গার্মেন্টস শ্রমিকদের সরকার নির্ধারিত বেতন স্কেল প্রদান করুন: খোকন চৌধুরী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৯ জানুয়ারী ২০১৯ ইংরেজী, বুধবার: তৃণমূল এনডিএম (তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন) চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী এক বিবৃতিতে জানান, সরকার নির্ধারিত নতুন মজুরি কাঠামোতে বেতন ও অন্যান্য সুবিধা বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কর্মবিরতি করে বিক্ষোভ করছে। এসময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। তাদের দাবী নতুন বেতন স্কেল হওয়া সত্ত্বেও তাদের অধিকাংশের বেতন তেমন বাড়েনি। গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে ৮হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। গার্মেন্টস মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মজুরি বোর্ডের সভায় ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। শ্রমিক প্রতিনিধিরা ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার টাকা করার দাবি জানাচ্ছিলেন। অন্যদিকে মালিকপক্ষ ৭ হাজারের বেশি দিতে রাজী হচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে মালিকরা ন্যূনতম মজুরি ৮০০০ টাকা নির্ধারণে রাজি হয়। চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে নতুন মজুরী কার্যকরের কথা থাকলেও মালিকপক্ষ সেটি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে বলে শ্রমিকদের অভিযোগ। নতুন মজুরি নির্ধারণের আগে বাংলাদেশে বর্তমানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ছিল ৫ হাজার ৩শ টাকা। এটি নির্ধারণ করা হয় ২০১৩ সালে। তখন সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রতি পাঁচ বছর পর পর শ্রমিকদের মজুরি নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। খোকন চৌধুরী বিবৃতিতে আরো জানান, শ্রমিকদের নির্ধারিত বেতন অতি দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের শ্রমিক অসেন্তাষ নিরসনে এগিয়ে আসতে হবে। নতুবা পরবর্তী যে কোন পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।
উল্লেখ্য, গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষে গঠিত এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনৈতিক দল তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন। আমরা লড়ছি গণমানুষের অধিকার আদায়সহ সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে। তৃণমূল এনডিএম তার জন্ম লগ্ন থেকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে এই দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেন তৃণমূল এনডিএমের মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য এডভোকেট কায়ছারুল ইসলাম, মো. আবুল বশর চৌধুরী, মো. নুরুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবছার উদ্দিন, মো. রাজ্জাকুল হায়দার, যুগ্মমহাসচিব এম এস চৌধুরী শুভ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এডভোকেট মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলী আরিফ, মো. আবদুস সোবহান, কে এম ফয়েজ উদ্দিন, মো. এমরান চৌধুরী, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. বোরহান উদ্দিন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, আরিফ, আনিসুল ইসলাম, আবদুস সোবহান, এনজিও ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদিকা মোছাম্মৎ মোখলেছি বেগম, নির্বাহী সদস্য শহীদুল ইসলাম, লালন মিয়া, আবদুল করিম, জসিম উদ্দিন, মোশাররফ হোসেন, মো. জসিম উদ্দিন, মো. মিজানুর রহমান, লাইলা বেগম প্রমুখ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: