসূচি তুলে নিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সময় দিয়েছে পুলিশি বাধার কারণে কার্যালয় ঘেরাও করতে না পেরে বিভিন্নস্থানে অবস্থান শেষে তারা চলে যান। garaবাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক লীগ ও গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের কয়েকশ’ নেতাকর্মী গুলশান গোলচত্বর থেকে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের দিকে এগোতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইনসুর আলী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আগামী ২৫ ফেব্র“য়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণঅনশন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এর আগে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক লীগ ও গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের নেতাকর্মীরা বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া দশটা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে গোলচত্বরে আসতে শুরু করে। প্রথমে তারা গোলচত্বরের পাশে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগের ১৯নং ওয়ার্ড কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় সেখানে জাতীয় রিকশা ভ্যান শ্রমিক লীগ, ঢাকা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন, ঢাকা জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানার দেখা যায়। এক পর্যায়ে শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা গোলচত্বরে নেমে এসে স্লোগান দিতে থাকে। এরপর কয়েকশ’ নেতাকর্মী গোলচত্বর থেকে বারিধারার দিকের রাস্তা ধরে খালেদা জিয়ার ৮৬নং রোড কার্যালয়ের দিকে এগোতে থাকলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় ওই রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইনসুর আলী বলেন, এ ঘেরাও কোনো দলীয় কর্মসূচী নয়। আমরা এখানে বাঁচার দাবি নিয়ে এসেছি। খালেদা জিয়া তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বাসে-গাড়িতে পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে; শিশুদের হত্যা করছে। অনৈতিক অবরোধের কারণে মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। একই সময় গুলশান গোলচত্বরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেয়। তারা খালেদা জিয়ার গ্রেফতার দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। এদিকে, কার্যালয় ঘেরাও bamকর্মসূচি কেন্দ্র করে গোলচত্বর, ৮৬নং রোডে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সামনে পুলিশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ গত রবিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করে। তাদের ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লিফলেট বিতরণ করে সংগঠনটি। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটি তাদের প্রস্তুতিমূলক সভাও করে। সংগঠনটি আল্টিমেটাম দেয় বুধবারের মধ্যে বিএনপির ডাকা লাগাতার অবরোধ প্রত্যাহার না করা হলে বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয় ঘেরাও করবে তারা। অন্যদিকে, গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ সোমবার খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দেয়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: