খাবারের নান্দনিকতা নজর কেড়েছে ২০১৭ সালে

ফারমিনা তাসলিম, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, রবিবার: ২০১৭ সালে রঙ, নকশা, আকার দিয়ে খাবারের নান্দনিক উপস্থাপনের প্রবণতা ছিল। রেস্তোরা ব্যবসায়ী, চকলেট, কেক আইসক্রিম তৈরিকারী প্রতিষ্ঠানের অনেক আইটেমই ব্যাপক সাড়া ফেলে ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামে। এসব খাবারে নানাভাবে ফুটিয়ে তোলা হয় শিল্পকর্ম।
স্বাদ, মান, পরিবেশন ছাড়াও খাবারের নান্দনিকতা নজর কেড়েছে ২০১৭ সালে। উপকরণের পাশাপাশি কয়েকভাবে খাবারকে উপস্থাপন করা যায়, তারই ঝলক ছিলো আমস্টারডামের রেস্তোরায়।
রেস্তোরা ব্যবস্থাপক বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম থেকে এ ধারণা পেয়েছেন।
ইন্সটাগ্রামে ছবি ছড়িয়ে দিয়েই খাবারের নতুন স্টাইলগুলোকে জনপ্রিয় করা হয়েছে। গ্রিন স্ল্যাইড বলেন, মার্চে শুরুর পর এ মাধ্যমে তাদের অনুসরণ করেছে ৩৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। এখন এ সংখ্যা সাতাশি হাজার।
লন্ডনের কেক অ্যান্ড বেক প্রদর্শনীতে কেক তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ থিম বেকড, কুকুরের আকৃতিতে কেক বানায়। কেকটির নকশা আর সুক্ষ্ম কাজ করেছেন একজন ইউটিউবার। এছাড়া বিট্রিশ মিলিটারি পাইলটের কেকটির ছবিও ব্যাপক খ্যাতি পায় ইউটিউবে।
লন্ডনে চকলেট প্রদর্শনীও ছিল নতুনত্বে ঠাসা দারুন এক আয়োজন। পাবলো পিকাসোর কান্নারত নারী কিংবা মোনালিসা এমন অনেক শিল্পকর্মকে চকলেটের নকশায় আনা হয়েছিল। চিনির প্রলেপ দেয়া ভ্যানগগ, হকুসাইসের কাজও প্রদর্শনীতে জায়গা পায় ।
এদিকে ত্রিমাত্রিক নকশার কারণে চকলেটের প্রচলিত আকারেও এসেছে পরিবর্তন। থাইল্যান্ডের ব্যাংককের রেস্তোরাগুলোও আকার আর আকৃতির নানা ঢঙে খাবার বানাতে মনোযোগী ছিলো।
আমেরিকায় খাদ্য হিসেবে জনপ্রিয় ছিলো বিভিন্ন পোকার খাবার, যেটা পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে। ইতালির জিলেটো বিশ্ববিদ্যালয়ও বাজারে আনে নতুন রেসিপি। এতে মুটিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। খাবারের প্রতি সংবেদশীল মানুষও এটি খেতে পারবেন অনায়াসে।
সূত্র – ইনডিপেনডেন্ট টিভি

Leave a Reply

%d bloggers like this: