ঘাড়ের অসহনীয় ব্যথায় করণীয়

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : বিভিন্ন কারণে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। ঘাড়ের মেরুদণ্ডে যে হাড় ও জয়েন্ট আছে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারের ফলে ক্ষয়জনিত কারণে সেগুলোর পরিবর্তন painহয়। তাছাড়া লিগামেন্টগুলো মোটা ও শক্ত হয়ে যায় এবং দুটি হাড়ের মাঝে যে ডিস্ক থাকে তার উচ্চতা কমে আসে এবং সরু হতে শুরু করে। হাড়ের মাঝে দূরত্ব কমে গিয়ে পাশে অবস্থিত স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে ফলে ব্যথা শুরু হয়। অনেক সময় স্নায়ু রজ্জু সরু হয়ে যেতে পারে। ফলে ঘাড় ব্যথা ও নড়াচড়া করতে অসুবিধা হয়। শুরু হয় মাথা ব্যথা এবং এই ব্যথা হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন এই ব্যথা অব্যাহত থাকলে ঘাড়ের মেরুদন্ডের বিকৃতি বা স্পাইরাল ডিফরমিটি দেখা দিতে পারে। এই সব সমস্যাগুলোকে প্রকারভেদে বিভিন্ন নামকরণ করা হয়। যেমন সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস, সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসথোসিস, সারভাইক্যাল রিব, স্টিফ নেক, সারভাইক্যাল ইনজুরি ইত্যাদি। লক্ষণ : সাধারণত এই সমস্ত রোগী ঘাড়ের ব্যথাসহ ঘাড় নড়াচড়া করা এবং হাতে ঝিন ঝিন অনুভব করার অসুবিধার কথা বর্ণনা করেন। অনেক ক্ষেত্রে হাতে শক্তি কমে যায় এবং হাতের আঙ্গুলের বোধশক্তির তারতম্যের কথা বলতে পারেন। ব্যথা ঘাড় হতে মাথার দিকে উঠতে পারে। চিকিৎসা : চিকিৎসার উদ্দেশ্য হলো ব্যথা কমানোর পাশাপাশি ঘাড়ের স্বাভাবিক নড়াচড়ার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, ঘাড়ের মাংসপেশির শক্তি বৃদ্ধি করা, ঘাড় বা স্পাইনের সঠিক পজিশন বা অবস্থা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া এবং যে সকল কারণে পুনরায় ঘাড় ব্যথা হতে পারে সে সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা। ব্যথা কমানোর জন্য সাধারণত ব্যথা নাশক ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চলতে পারে। বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে হিট চিকিৎসা, থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ, মেনিপুলেশন এবং প্রয়োজন হলে ট্রাকশন এ রোগের উপকারে আসে। ঘাড়কে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া থেকে বিরত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে সারভাইক্যাল কলার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মাথার নীচে হালকা নরম বালিশ ব্যবহার করা যেতে পারে। সূত্র : ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*