চন্দনাইশ ছাত্র সমিতির কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৫ নভেম্বর: চন্দনাইশ ছাত্র সমিতির উদ্যোগে গত ২৪ নভেম্বর ইউএসটিসি’র মিলনায়তনে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও “মুক্তিযুদ্ধে কে.এ ম শিহাব উদ্দিনের অবদান” শীর্ষক আলোচনা সভা সংগঠনের সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। New P-এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চিটাগাং (ইউএসটিসি)’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা: প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া। প্রধান আলোচক ছিলেন চিটাগাং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনির্ভাসিটি’র (সিআইইউ)’র উপ-উপাচার্য ও অর্থনীতিবিদ ড. ইরশাদ কামাল খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেরিন একাডেমীর কমান্ড্যান্ট ও নৌ প্রকৌশলী ড. সাজিদ হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কবি ও নাট্যকার অভিক ওসমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস গবেষক মাহমুদ বিন কাশেম, নারী নেত্রী খালেদা আক্তার চৌধুরী, যুবলীগ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার অর্থ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, চন্দনাইশ ছাত্র সমিতির পৃষ্টপোষক ইসমাইল চৌধুরী হানিফ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইম্যান’র রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সারাহ তাসনিম শিহাব উদ্দিন, আনোয়ারুল ইসলাম বাপ্পী, ডা: নুরুল আবছার খান, মিজবাহ উদ্দিন খান ভুটো, আবদুর রশিদ তুহিন, সৈয়দ আবদুল্লা আল নোমান, মো: মাসুদ চৌধুরী, এস এম মানিক, তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, শাকিলা আরাবি, তানজিমুল ইসলাম আজাদ, ওয়াহেদ মুরাদ, বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।
আলোচনায় অধ্যাপক ডা: প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া বলেন, ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানির অপশাসনকে উপেক্ষা ও পেশাগত জীবন ত্যাগের মাধ্যমে কূটনীতিবিদ কে এম শিহাব উদ্দিনের দূরদর্শীতা প্রমাণিত। দেশপ্রেমের প্রত্যয়ে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বৈশ্বিকভাবে জনমত তৈরিতে বহুমাত্রিক উদ্যোগ ও সক্রিয় ভূমিকায় অবতীর্ণ ছিলেন যুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগকারী প্রথম কূটনীতিক কে এম শিহাব উদ্দিন। কূটনীতিক শিহাব উদ্দিনের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ফলশ্র“তিতে অন্যান্য কূটনীতিকরাও ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতার পক্ষে ভূমিকা রাখে। তার বীরত্বপূর্ণ অবদানের প্রকৃত মূল্যায়নে মরণোত্তর জাতীয় স্বীকৃতি প্রদান প্রয়োজন। অতিথিবৃন্দ বলেন- মুজিব নগর সরকার প্রতিষ্ঠারও পূর্বে কে এম শিহাব উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বব্যাপী জনমতকে ইতিবাচক করতে “কূটনৈতিক ফ্রন্ট” গড়ে তুলেছিলেন, সেই প্রক্রিয়াটি মুক্তিযুদ্ধের অগ্রযাত্রাকে সফলকাম করে তুলে। বর্তমান বাংলাদেশের যে সামগ্রিক অগ্রগতি ও স্বাধীনতার প্রেক্ষিতে জনগণের কর্মযজ্ঞের ব্যাপ্তি, তা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমেই অর্জিত। মুক্তিযুদ্ধে কে এম শিহাব উদ্দিনের কৌশলভিত্তিক, দুরদর্শী, বুদ্ধিভিত্তিক সক্রিয়তা চূড়ান্ত বিজয় অর্জনে সহায়ক হয়। সর্বোপরি নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক কূটনীতিক শিহাব উদ্দিনের আদর্শ উজ্জীবিত করবে। উল্লেখ্য, আলোচনা শেষে জেএসসি, এসএসসি/ সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া ২০০ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেষ্ট, অভিনন্দন পত্র ও বৃত্তি প্রদান করা হয়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: