ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ১ম আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৬’র বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৩ ডিসেম্বর, শনিবার: শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এম.পি. বলেছেন-“বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য একটি টেকসই ও সুসংহত এসএমই শিল্পখাত গড়ে তোলা অপরিহার্য।” দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র উদ্যোগে ৩ ডিসেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ১ম আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৬ এর উদ্বোধনকালে তিনি উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ। চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ ও এসএমই মেলা কমিটির আহবায়ক মাহফুজুল হক শাহ। অনুষ্ঠানে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ, প্রাক্তন সভাপতি ও পরিচালকবৃন্দ, অনারারী কনস্যূল, ডিপ্লোম্যাটস, সরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিসিসি কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন ট্রেডবডি নেতৃবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিসহ নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।photosme-fair

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এম.পি. বলেন-ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি। এ খাতের উপর ভর করেই দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, পণ্য বৈচিত্রকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচনসহ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সিংহভাগ এ খাত নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নে শিল্প খাতের বিভিন্ন গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান। শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের দক্ষতা বাড়াতে শীঘ্রই জাতীয় এসএমই নীতিমালা ঘোষণার কথা জানিয়ে বলেন-দেশের কোথায়, কোন ধরণের এসএমই শিল্প স্থাপন, উদ্যোক্তা প্রণোদনা ও নীতি সহায়তার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক তরুণ ও সৃজনশীল উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণের কাজ চলছে।

বিশেষ অতিথি এম. এ. লতিফ এম.পি. এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে অত্র চেম্বারের সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন-দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে হবে। তিনি এ খাতের সুফল অর্জনে বিশেষ তহবিল গঠনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ব্যাংকসহ সকল ট্রেডবডি নিয়ে একটি ব্যাপক ও গঠনমূলক আলোচনার উদ্যোগ নিতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে শিল্পমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। এম. এ. লতিফ এম.পি. বিনিয়োগ নিবন্ধন ও আমদানি-রপ্তানির প্রয়োজনীয় অনুমোদন এখন ঢাকা কেন্দ্রিক উল্লেখপূর্বক আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাসের মাধ্যমে এসব কর্মকান্ড দ্রুততর করতে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের আহবান জানান। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, উৎপাদক তথা ১৬ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন-দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক এবং এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই সেক্টর একদিকে যেমন দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখে, তেমনি আমদানি নির্ভরতা হ্রাস এবং দেশীয় পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জিডিপিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রকৃতি প্রদত্ত চ্যানেল কাজে লাগিয়ে বে-টার্মিনাল বাস্তবায়নে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। মহিলা ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান চেম্বার সভাপতি। চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ বলেন-এসএমই শিল্প উদ্যোক্তাগণ উন্নত ও মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করছে। এসব পণ্যের দেশে ও বিদেশে বাজারজাতকরণে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র একটি প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ এসএমই মেলার তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য, ০৩-০৫ ডিসেম্বর তিনদিনব্যাপী এ মেলা প্রতিদিন সকাল ১০.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত চলবে। মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ১ম আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৬’র বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৩ ডিসেম্বর, শনিবার: শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এম.পি. বলেছেন-“বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির জন্য একটি টেকসই ও সুসংহত এসএমই শিল্পখাত গড়ে তোলা অপরিহার্য।” দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র উদ্যোগে ৩ ডিসেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ১ম আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৬ এর উদ্বোধনকালে তিনি উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ। চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ ও এসএমই মেলা কমিটির আহবায়ক মাহফুজুল হক শাহ। অনুষ্ঠানে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ, প্রাক্তন সভাপতি ও পরিচালকবৃন্দ, অনারারী কনস্যূল, ডিপ্লোম্যাটস, সরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিসিসি কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন ট্রেডবডি নেতৃবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিসহ নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এম.পি. বলেন-ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি। এ খাতের উপর ভর করেই দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, পণ্য বৈচিত্রকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচনসহ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সিংহভাগ এ খাত নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নে শিল্প খাতের বিভিন্ন গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান। শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের দক্ষতা বাড়াতে শীঘ্রই জাতীয় এসএমই নীতিমালা ঘোষণার কথা জানিয়ে বলেন-দেশের কোথায়, কোন ধরণের এসএমই শিল্প স্থাপন, উদ্যোক্তা প্রণোদনা ও নীতি সহায়তার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক তরুণ ও সৃজনশীল উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণের কাজ চলছে।

বিশেষ অতিথি এম. এ. লতিফ এম.পি. এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে অত্র চেম্বারের সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন-দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে হবে। তিনি এ খাতের সুফল অর্জনে বিশেষ তহবিল গঠনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে ব্যাংকসহ সকল ট্রেডবডি নিয়ে একটি ব্যাপক ও গঠনমূলক আলোচনার উদ্যোগ নিতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে শিল্পমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। এম. এ. লতিফ এম.পি. বিনিয়োগ নিবন্ধন ও আমদানি-রপ্তানির প্রয়োজনীয় অনুমোদন এখন ঢাকা কেন্দ্রিক উল্লেখপূর্বক আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাসের মাধ্যমে এসব কর্মকান্ড দ্রুততর করতে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের আহবান জানান। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, উৎপাদক তথা ১৬ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন-দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক এবং এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই সেক্টর একদিকে যেমন দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখে, তেমনি আমদানি নির্ভরতা হ্রাস এবং দেশীয় পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জিডিপিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রকৃতি প্রদত্ত চ্যানেল কাজে লাগিয়ে বে-টার্মিনাল বাস্তবায়নে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। মহিলা ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান চেম্বার সভাপতি। চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ বলেন-এসএমই শিল্প উদ্যোক্তাগণ উন্নত ও মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করছে। এসব পণ্যের দেশে ও বিদেশে বাজারজাতকরণে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র একটি প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ এসএমই মেলার তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য, ০৩-০৫ ডিসেম্বর তিনদিনব্যাপী এ মেলা প্রতিদিন সকাল ১০.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত চলবে। মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

Leave a Reply

%d bloggers like this: