কলা এবং কলার খোসা উভয়ই প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৬ জানুয়ারী, ২০১৭, শুক্রবার: শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই সত্যি। কলার সহজলভ্যতার কারণেই আমরা কলা নামক বস্তুটিকে তেমন কদর দিয়ে উঠতে পারি না। কিন্তু এই প্রতিবেদনটি পড়ার পর কলার খোসা ফেলে দেওয়ার পর দু’বার অবশ্যই ভাববেন। কলা এবং কলার খোসা উভয়ই প্রচুর পরিমানে নিউট্রিয়েন্টস, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বি১২, বি৬, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়ামে সমৃদ্ধ।
কলার খোসার গুণাগুন
১) দাঁত ঝকঝকে এবং ছোপ মুক্ত করার জন্য প্রত্যেকদিন এক মিনিট মত সময় ধরে কলার খোসা দাঁতে ঘষুন। এক সপ্তাহের মধ্যেই ফল পাবেন।
২) শরীর আঁচিল মুক্ত করার জন্য, আঁচিলের উপর কলার খোসা কিছুক্ষণ ঘসে আক্রান্ত জায়গায় সারা রাত বেধে রাখুন।
৩) চিকেন টেন্ডারাইসড করতেও কলার খোসা ব্যবহার করা যায়।
৪) ব্রণ প্রবণ ত্বকে প্রতিদিন ৫ মিনিট ধরে কলার খোসা ঘসলে এক সপ্তাহের মধ্যে ফল পাওয়া যাবে।
৫) কলার খোসা ত্বক আদ্র রাখতে সাহায্য করে। ডিমের কুসুমের সঙ্গে কলার খোসা ভালো করে মিশিয়ে ৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৬) কলার খোসা পেস্ট করে ব্যাথা জায়গায় ৩০ মিনিট ধরে বেধে রাখলে ব্যাথায় উপশম পাওয়া যায়।
৭) পোকা মাকড় কামড়ানোর ফলে ইনফেকশনের থেকে কলার খোসা বাঁচায়।
৮) জুতো, লেদার, রূপো তৎক্ষণাত চকচকে করতে পারে।
৯) সূর্যের আলোয় কিছুক্ষণ কলার খোসা শুকনো করে নিয়ে চোখের নিচে লাগালে ছানি পড়ার ঝুঁকি কমে।
১০) সোরিয়াসিস আক্রান্ত জায়গায় কলার খোসা লাগিয়ে রাখলে তৎক্ষণাৎ চুলকুনি ও জ্বালা কমিয়ে উপশম ঘটায়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: