কী দোষ ছিল শিশুটির!

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : কবর কী আট বছর বয়সি শিশু বৃষ্টির তা অজানা। কবরের গুরুত্ব বোঝাতো বয়সের আরো কয়েক ধাপ পরের ব্যাপার। অথচ কবরের ওপর দিয়ে চলাচল করাকে কেন্দ্র করে একপক্ষের হামলার শিকার হয়েছে মাহমুদা আক্তার বৃষ্টি (৮)। গুরুতর আহত বৃষ্টি এখন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বৃষ্টি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারিন্দয়া ইউনিয়নের ঘড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। এ ব্যাপারে বৃষ্টির বাবা বাদী হয়ে কালিহাতী থানা একটি মামলা দায়ের করেছেন যার নং- (১২) ১০-০৫-১৫। জানা যায়, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারিন্দয়া ইউনিয়নের ঘড়িয়া গ্রামের সাঈদ হোসেনের বড় ছেলে জামাল হোসেন পাশের বাড়ির হযরত আলীর বাড়ির পাশে মৃত ছেলের কবরের ওপর দিয়ে ধানের বোঝা আনা-নেয়া করতে ছিলেন। তা দেখে হযরত আলীর স্ত্রী জামাল হোসেনকে কবরের ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে নিষেধ করতে গেলে তাদের মাঝে কথাকাটি হয়। কথাকাটির একপর্যায়ে জামাল হোসেন ও হযরত আলীর হাতাহাতি হয়। এরchild pi ধারাবাহিকতায় গত ৯ মে শনিবার সন্ধ্যায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাঈদ হোসেন ও তাঁর ছেলে জামাল হোসেন (২৮), কামরুল হোসেন (১৮), ভাতিজা শাহীন (৩০), শাহ-আলমকে (৩৩) নিয়ে হযরত আলীর বাড়িতে হামলা করেন। তারা হযরত আলী ও তাঁর স্ত্রীকে বাড়িতে না পেয়ে হযরত আলীর মেয়ে মাহমুদা আক্তার বৃষ্টিকে বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এসময় বাড়িঘরও ভাঙচুর করা হয়। পরে গ্রামবাসী বৃষ্টিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠে পরে লেগেছেন একটি প্রভাবশালী মহল। কিন্তু এঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী। মামলার বাদী বৃষ্টির বাবা, হযরত আলী, ঘড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিনসহ এলাকাবাসী বৃষ্টির ওপর হামলাকরীদের শাস্তি দাবি করেন। এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালিহাতী থানার (উপপরিদর্শক ) মেহেদী হাসান জানান, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একজন আসামি পলাতক, একজন বিদেশে পালিয়ে গেছে আর বাকিরা জামিনে রয়েছে। সূত্র : ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

%d bloggers like this: