কতভাবেই না পাচার হয় মূল্যবান ধাতুটি

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৫ জানুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার: কতভাবেই না পাচার হয় মূল্যবান ধাতুটি। মাঝেমধ্যে ধরাও পড়ে। শুল্ক ফাঁকি দিতে লুকিয়ে আনা চালান নিয়ে কেউ যেন সন্দেহ করতে না পারে, সে জন্য এবার বার লুকিয়ে আনা হয়েছে শরীরে ভেতরে। কিন্তু বিধি বাম। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যায় শুল্ক গোয়েন্দারা। আর আটক করে পাচারকারীকে। তার শরীরের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় ১২টি বার।
মালয়েশিয়া থেকে আসা ওই ব্যক্তি স্বর্ণের বারগুলো এনেছিলেন তার পায়ুপথে করে। ১০০ গ্রাম ওজনের ছিল একেকটি বার। এভাবে এক কেজি দুইশ গ্রাম স্বর্ণ তিনি নিয়ে আসেন। কিন্তু জেরার এক পর্যায়ে তিনি বের করেন এসব স্বর্ণ। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শাহজালাল আন্তির্জাতিক বিমানবন্দরে ঘটনাটি ঘটে। এভাবে স্বর্ণ পাচার নিয়ে শুল্ক গোয়েন্দাদের মধ্যেই মুখরোচক চাওর হয়েছে। শুল্ক ও গোয়ন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সকালে একটি ফ্লাইটে করে ওই যাত্রী মালয়েশিয়া থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামে। গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তার শরীরে তল্লাশি করা হয়। এর একপর্যায়ে তার পায়ুপথ থেকে একে একে ১২টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরে আজম মিয়া ঢাকাটাইমসকে বলেন, এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়েছে। তবে তিনি ওই ব্যক্তির নাম জানাননি। এর আগেও একই কায়দায় পাচার করে আনা স্বর্ণ একটি চালান ধরা পড়েছিল শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই। সে সময় জেরার মুখে পাচারকারী ব্যক্তি নিজেই পায়ুপথ থেকে সোনার চালান বের করে দিয়ে বলেছিলেন, ‘এই নেন আপনার রাষ্ট্রীয় সম্পদ।’

তবে বৃহস্পতিবার আটক হওয়া ব্যক্তি যত সোনা এনেছেন ২০১৬ সালের ৩ মে ধরা পড়া ব্যক্তি এনেছিলেন তার অর্ধেক। সে সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১০০ গ্রাম ওজনের ছয়টি বার।

Leave a Reply

%d bloggers like this: