এজেন্সি ও হাজীদের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : এবছর প্রায় ৩০ হাজার হাজী হজ্জ করতে যেতে পারবেন না ধর্মমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের মাধ্যমে এজেন্সি ও হাজীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। hajjসমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত হজ্জ এজেন্সি সমূহ। এছাড়া হাজীগণের হজ্জে যাওয়ার ব্যবস্থা না করতে পারলে অনেক এজেন্সির বাড়ি-ঘর ও অফিস আক্রমণ হতে পারে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ক্ষতিগস্ত হজ্জ এজেন্সি সমূহ আয়োজিত মানববন্ধনে এই হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। মানববন্ধনে আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব মুফতি আব্দুল কাদের মোল্লা বলেন, সকল সমস্যার জন্য দায়ী এই ধর্মমন্ত্রণালয়। তার মন্ত্রণালয়ে অব্যবস্থাপনার কারণেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, হজ্জ এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আন্দোলন করার কথা নয়। কিন্তু এই ধর্মমন্ত্রণালয়ের অব্যবস্থাপনা আমাদের আন্দোলনে নামার জন্য বাধ্য করছে। তার মতো মর্মান্তিক ঘোষণা কোনো মন্ত্রণালয় অতীতে দেয় নি।’ কাদের মোল্লা বলেন, আজকে আমাদের মুখ থেকে কথা বের হচ্ছে না কারণ একটাই ধর্মমন্ত্রণালয়ের ওই ঘোষণা। আমরা এজেন্সির মালিকরা অফিসে বসতে পারছি না, বিশেষ করে হজ্জে যারা টাকা জমা দেয় তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রামের নিরীহ খেটে খাওয়া মানুষ। জীবনের শেষ সম্ভল বিক্রি করে তারা টাকা জমা দিয়ে যখন জানতে পারবে এবার তারা হজ্জ্বে যেতে পারবে না তাদের মধ্যে অনেকেই হার্ট এটাক করবে। বয়স্ক ব্যক্তিদের জীবনের শেষ আশা পূরণের সুযোগ দান ও জাতীয় সমস্য সমাধানের লক্ষ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু দাবি জানানো হয়। দাবিসমুহ : গত ৫ বছর যারা হজ্জ পালন করেছে তাদেরকে রাজকীয় সৌদি সরকারের বিধি নিষেধের কারণে অপেক্ষামান রাখা যেতে পারে। এভাবে ৫ হাজার হজ্জযাত্রীর কোটা বের হতে পারে বলে আমরা মনে করি। ওমরার ন্যায় ৪০ বছরের নিচে হজ্জযাত্রী পাসপোর্টে দৃশ্যমান নামের মাহারাম নন এমন হাজীদের অপেক্ষামান রাখা যেতে পারে। এতে আনুমানিক ১০ হাজার হজ্জযাত্রী কোটা বের হতে পারে। বৃহত্তম সমস্যা সমাধানের ৫০ জনের ঊর্ধ্বে এন্ট্রিকৃত সকল এজেন্সী হতে ১০ থেকে ১২ % হজ্জযাত্রীর কোটা অপেক্ষামান রাখা যেতে পারে। উল্লেখ্য, আগামী কালের মধ্যে যদি দাবি না মানা হয় তাহলে আগামী ৬ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপরেও যদি দাবি না আদায় হয় তাহলে আগামী ১১ মে জাতীয় প্রেসক্লবের সামনে থেকে ইহরাম এর কাপড় পড়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে যাওয়া হবে। উক্ত পদ্ধতিতে সমস্যা সমাধান না হলে সকল হাজীদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করে লটারির মাধ্যমে ১ লাখ ১ হাজার ৭শ’ ৫৮ জন হজ্জ যাত্রীর কোটা বন্টন করা যেতে পারে। মানবন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা আশরাাফ আলী ও মাওলনা জাকারিয়া প্রমুখ। সূত্র : শীর্ষ নিউজ ডটকম

Leave a Reply

%d bloggers like this: