ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ফায়ারিং স্কোয়ার্ডে হত্যা করতে হবে: মহিউদ্দিন চৌধুরী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০২ মে ২০১৭, মঙ্গলবার: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন শ্রমিক বান্ধব সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী প্রদান ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করেছেন। তারপরও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও অযোগ্য শ্রমিক নেতৃত্বের কারণে শ্রমিক শ্রেণি অনেক ক্ষেত্রেই ন্যায্য মজুরী ও অধিকার বঞ্চিত। এই অবস্থা কিছুতে চলতে দেয়া যেতে পারে না। তিনি ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিকলীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে লালদিঘী ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ইয়াবা ব্যবসার বিস্তার সমাজকে দূষিত করছে। এই অভিশাপ থেকে মুক্তির জন্য ইয়াবা ব্যবসা রুই-কাতলাদের ফায়ারিং স্কোয়ার্ডে হত্যা করতে হবে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শ্রমিকদের আবাসন, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে তাদের স্বাস্থ্য ও জীবন ঝুঁকিপূর্ণ। অবসরের পর তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়। তিনি আরো বলেন, সরকার রফতানীমুখী পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরী নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সর্বনিম্ন মজুরী আগের তুলনায় দ্বি-গুণেরও বেশি। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে কোন কোন পোশাক শিল্প মালিক শ্রমিকদের সরকার নির্ধারিত মজুরী দিচ্ছেন না। তিনি প্রশ্ন করেন, বকেয়া বেতনের দাবীতে শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে হয় কেন? তাদের উপর পুলিশী নির্যাতন হবে কেন? তিনি মালিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী না দিয়ে, বকেয়া পরিশোধ না করে আপনারা দামী পাজেরোতে চলাফেরা করেন এবং ছেলে-মেয়েদের বিদেশে লেখা-পড়া করাবেন তা কী করে সম্ভব! এদেরকেও শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সময় চট্টগ্রাম বন্দরের কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মচারীকে অন্যায়ভাবে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে। আদালত তাদের চাকরী ফিরিয়ে দেয়ার আদেশ দিলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ তা তোয়াক্কা করছেন না। এই সাহস তারা কোত্থেকে পায়? তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে বলেন, তাদের অপরিকল্পিত ড্রেজিংয়ের ফলে কর্ণফুলী নব্যতা হারিয়েছে। কোটি কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে। কর্ণফুলী নদী ভরাট হওয়ার ফলে ১ থেকে ১৫নং জেটি অচল হবার পথে। এর দায় বন্দর কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে। তিনি পতেঙ্গা থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ ও বাঁধ নির্মাণের সরকারী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে চট্টগ্রামের চিত্র পাল্টে যাবে। তবে মেরিন ড্রাইভ ও বাঁধ নির্মাণের নকশা এমনভাবে করতে হবে তা যেন কর্ণফুলী নদীর ভরাট অংশের বাইরে হয়। তা না হলে নদীর ভরাট অংশের উপর ভূমিদস্যুদের কু-দৃষ্টি পড়বে। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সমাজের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন করা মেয়রের একার দায়িত্ব নেই। নগরবাসী নিজের বাসা-বাড়ির আশে-পাশের নালা-নর্দমায় বর্জ্য ফেলবেন, বাড়ির পাইলিংয়ের মাটি মিশ্রিত পানি ঢালবেন, নির্মিতব্য বাড়ির সামনে নির্মাণ সামগ্রী স্তুপ করে পানি চলাচলের পথ রুদ্ধ করে দেয়া শাস্তি যোগ্য অপরাধ। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের ওয়াসা, সিডিএ সড়ক ও জনপদ বিভাগসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থার সমান দায়িত্ব রয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা। তিনি সিটি মেয়রের উদ্দেশ্যে বলেন, মেয়র হিসেবে আমি কখনো গৃহকর বাড়াইনি। আমি সরকারি থোক বরাদ্দ হিসেবে বছরে ৩০ কোটি টাকার বেশি পাইনি। তারপরও বিভিন্ন আয়বর্ধক প্রকল্পের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনকে স্বছল রেখেছিলাম। আমি আশা করি বর্তমান মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সেবার মান উন্নয়ন ও এই প্রতিষ্ঠানকে সছল রাখতে সমর্থ হবেন। এজন্যে আমি তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবো। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে আদিবাসীরা মাত্র দু’কাঠা জমির উপর বাড়ী তুলেছেন। এর একাধিক ওয়ারিশ রয়েছে। তাদের সন্তানদের লেখাপড়া করাতে হয়। তাদের উপর বর্ধিত কর আরোপ হলে তারা এই নগরীতে বসবাস করতে পারবেন না। এছাড়া গৃহকর বর্ধিত না করার জন্য উচ্চতর আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। আশাকরি বর্তমান মেয়র বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেন, শ্রমিক শ্রেণি জাতীয় উৎপাদন, উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের ভাগ্যোন্নয়ন না ঘটলে জাতির ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে। তাই তাদের ন্যায্য মজুরী প্রদান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, শ্রমিক দরদী জননেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী স্বাধীনতার আগে থেকেই ছাত্র রাজনীতির পরপরই শ্রমিক রাজনীতি শুরু করেন। তাই শ্রমিক আন্দোলন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমি কখনো সরাসরি শ্রমিক রাজনীতির সাথে জড়িত নই। তবে মহিউদ্দিন ভাইয়ের শ্রমিক আন্দোলনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রামে ও অধিকার আদায়ে শ্রমজীবী জনতার মুক্তির সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করবো। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের শ্রমিক শ্রেণির মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাবে হবে। দেখা গেছে কোন কোন শ্রমিক নেতা নিজের কর্মস্থলে যে আদর্শিক সংগঠনটি করেন তা তিনি যেখানে বসবাস করেন সেখানেই অন্য একটি সংগঠন করেন। একই ভাবে গ্রামের বাড়ীতে ঐ ব্যক্তি বিপরীত ধর্মী রাজনীতির সাথে যুক্ত। এই সুযোগ সন্ধানী, সুবিধাবাদী মনোভাব নিয়ে কখনো শ্রমিক শ্রেণির মঙ্গল হবে না, তিনি ঘোষণা করেন শ্রমিক মালিক সাংঘর্ষিক মনোভাব পরিহার করে শিল্পে মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে এবং আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। কোনভাবেই উন্নয়নের চাকাকে স্তব্ধ রাখা যাবে না। চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি বখতিয়ার উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুবুল হক চৌধুরী এটলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশাল শ্রমিক সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সফর আলী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবদুল আহাদ, মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য মহব্বত আলী খান, দোস্ত মোহাম্মদ, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শফিউল বশর, বাংলাদেশ রেল শ্রমিক লীগ সিবিএর যুগ্ম সম্পাদক লোকমান হোসেন, পতেঙ্গা অঞ্চলের মোহাম্মদ হোসেন, নাসিরাবাদ অঞ্চলের হাসান উল্লাহ চৌধুরী হাসান, মোহাম্মদ হোসেন, ডক বন্দর অঞ্চলের সভাপতি ইসকান্দর মিয়া, মহানগর শ্রমিক লীগের নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল হোসেন আবু, কামাল উদ্দিন, জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ সিবিএর চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবদুর রহিম, টিএন্ডটি ফেডারেল শ্রমিক ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি আবদুল মালেক, রেল শ্রমিক লীগের সিরাজুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ড শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মজুমদার, বিআইডাব্লিউটিএ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি আবদুস সবুর খান, গণপূর্ত অধিদপ্তর শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি গোলাম রসুল ফারুক, চট্টগ্রাম ব্যাংক সমন্বয় পরিষদের কাজী জসিম উদ্দিন, সোনালী ব্যাংক এম্পøয়ীজ ইউনিয়ন সিবিএ এর সভাপতি সৈয়দুল আলম, জনতা ব্যাংক গণতান্ত্রিক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর আবু তাহের জিহাদী, বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদ সিবিএর প্রচার সম্পাদক সাইফুর রহমান স্বপন, জহুর মার্কেট দর্জি শ্রমিক লীগ সভাপতি কাঞ্চন দাশ, চট্টগ্রাম দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, চট্টগ্রাম ঘাট ও গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক মো: হান্নান মাঝি, লবণ শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি আবদুল মালেক মাঝি, বিপণী বিতান দোকান কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো: আলমগীর, রিয়াজউদ্দিন বাজার দোকান কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম.এ. জিন্নাহ, সম্মিলিত হকার্স ফেডারেশন সভাপতি মীর হোসেন মিনা,
