কক্সবাজারের চকরিয়ায় চিংড়ী ঘেরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

অজিত কুমার দাশ হিমু, কক্সবাজার : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চরণদ্বীপ মৌজাস্থ বদরখালিয়া বাহিরের ঘোনা নামক চিংড়ী ঘেরে স্বশস্ত্র ডাকাতরা ফাকা গুলি বর্ষণ করে ঘেরের মালিক ও Lobserশ্রমিকদের বেদম প্রহারে করে লক্ষাধিক টাকার চিংড়ী মাছ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। এসব স্বশস্ত্র ডাকাতদের বেদম মারধরে ৮ জন আহত হয়েছে। জানাযায়, ২১ ফেব্র“য়ারী রাত ১টার দিকে চকরিয়া চরণদ্বীপ মৌজাস্থ বদরখালিয়া বাহিরের ঘোনা নামক চিংড়ী ঘেরটি বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার রিংভং এলাকার ব্যবসায়ী কাশেম আলী ইজারা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে চিংড়ী চাষ করে আসিতেছিল। এ অবস্থায় ২১ ফেব্র“য়ারী রাত ১টায় কাশেম আলী ঘেরে কমর্রত শ্রমিকদের নিয়ে মাছ ধরছিল। এ সময় রাত প্রায় সাড়ে ১১ টায় ৮/ ১০জন মুখোশধারী স্বশস্ত্র ডাকাত দল কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে, তাদেরকে চারিদিকে ঘিরে ফেলে। এক পর্যায়ে মালিক ও শ্রমিকদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা বেঁেধ খামার ঘরে নিয়ে যায় এবং সেখানে হাতুড়ি দিয়ে তাদেরকে ব্যাপক মারধর করে খামার ঘরে আটক করে রাখে। এর ডাকাত দল দীর্ঘ ৫ ঘন্টা যাবত লুটপাট চালিয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকার চিংড়ী মাছ লুট করে ফাঁকা গুলি বর্ষণ করতে করতে পার্শ্ববর্তী সওদাগর ঘোনার দিকে ডাকাত দল চলে যায়। যাওয়ার সময় ইজারাদার কাশেম আলীকে অস্ত্র ধরে ২ লাখ টাকা চাঁদাও দাবি করে। তা ৩ দিনের মধ্যে পৌছে না দিলে ঘোনা বন্ধ করে হাত-পা গুটিয়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। ডাকতদলের বেদম প্রহারে গুরুতর আহত হয়েছে ওই ঘোনার ইজারাদার কাশেম আলী, শ্রমিক নুরুল আলম, নুরুল আমিন, শামশুল আলম, আব্দুল হামিদ, নজির আহমদ, নুরুজ্জামান, ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে নেজাম ও জকরিয়া। আহতদের মালুমঘাট খ্রীস্টান হাসপাতাল ও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কাশেম আলী, নুরুল আলম, শামশুল আলমের অবস্থা আশংকা জনক। উল্লেখ্য উক্ত চরণদ্বীপ মৌজার ঘোনায় প্রায় সময় ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ ডাকাতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেয়ায় বারবার চিংড়ী ঘেরে ডাকাতি অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে চিংড়ী ঘেরের মালিকরা জেলা পুলিশ সুপার ও চকরিয়া থানার ওসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*