চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রসেনার শহীদ নঈম দিবস পালিত

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৩ মে ২০১৭, শনিবার: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর এর উদ্যোগে আজ ১৩ মে শনিবার সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে শহীদ নঈম উদ্দীনের ৭ম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রনেতা আবদুল কাদের রুবেলের সভাপতিত্বে মুহাম্মদ মারুফ রেযার সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রচার সচিব মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রিয় ছাত্রসেনার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর উত্তর ইসলামী ফ্রন্ট সাধারণ স¤পাদক নাছির উদ্দীন মাহমুদ, নগর যুবসেনার সাংগঠনিক স¤পাদক হাবিবুল মোস্তফা সিদ্দিকী, সাবেক নগর সভাপতি নুরুল্লাহ রায়হান খান, জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এডভোকেট দিদারে আলম, ছাত্রসেনা নগর দক্ষিণ সভাপতি রিয়াজ হোসাইন, চবি সভাপতি দিদারুল ইসলাম কাদেরী। মহানগর উত্তর নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী, শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশীদ কাদেরী, আবদুল্লাহ আল মাসুম, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, মো. এহসান, মো. আবদুর রহমান, রিদোয়ান তালুকদার পাপ্পু, শায়ের মো. মঈনুদ্দিন কাদেরী, এরশাদুল করিম, মো. শাহজালাল, আবদুল কাদের, মো. তাহসিন, মো. হাবিবুল্লাহ আরাফাত প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বিশ্ব জাহানের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তা’য়ালা সবসময় সত্য-সঠিক ও ন্যায়ের পথের সৈনিকদের বিজয় দান করেন। আর এ সত্যের বিজয়ের মুকুট ছিনিয়ে আনতে গিয়ে  অনেক সময় সৈনিকদের জীবনকে উৎসর্গ করতে হয়। শহীদ নঈম উদ্দীন এমন একটি নাম, যিনি সুন্নীয়তের সত্য-সঠিক পথে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। তার আত্মত্যাগের মাধ্যমে বাতিলে স্বরূপ যেমন উন্মোচিত হয়েছে, তেমনি ইসলামের শাশ্বত মূলধারা সুন্নীয়তও বিজয় লাভ করেছিল। বক্তারা আরো বলেন, শহীদ নঈম হত্যার ৭ বছর পার হলেও আজো ঘাতকদের শাস্তি হয় নি। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অবশ্য শহীদ নঈম হত্যাসহ প্রত্যেক খুনের বিচার হতে হবে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ঘাতকদের গ্রেপ্তারপূর্বক শাস্তির দাবি জানান। উল্লেখ-২০১০ সালের ১৩ মে চট্টগ্রামের রাউজান মুন্সিরঘাটা এলাকায় ধর্মদ্রোহি সন্ত্রাসীদের হামলায় নঈম উদ্দীন শাহাদাৎ বরণ করেন।
প্রেসক্লাবে সমাবেশ শেষে ঘাতকদের শাস্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*