গুণে ভরা পেয়ারা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২২ নভেম্বর: পেয়ারা, নামটা শুনলে কেউ নাক সিঁটকান, কেউ বা বলেন, ভালোই তো। ছোট সবুজ রঙা ফলটি আমাদের দেশে সহজলভ্যও। কিন্তু জানেন কি এর গুণাগুণ? না জানা থাকলে জেনে নিন এর উপকারিতা। হৃদরোগী থেকে ডায়াবেটিক পেশেন্ট সকলের জন্যই পেয়ারা কার্যকর। আর গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এই ফল অপরিহার্য।peyara
রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধক: পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন সি। এই ভিটামিন রোগ প্রতিরোধে বিশেষ সহায়ক।
ক্যানসারের প্রবণতা কমায়: পেয়ারায় ভিটামিন সি ছাড়াও থাকে লাইকোপিন, কোয়ারসেটিন। ক্যানসার আক্রান্ত কোষের বৃদ্ধিতে বাধা দেয় এই উপাদানগুলি। বিশেষত প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে পেয়ারা বিশেষ উপযোগী।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রক: ডায়াবেটিসের রোগীরা নির্ভাবনায় পেয়ারা খেতে পারেন। প্রথমত, পেয়ারায় থাকা ফাইবার কোষ্ঠ-কাঠিন্যর সমস্যা কমায়। দ্বিতীয়ত, পেয়ারায় যে সব উপাদান থাকে তা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
হৃদরোগীদের বন্ধু: হার্টের সমস্যা যাঁদের আছে, তাঁরা নিয়মিত পেয়ারা খান। কারণ, এই ফলটি শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম-এর ভারসাম্য রক্ষা করে। খারাপ কোলেস্টরল ও ট্রাইগ্লিসারিনের মাত্রা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
গর্ভাবস্থায় জরুরি: সন্তান সম্ভবা মহিলাদের জন্য পেয়ারা ভীষণভাবে উপযোগী। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি-৯ থাকে। যা গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের গঠণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অবসাদ দূর করে: মানসিক চাপ ও অবসাদ কাটাতে কামড় বসাতেই পারেন পেয়ারায়। এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম স্নায়ু ও মাংসপেশিকে শিথিল করতে সহায়ক। একইসঙ্গে পেয়ারা শরীরে দ্রুত এনার্জির জোগান দেয়।
ওজন কমাতে: ওজন কমাতে চাইলে ফলের তালিকায় অবশ্যই রাখতে হবে পেয়ারা। খিদের সময় পেয়ারা খেলে দ্রুত পেট ভরে যাবে। অন্য কিছু খাবার দরকার হবে না। আর এতে লেবু, আম সহ অন্যান্য অনেক ফলের চেয়ে অনেক কম মিষ্টি থাকায় ওজন নিয়ন্ত্রকেও সহায়ক। কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর করে শরীর সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে পেয়ারা।
বার্ধক্য প্রতিরোধক: অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ করে পেয়ারা। নিয়মিত এই ফল খেলে ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আসতে বাধ্য। এছাড়াও শর্দিকাশি প্রতিরোধে, দাঁত ভালো রাখতে পেয়ারা অনবদ্য। সূত্র: ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

%d bloggers like this: