উত্তর চট্টলা উপকূলীয় মৎস্যজীবি জলদাস সমবায় কল্যাণ ফেডারেশনের মানববন্ধন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৫ মে ২০১৯, বুধবার: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক ঘোষিত ২০ মে হতে ২৩ জুলাই মোট ৬৫ দিন পর্যন্ত মৎস্য আহরণ বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে উত্তর চট্টলা উপকূলীয় মৎস্যজীবি জলদাস সমবায় কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে সংগঠেেনর সভাপতি লিটন দাশের সভাপতিত্বে ও সহসভাপতি পরিমল দাশের পরিচালনায় মৎস্যজীবি আদি জলদাস সম্প্রদায়ের মানববন্ধন ও সমাবেশ আজ ১৫ মে বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল আই চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রমনা কালী মন্দির পরিচালনা পর্ষদের উপদেষ্টা ও সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের প্রধান উপদেষ্টা মিলন শর্ম্ম, বিশিষ্ট মানবাধিকার নেতা সচিন্দ্র লাল দে ওসাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল চন্দ্র দাশ। বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি লিটন দাশ, সাধারণ সম্পাদক হরিদাস, সমীরণ দাশ, উপন্দ্রে দাশ, নির্মল দাশ, তপন দাশ, রতন দাশসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভাপতির বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, চট্টগ্রাম বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় সাগরের কূল ঘেষে বংশগত জলদাসের বসতবাড়ী। তাদের একমাত্র জীবন জীবিকা অবলম্বন একমাত্র মাছ ধরা ও বিক্রয় করা। এমতবস্থায় সরকার ঘোইষত মা মাছ ধরার বাইশ দিন যা ৭ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এবং মাঘ মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত কম্বিং অপারেশন মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে। এমতাবস্থায় এ বছর দেখা যাচ্ছে যে, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ, তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ সুবিবেচনার সাথে আনার জন্য ১ দিন মাছ না ধরলে জেলারা জীবন জীবিকা চলানো কষ্টকর হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ৩ মাস ১৫ দিন কিভাবে মাছ না ধরে জেলেরা সাগরের কূল ঘেষে যারা মাছ ধরে তারা কিভাবে জীবন জীবিকা চলাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমাদের অনুরোধ ডিজিটাল বাংলাদেশ ও মধ্য আয়ের দেশ এদেশে আমাদের জেলেদের ভূমিকা অনেক বেশী। একটা উদাহরণ হল পতেঙ্গা থেকে ১ নং ছৈয়দপুর পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার পরিবার আছে প্রায় ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার জন সংখ্যা। ৫৩ হাজার জনের আয় দিয়ে যদি ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার জন সংখ্যার অভাব মোচন করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহযোগিতা করে। কিন্তু এমতাবস্থায় এ ৩ মাস ১৫ দিন যদি মাছ না ধরে ৫৩ হাজার পরিবারের ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার জনসংখ্যা না খেয়ে অর্ধহারে অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে। আমাদের এখন কোন জলদাস, চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী, খুনী, জলদস্যু ও ভিক্ষুক নেই। কিন্তু এই আইন অনুমোদিত হলে আজ তারিখ থেকে কোন জেলে পরিবারেরর সন্তান খারাপ কাজে লিপ্ত হলে এই দায়বার কে নেবে? আমরা মনে করি আজকের এই আইনই দায়ী।

Leave a Reply

%d bloggers like this: