কর্নেল অলির বিরুদ্ধে এমপি নজরুল ইসলাম কর্তৃক কুৎসা রটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮ ইংরেজী, বুধবার: এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব:) অলি আহমদ বীরবিক্রমের বিরুদ্ধে ৪ ডিসেম্বর-২০১৮ প্রথম আলো পত্রিকার ৬ষ্ঠ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত চন্দনাইশের ভোটারবিহীন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এমপি নজরুল ইসলাম কর্তৃক মিথ্যাচার ও কুৎসা রটনার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর এলাডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক দোস্ত মোহাম্মদ এক বিবৃতি প্রদান করেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আপনি একজন মিথ্যাবাদী আলেম। সমাজের কলংক, আওয়ামীলীগের কলংক, উল্লেখিত তারিখে উপরোক্ত পত্রিকায় প্রকাশিত আপনার বক্তব্য কলংকজনক। আওয়ামীলীগকে আপনি হেয়প্রতিপন্ন করেছেন। আপনি বলেছেন যে, আপনি নির্বাচনের আচরণবিধি ভংগ করেন নাই। আচরণ বিধি ভংগের নমুনা নিুে দেওয়া হলো। এরপর জনগণ আপনাকে ঘৃণা করবে, আপনার প্রত্যক্ষ নির্দেশে চন্দনাইশ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন আপনার পক্ষে সভা সমাবেশ করেছেন, যাহা চট্টগ্রামের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়েছে। ইহা কি নির্বাচন আচারণ বিধি লংঘন নয়? আপনার বাস ভবন চত্ত্বরে বিগত ৩০ নভেম্বর চন্দনাইশ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের নিয়ে যে সভা করেছেন তাহা সামাজিক গণমাধ্যম ফেইসবুকে বিদ্যমান ইহাকি নির্বাচন আচরণ বিধি লংঘন নহে? আপনি এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বার সর্দার মাতবরদের মাঝে উন্নয়নের নামে বিভিন্ন প্রতিশ্র“তি দিচ্ছেন, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ১১ ডিসেম্বরের পূর্বে আপনি এই সকল প্রতিশ্র“তি দিতে পারেন না, কিন্তু আপনি দিচ্ছেন। ইহা কি নির্বাচন আচরণ বিধি বহির্ভূত নহে। আপনি এহেন কর্মকান্ড করে নিজেকে এবং আপনার দল আওয়ামীলীগকে হেয়প্রতিপন্ন করেছেন। আপনি এমন একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে কুৎসা রটনা করতেছেন, যিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রেখেছেন। মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করে যিনি যুদ্ধকালীন সময়ে বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। ড. কর্নেল (অব:) অলি আহমদ বীরবিক্রম একজন নির্ভীক, সৎ, ধার্মিক কিন্তু অসম্প্রদায়িক দেশপ্রেমিক পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। যার কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে তাঁহার গ্রহণযোগ্যতা অনস্বীকার্য। রাজনৈতিক কারণে একে অপরের চরম বিরোধী হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও উনাকে যথেষ্ট সম্মানের চোখে দেখেন। আপনি উনার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে শুধুমাত্র নিজেকে ছোট করেননি। আপনি আপনার দল দেশ এবং সর্বোপরি চন্দনাইশ সাতকানিয়া আংশিক আসনের জনগণ তথা ভোটারদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। আপনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন প্রার্থীবিহীন নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৪ জনের একজন। ক্রীড়াজগতের পরিভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় আপনি একজন ওয়াক ওভার পাওয়া এমপি। ১০ম জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্যে আপনি একবার সংসদীয় শিষ্টাচার বহির্ভূত শব্দ উচ্চারণ করেছেন, যার কারণে মাননীয় স্পীকার মহোদয় আপনাকে সংসদে বক্তব্য প্রদানে সাময়িক বিরত রেখেছিলেন। আপনি যতবার ড. কর্নেল (অব:) অলি আহমদ মহোদয়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছেন ততবারই গোহারা হেরেছেন। এমনকি ১৯৯৬ সালে উপনির্বাচনে বেগম মমতাজ অলির নিকট আপনি পরাজিত হয়েছেন। আপনার মিথ্যাচারের জবাব আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বীরপ্রসবিনী চট্টলার চন্দনাইশবাসী ৩০ ডিসেম্বর ব্যালটের মাধ্যমে দেবেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: