চট্টগ্রামে বিএনপির উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত

14.12.14-nomanনিউজগার্ডেন ডেস্ক : বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল¬াহ আল নোমান বলেছেন, ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকার ৭১’এর পাক-হানাদার বাহিনীর মত র‌্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্যবহার করে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক ও পেশাজীবিদের নির্বিচারে গুম ও হত্যা করে জাতিকে মেধা শূন্য করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ৭১’সালে সম্মূখ যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পাক-বাহিনী রাতের আবারো জাতির শ্রেষ্ঠ  সন্তানদেরকে হত্যা করেও মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়কে প্রলম্বিত করতে পারে নাই। শেখ হাসিনাও গুম, হত্যা ও নির্যাতন করে ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করতে পারবে না। রাজপথের চলমান আন্দোলনে জনগণের বিজয় অতি সন্নিকটে। শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে রোববার সকাল ১১টায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউটে চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় আবদুল¬াহ আল নোমান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।  আবদুল¬াহ আল নোমান বলেন, দেশে বর্তমানে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। বিএনপি নেতা ইলিয়াছ আলী, চৌধুরী আলম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শফিউল ইসলাম, সাংবাদিক সাগর রুনী, নারায়নগঞ্জের ১১ জনসহ সরকার জাতির মেধাবী সন্তানদেরকে হত্যা করে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করার মাধ্যমে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রেখেছে। আমার দেশ বন্ধ করে দিয়ে মজলুম সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানকে কারাগারে অন্তরীণ করে রেখেছে।
আবদুল¬াহ আল নোমান বলেন, ৫ জানুয়ারীর নীল নকশার নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কবর রচিত হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ ০৫ জানুয়ারী গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার হরণের কাল দিবস হিসেবে পালন করবে। জনাব নোমান বলেন, বুদ্ধিজীবি দিবসে আজ আমাদের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার পূনরুদ্ধার করার জন্য নতুন করে ইস্পাত কঠিন আন্দোলনের শপথ নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মঞ্জুর আলম মঞ্জু বলেন, পাক-হানাদার বাহিনী বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে বাংলাদেশকে মেধা শুন্য করার চেষ্টা করেছিল। শহীদ বুদ্ধিজীবিরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন তাদেরকে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে যাব। মহানগর যুবদলের সভাপতি কাজী বেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. মোহাম্মদ ইনাম উল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, বিএমএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার খুরশীদ জামিল চৌধুরী, দৈনিক আমার দেশের ব্যুরোচীপ জাহিদুল করিম কচি, ডাক্তার কামরুন্নাহার দস্তগীর, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, মোজাম্মেল হক ও সৈয়দ নুরুল হুদা প্রমূখ। বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শামসুল আলম, এম.এ. হালিম, এম.এ. সবুর, এডভোকেট আবদুস সাত্তার, কাজী আকবর, ইউনুচ চৌধুরী, ওহাব কাশেমী, এস.কে. খোদা তোতন, আশরাফ চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, মামুনুল ইসলাম হুমায়ন, জসীম উদ্দিন জিয়া, মোশারফ হোসেন ডিপটি, মাহবুবুল আলম পান্না, আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, মাইনুদ্দীন শহীদ, জেলী চৌধুরী, তোফাজ্জল হোসেন, শাহীন আহমেদ কবির, সাইফুল আলম, শাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, জমির উদ্দিন নাহিদ, আবদুল করিম, মনির হাসান, বাবু, এইচ.এম. আজাদ, মাষ্টার ফজলুর রহমান, বেলায়েত হোসেন, ওয়াসিম উদ্দিন, হুমায়ুন কবির, মঞ্জুর আলম, আনোয়ার হোসেন, জসিম উদ্দিন, আলাউদ্দিন, আব্দুল মান্নান মামুন, সাব্বির ওসমান, মোঃ হাসান, মোঃ হামিদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*