চন্দনাইশে ৫টি কাঁচাঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভুত

নিজস্ব সংবাদদাতাচন্দনাইশ, ১১ জুন ২০১৭, রবিবার: চন্দনাইশ সদরস্থ ছৈয়দ বাড়ীতে দুপুরে আগুন লেগে ৫টি কাঁচাঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়েছে। এতে ২০ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতিসাধন হয়।
গতকাল ১০ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিটি কর্পোরেশনে কর্মরত ছৈয়দ মো. গিয়াস উদ্দিনের ঘর থেকে আকস্মিক আগুনের সূত্রপাত হয়ে আগুনের লেলিহান শিখা নিমিষেই ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সাংবাদিক ছৈয়দ মো. মহিউদ্দিন, তারই ছোট ভাই সিটি কর্পোরেশনে কর্মরত ছৈয়দ মো. গিয়াস উদ্দিন, ছৈয়দ মাওলানা আনিছুর রহমান, ছৈয়দ মো. সোলায়মান, ছৈয়দ মো. জমির উদ্দিনের ঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়। স্থানীয় লোকজন এবং পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় দীর্ঘ দেড় ঘন্টা আগুন জ্বলার পর নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় এ সকল পরিবারের মধ্যে সাংবাদিক মহিউদ্দিনের নগদ ১ লক্ষ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, ৫ লক্ষাধিক টাকার আসবাবপত্র, বিভিন্ন ব্যাংকের ২৪টি চেকবই, এলজিইডি, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারী লাইসেন্সের কপি, জমির দলিলসহ মূল্যবান কাগজপত্র পুড়ে ভস্মীভুত হয়। তাছাড়া অন্যান্য পরিবারের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, মূল্যবান কাগজপত্র পুড়ে এ সকল পরিবারের ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয় বলে জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে গত ১ রমজান থেকে গিয়াস উদ্দিনের ঘরে তার স্ত্রীকে নিয়ে প্রতিদিন ঘরের ভিতর কোন না কোন জায়গায় আগুন জ্বলতে থাকে। সে ঘরে থাকে সে ঘরে আগুন জ্বলে না। ঘর থেকে বের হলেই আগুন জ্বলে উঠে। কখনো লেপ-তোষকে, কখনো কাপড়-চোপড়ে, কখনো ঘরের কোনায়, কখনো খাটের নিচে। এভাবে চলে গত ৭ জুন পর্যন্ত। এ আগুন জ্বলাকালীন সময়ে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ওঝা-বৈদ্য, মাওলানা দিয়ে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করার পর গত ৮ ও ৯ জুন আগুন জ্বলা বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল শনিবার গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী দুপুর ১২ টার সময় ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আকস্মিকভাবে গিয়াস উদ্দিনের ঘরের ছাল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে আগুনের লেলিহান শিখা নিমিষেই ৪টি পরিবারের কাঁচাঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন এবং কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। আগুনের খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোবারক হোসেন, চন্দনাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের খবরা-খবর নেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: