চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে রং মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে পচা মাছ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটসহ  বিভিন্ন বাজারগুলোতে রং মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে পচা মাছ। রং মিশানো মাছ খেয়ে ক্ষতি হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের। বিভিন্ন বাজারে দীর্ঘদিন এ অপকর্ম চলতে থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। এমনটাই বলছেন স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন।
বিভিন্ন বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, রং মিশানো পানির গাবলা থেকে পচা পোয়া মাছ চুবানো হচ্ছে। অন্যদিকে কয়েকজন লোক পোয়া মাছের স্তুপে বালতি গিয়ে রং মিশানো পানি ঢালছে। এছাড়া ওই মাছগুলো শহরের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে দেদারচ্ছে। এক মাছ ব্যবসায়ী জানান, মাছে রং দেয়া নিষেধ থাকলেও মাছ তাজা দেখানোর জন্য রঙ্গিন পানি দেয়া হয়। এছাড়া দূরে কোথাও মাছ পাঠাতে হলে রং দিতে হয়। ওখানের কম-বেশি সব ব্যবসায়ীই মাছে রং দেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, যেসব মাছ পচে ফ্যাকাশে রং ধারণ করে ওই মাছগুলোতে লাল রং মিশানো হয় যাতে মাছ দেখতে তাজা লাগে। চট্টগ্রাম নগরের সব বাজারগুলোতেই রং মিশানো হয়। আর রং মিশালেই মাছ ভাল দামে বিক্রি হয়। এছাড়া স্থানীয় বাজারেও রং মিশানো পোয়া মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। এই রং বিভিন্ন দোকানে পাওয়া যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে মাছে রং দিয়ে আসছেন। আর এই রং মিশানো মাছ খাচ্ছে নগরবাসি। এ মাছ ব্যবসায়ীরা নগরবাসির স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করলেও তারা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।
আবুল কাশেম ষ্টোরের মালিক কাশেম জানান, মাছ ব্যবসায়ীদের চাহিদা থাকায় তিনি লাল রং বিক্রি করছেন। এই রং খাবারে দেয়ার রং। শুধু তিনি নন, ফিসারিঘাটের বেশিরভাগ দোকানে এই রং বিক্রি করা হয়। নানা প্রজাতির মাছ দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়। আর এসব মাছের মধ্যে রং মিশাতে দেখা যায় ছোট
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে বিষাক্ত রং মিশানো মাছ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। রং মিশানো মাছ খেলে রাসায়নিক বিক্রিয়া সৃষ্টি হয়ে মানুষের শরীরের লিবার, কিডনি, পাকস্থলিতে নানা ধরনের রোগ হতে পারে এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও রয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: