গঙ্গা বাঁচাতে নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৩ মে ২০১৯, সোমবার: গঙ্গা বাঁচাতে নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নিয়েছে ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্প। অভিযোগ, দূষণ কিছুতেই কমছে না। নদীবাহিত হয়ে নানা বর্জ্য জমা হচ্ছে সাগরে। যার মধ্যে অন্যতম হল প্লাস্টিক। গোটা বিশ্বে প্রতি বছর ৯ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক সমুদ্রে জমা হচ্ছে। জলকে করে তুলছে দূষিত। খতিয়ে দেখতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক একটি সমীক্ষা অভিযান করতে চলেছে। পদ্মা নদী ধরে বঙ্গোপসাগরে এসে এই অভিযান শেষ হবে হিমালয়ে, গঙ্গায়। আজকাল
পোশাকি নাম ‘সি টু সোর্স গ্যাঞ্জেস’। অভিযানের সদস্যরা সকলেই মহিলা। সহযোগিতায় ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওয়াইল্ড টিম। উদ্দেশ্য, ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া এই চারপাশের বর্জ্য প্লাস্টিক কীভাবে সমুদ্রে পৌঁছে জমা হচ্ছে এবং কী তার ফল সেটি বোঝা এবং এ সম্পর্কে তথ্য তৈরি করা। উল্লেখ্য, নদী নিয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ‘প্ল্যানেট অর প্লাস্টিকের যে বিভিন্ন সমীক্ষা চলছে তার মধ্যে প্রথম এই ধরনের সমীক্ষা করছে তারা । বর্ষার শেষেও ফের এই অভিযান করা হবে। এ বিষয়ে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির পক্ষে ভ্যালেরি ক্রেইগ জানিয়েছেন, প্লাস্টিক বর্জ্যের সমাধানের জন্য তারা আন্তরিকভাবে সক্রিয়।
এই সমীক্ষার মাধ্যমে গোটা বিশ্বে যারা বিশেষজ্ঞ তাদেরকে এই সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানোর একটা বড় সুযোগ থাকছে। বিশেষত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অঙ্কের সঙ্গে যুক্ত মহিলারা এগিয়ে আসছেন এটা বোঝাতে যে কীভাবে প্লাস্টিক পানির সঙ্গে ভেসে সমুদ্রে গিয়ে পড়ছে এবং এর সমাধান কীভাবে হবে। দেরাদুনের ডবুআইআইয়ের অধিকর্তা ড. মাথুর জানিয়েছেন, এই অভিযানের অংশীদার হতে পেরে তারা আনন্দিত। অভিযানটি যে পথে হবে সেই পথের পাশে বসবাসকারী বাসিন্দারা কীভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য সামাল দিচ্ছেন এবং এর দূষণ সম্পর্কে কতটা সচেতন সে বিষয়টি ছাড়াও স্থানীয় স্তরে কীভাবে এর সমাধান করা হচ্ছে, সেটি দেখবে আরেকটি দল। দলটি তৈরি হয়েছে ১৫ জন বিজ্ঞানী এবং ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে।
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অফ এক্সেটার, ইউনিভার্সিটি অফ জর্জিয়া, ওয়াইল্ড টিম, ইউনিভার্সিটি অফ প্লাইমাউথ, ডব্লুআইআই, জুলজিকাল সোসাইটি অফ লন্ডন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: