এসিডিটি থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে চান?

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৯ মে: অনেকেই গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যায় ভুগেন। গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ওষুধ খেয়ে থাকেন অনেকে। অনিয়মিত খাবার গ্রহণ ও উল্টাপাল্টা খাবার খাওয়ার কারণেই তাদেরকে এ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে একটু নিয়ম করে জীবনযাপন করলেই এ থেকে উত্তরণ সম্ভব। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে। তাই এসিডিটি থেকে চিরতরে মুক্তি পতে নিচের খাবারগুলো নিয়মিত খান। Pudina
তুলসী পাতা: হাজারো গুণে ভরা তুলসী পাতা। এসিডিটি দূর করতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ৫-৬ টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে দেখবেন এসিডিটি কমে গেছে। এমনকি তুলসী পাতা প্রতিদিন ব্লেন্ড করে পানি দিয়ে খেলে তার এসিডিটি হয়ার প্রবনতা একেবারেই কমে যাবে।
পুদিনা পাতা: গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে পুদিনা পাতার রসও বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে এসিডিটি ও বদহজম দূর হয়।
জিরা: এক চা চামচ জিরা ভেজে নিয়ে একটু ভেঙ্গে নিন। এরপর এই গুড়াটি একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাবারের সয়য় পান করুন। দেখবেন, ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।
আদা: প্রতিবার খাদ্য গ্রহণের আধা ঘন্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা চলে যাবে।
লং: লং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভালো কাজ দেয়। দুইটি লং মুখে নিয়ে চিবালে এর রসটা আপনার এসিডিটি দূর করতে সাহায্য করবে।
গুঁড়: গুঁড় বুক জ্বালাপোড়া এবং এসিডিটি থেকে মুক্তি দিতে পারে। যখন বুক জ্বালাপোড়া করবে সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো গুঁড় মুখে নিয়ে সম্পূর্ণ গলে না যাওয়া পর্যন্ত রাখুন। তাতে ভালো ফল পাবেন। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ।
মাঠা: দুধ এবং মাখন দিয়ে তৈরি মাঠা একসমযয় আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় ছিল। সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া যোগ করলে এসিডিটি দূর করতে এটি টনিকের মতো কাজ করে।
দুধ: দুধও এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। কারণ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম যা পাকস্থলীর এসিড কমাতে সাহায্য করে। রাতে একগ্লাস দুধ ফ্রিজে রেখে পরদিন সকালে খালি পেটে খেলে সারাদিন এসিডিটি থেকে মুক্ত থাকা যায়। তবে কারও পেট দুধের প্রতি অতিসংবেদনশীল হলে তাদের দুধ না খাওয়াই ভালো।
বোরহানী: টক দই, বীট লবণ ইত্যাদি নানা এসিড বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি হয় বোরহানী। তাই এটি হজমে খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন ভারি খাবারের পর একগ্লাস করে খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*