চট্টগ্রাম হকার্স লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ফুটপাত হকার্স সমিতির সভাপতি নুরুল আলম লেদু, সিটি হকার্স লীগ সভাপতি আজগর আলী, চট্টগ্রাম হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক লীগ আহ্বায়ক আবদুর রহিম, বাকলিয়া থানা শ্রমিক লীগের ফরিদ উদ্দিন মোস্তাক, আকবর থানা শ্রমিক লীগের জাহাঙ্গীর হোসেন, সদরঘাট থানা শ্রমিক লীগের মঞ্জুরুল আলম, কোতোয়ালী থানা শ্রমিক লীগের মো: জামাল উদ্দিন, মিমি সুপার মার্কেট দোকান কর্মচারী সমিতির মো: ইয়াছিন, বাকলিয়া থানার মো: সমীরণ ইসলাম তুহিন, বন্দর থানার শেখ মহিউদ্দিন প্রমুখ। এছাড়াও সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নঈমুদ্দিন চৌধুরী, মহানগর আওয়ামীলীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নোমান আল মাহমুদ, শফিকুল ইসলাম ফারুক, এড. ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, আবু তাহের, মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য আবুল মনসুর, হাজী মো: ইয়াকুব, অমল মিত্র, হাজী বেলাল, বাংলাদেশ রেল শ্রমিক লীগ সিবিএর সহ-সভাপতি অরুণ চন্দ্র দাশ, জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ সিবিএর সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, অগ্রণী ব্যাংক কর্মচারী সংসদ সিবিএর সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, সিটি ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি এ.কে আজাদ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি আকবর হোসেন, ফয়জুল মামুন, পতেঙ্গা অঞ্চল সভাপতি মো: ইউনুছ, সিটি ব্যাংক কর্মচারী পরিষদ সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, জনতা ব্যাংক গণতান্ত্রিক কর্মচারী ইউনিয় সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার, রূপালী ব্যাংক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক লীগ সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মোরশেদুল আলম, চট্টগ্রাম ঘাট গুদাম শ্রমিক ইউনিয়ন সিবিএর সভাপতি নান্নু মাঝি, সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক মিয়া, লবণ শ্রমিক লীগের সভাপতি আবদুল মতিন মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, চউক কর্মচারী লীগ সভাপতি বিমান বড়–য়া, বাংলাদেশ পোস্টম্যান ও ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মো: মোজাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি শেখ মো: ইছা মিয়া, সম্মিলিত হকার্স ফেডারেশন সহ-সভাপতি মো: শাহ্ আলম, আগ্রাবাদ হকার্স শ্রমিক লীগ মো: বশির, চট্টগ্রাম মহানগর রিকশা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ এর সাধারণ সম্পাদক মো: কলিম শেখ, বাংলাদেশ সিএনজি অটোরিক্সা অটোটেম্পো শ্রমিক লীগ এর সাধারণ সম্পাদক মো: নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী মটর চালক লীগ এর সাধারণ সম্পাদক মো: ইমরান মিয়া, চট্টগ্রাম মহানগর হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক লীগ সভাপতি আবদুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ভূঁইয়া, রিয়াজউদ্দিন বাজার দোকান কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস.এম. নুরুল আব্বাস, তামাকুমন্ডী লেইন দোকান কর্মচারী সভাপতি বখতিয়ার উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো: সালাহউদ্দিন, চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স দোকান কর্মচারী সভাপতি আফাস উদ্দিন আবছার, মিমি সুপার মার্কেট দোকান কর্মচারী সভাপতি মো: ইসমাইল, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, বিপণী বিতান দোকান কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, পুরাতন কাপড় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো: শাহজালাল, সাধারণ সম্পাদক মো: কামাল উদ্দিন চট্টগ্রাম বন্দর কোস্টারহ্যাজ শ্রমিক ইউনিয়নের মো: আলমগীর, চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মনোয়ারা আলী রানা, সাধারণ সম্পাদক মো: মনির হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর ল্যাসিং আনল্যাসিং শ্রমিক ইউনিয়নের মো: সেলিম, পতেঙ্গা শিল্পাঞ্চলের নুর আহমদ, এম. কামাল উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, কালুরঘাট শিল্পাঞ্চল আবু বক্কর সিদ্দিকী, আহমদ উল্লাহ, আখতারুজ্জামান, মো: হাসানুজ্জামান, মিজানুর রহমান, সুমন মিয়া, নাসিরাবাদ শিল্পাঞ্চলের আবদুল মোনায়েম, মো: শাহ্ আলম, আবদুল মোতালেব, এস.এম. গোলাম মোস্তফা, সুব্রত আইচ, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের শ্যাম দুলাল দেব, সদরঘাট থানা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মো: নসরুর উদ্দিন নসু, মো: মনির, পতেঙ্গা থানার সভাপতি মো: আলী, বাকলিয়া থানা শ্রী লিটন দাশ, শহিদুল ইসলাম সুমন, ঘাট গুদাম শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রতন মাঝি, মো: আলমগীর, আবুল হোসেন ছুট্টু মিয়া, মো: রমজান প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*