‘ক্রসফায়ারের হুমকিদাতারা ভবিষ্যতে গণপিটুনির মুখোমুখি হবে’: ২০ দল

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : সরকারের যেসব নেতা-মন্ত্রী ও পুলিশ-র‌্যাব কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের ক্রসফায়ারে হত্যা করার ঘোষণা দিচ্ছেন গণপিটুনিতে তাদের ভবিষ্যত পরিণতি20 নির্ধারিত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ। শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইদানিং আওয়ামী নেতা ও মন্ত্রীরা প্রকাশ্য জনসমাবেশে আন্দোলনকারীদের এনকাউন্টার এবং ক্রসফায়ারে হত্যা করার ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বড় কর্তারাও প্রকাশ্যে সভা-সমিতি করে ক্রসফায়ারে হত্যার কৃতিত্ব দাবি করে বেড়াচ্ছেন। এসমস্ত বিকৃত মস্তিস্কের নেতা-মন্ত্রী ও পুলিশ-র‌্যাব কর্মকর্তাদের ভবিষ্যত পরিণতি গণকারফিউ এবং গণপিটুনিতে নির্ধারিত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায়না বলে তিনি উল্লেখ করেন। এসময় তিনি বলেন, এ ধরণের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রকাশ্য দাম্ভিক ঘোষণাকে আগামীতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের আওতায় আনা হবে। বিএনপির এ যুগ্ম-মহাসচিব আরো বলেন, অবৈধ সরকারের এহেন শ্বেতসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর জনগণ অচিরেই আইন অমান্য ও অসহযোগ আন্দোলন শুরু করতে বাধ্য হবে। কয়েকদিন আগে পুলিশ ক্রসফায়ারে হত্যা করে ছাত্রদল নেতা নুরুজ্জামান জনিকে। তাকে হত্যা করেও ক্ষান্ত হয়নি পুলিশ। এবার তার পিতা-মাতা, অন্ত:স্বত্তা স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ছাত্রদল নেত্রী নিশিতাকে। তাদের অপরাধ তারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাত করতে এসেছিলেন বলে দাবি করেন বিএনপির এ নেতা। বিৃতিতে তিনি বলেন, এজাতীয় বেআইনী ও ঘৃণ্য গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ এবং তাদের নি:শর্ত মুক্তি দাবি করছি।সরকার হত্যা-নির্যাতনের উন্মত্ততায় মূলত: জনগণকে আতঙ্কিত করে তুলে রাষ্ট্রক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চায়। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীসহ নির্বিচারে মানুষ হত্যা, গুম, অপহরণ ও গণগ্রেফতার করে সরকার নিজের নিরাপদ অবতরণের পথকেই ক্রমশ সংকুচিত করে যাচ্ছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি। সূত্র : শীর্ষ নিউজ ডটকম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*