গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত: প্রধানমন্ত্রী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৯ মে: সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিএনপি-জামায়াত চোরাগোপ্তা হামলা করে বেছে-বেছে বিদেশিসহ মানুষ হত্যা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার টোকিওতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ করেন তিনি।
দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তারা নির্বাচন বন্ধের নামে কী করেছে তা সবাই pmদেখেছে। মা দেখছে তার ছেলে আগুনে পুড়ে মারা যাচ্ছে। ছোট্ট শিশুকেও তারা পুড়িয়ে মেরেছে। আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারার উৎসব হয়েছে। প্রায় সাড়ে পাঁচশ মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে তারা। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা ছিল তাদের কাজ।
তাদের সেসব ধ্বংসযজ্ঞে জনগণ মাথা নত করেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াত-শিবির নিয়ে তারা এ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এখনও তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে সেসব করছে। বেছে বেছে গুপ্তহত্যা করছে। নিরীহ মানুষদের হত্যা করছে। মসজিদের মোয়াজ্জিন-মুসল্লিদের মারছে। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির খালাতো ভাই যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তাকে তার বন্ধুসহ মেরেছে, যেন এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কথা বলে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরে যারা আপনজন হারিয়েছে, তাদের চাওয়া ছিলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। আমরা সেই বিচার শুরু করেছি। অনেক বাধা সত্ত্বেও আমরা বিচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এই যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানানো হয়েছিল। জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর যেন খুনিদের বিচার না হয় সেজন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। সব হত্যা-খুনের বিচার হচ্ছে এবং হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে অনেক ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত চললেও আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত আছে। আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের ওপরে উন্নীত করেছি। রিজার্ভ বেড়েছে। রফতানি বেড়েছে। রফতানির জন্য নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন করছি। আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার দারুণ উন্নতি হয়েছে। আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এখন ১৪ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। গত অর্থবছরে আমরা অনেক বড় বাজেট করেছি। সামনে আরও বড় বাজেট আসছে।
‘প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকাকে গতিশীল রেখেছেন। তাদের আয়েই বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমশ মজবুত হচ্ছে’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*