চট্টগ্রামের হালদা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত্যু ৪

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৯ জুলাই: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার সুয়াবিল নাসিম চৌধুরী ঘাট এলাকায় হালদা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ পাঁচজনের মধ্যে চারজনের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে তিনজনই শিশু।j
এরা হলেন, নাজিরহাট পৌরসভার কোরবান আলী হাজি বাড়ির মৃত বজল আহমদের ছেলে নূরুল ইসলাম (৪৫), কোরবান আলী হাজি বাড়িতে বেড়াতে আসা মো. কামাল উদ্দিনের ছেলে মো. আবদুর রহিম (১৪), একই বাড়ির প্রবাসী আবছারের ছেলে মো. আজমান (৫), তমিজ উদ্দিন মুন্সির বাড়ির মো. হানিফ উদ্দিনের ছেলে মো. রেজভী (১৬)। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছে মো. কামালের অপর ছেলে মো. রিমন উদ্দিন (১৭) ।
শনিবার (০৯ জুলাই) সকাল সোয়া ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে মরদেহগুলো ভেসে উঠে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মরদেহ চারটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে যায়। চট্টগ্রামে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের অপারেটর বিশ্বান্তর বড়ুয়া ও দিদার আলম জানান, যেখানে নৌকা ডুবেছিল তার থেকে আনুমানিক এক কিলোমিটার পশ্চিমে চারটি মরদেহ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে।
এর আগে শুক্রবার (০৮ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্বে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডুবুরিদলের সদস্য সাইফুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘অপর নিখোঁজের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলবে।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম. তৌহিদুল আলম বাবু, ফটিকছড়ি থানার ওসি মো. আবু ইউসুফ মিয়া, চেয়ারম্যান আবু তালেব চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম, উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার আকরাম হোসেন প্রমূখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নাজিরহাট পৌর প্রশাসক পৌর প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, মারা যাওয়া চারজনের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আর অফিস খোলার পর সরকারিভাবে আরও সাহায্য ও সহযোগিতা করা হবে।
এদিকে শনিবার জোহরের নামাজের পর মৃত চার জনের জানাযার নামাজ এক সঙ্গে ঘটনাস্থলের নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। পরে মৃতদের মরদেহ নিজ নিজ পারিবারীক কবরস্থানে দাফন করা হয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*