ইসলামী আন্দোলনের চট্টগ্রামে সাদা পতাকা মানববন্ধন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : সংকট নিরসনে নিবন্ধিত দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও অবিলম্বে মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বলেন,DSC_2068 copy আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মতো বস্তুবাদী দলগুলোর সীমাহীন ক্ষমতার লোভ এবং অপরাজনীতির বলি হচ্ছে সাধারণ জনগণ। ক্ষমতা জবর দখলে রাখা ও দখলে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় দেশের নিরীহ জনগণ, অর্থনীতি, কলকারখানা সবকিছু পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে। নেতৃবন্দ একগুঁয়েমি পরিহার করে অবিলম্বে নিবন্ধিত দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। রোববার চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ থেকে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত দীর্ঘ সাদা পতাকা মানববন্ধনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দ উপর্যুক্ত দাবি জানান। পীর সাহেব চরমোনাইয়ের আহ্বানে সারা দেশব্যাপী জেলা পর্যায়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাদা পতাকা মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন নগর সভাপতি, কেন্দ্রীয় কৃষি ও শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সংকটে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হতে চলেছে, নিরীহ জনগণের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। হত্যা-খুন-গুম, বোমার আগুনে দেশ পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষকে জিম্মি করে এমন অপরাজনীতি আর চলতে দেওয়া যায় না। কেন্দ্রীয় নেতা আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী সরকার দেশের মানুষের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বিগত ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেছিলেন, এটা নিয়মরক্ষার নির্বাচন, পরে মধ্যবর্তী নির্বাচন দেওয়া হবে। গণতন্ত্রের মানসকন্যা খ্যাত নেত্রী তার অঙ্গীকার ভুলে গেছেন, তিনি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের সাথে ধোঁকাবাজি করে চিরস্থায়ী ক্ষমতায় থাকার আপনার স্বপ্ন পূরণ হবে না। জনগণ ক্ষেপে গেলে পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থানরত চট্টগ্রাম মহাগনর নেতৃবৃন্দর মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর সহ-সভাপতি আবুল কাসেম মাতুব্বর, নুরুল ইসলাম বিএসসি ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ আল-ইকবাল, আলহাজ একেএম মুহিউদ্দীন, ডা. রেজাউল করীম, আবদুর রহীম মোল্লা, মাওলানা আমজাদ হুসাইন, শ্রমিক নেতা মাওলানা ওয়াইজ হুসাইন ভুইয়া, মু. সগির আহমদ চৌধুরী, মাস্টার এমএ মতীন মজুমদার, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জিহাদী, আলহাজ লোকমান হুসাইন, মাওলানা এরশাদুর রহমান, আলহাজ আবদুর রহমান খান, মুহাম্মদ কামাল হোসাইন খান, আলহাজ মুহাম্মদ আবদুল করীম, অ্যাডভোকেট হাজী কেবিএম বদরুল কামাল, মুহাম্মদ আবদুল হান্নান শানু, মাওলানা মুহাম্মদ আজীজুল করীম, আলহাজ মুহাম্মদ ইউনুস মোল্লা, আলহাজ মুহাম্মদ রফিকুল আলম, আলহাজ মুহাম্মদ আলী আকবর, মাওলানা সানাউল্লাহ নুরী, সাংবাদিক শফকত হুসাইন চাটগামী, সঙ্গীতশিল্পী আসহাবউদ্দীন আল-আজাদ, এবিএম অলিউল্লাহ, তরীকুল ইসলাম সরকার, ছাত্রনেতা ইঞ্জিনিয়ার মুশতাক আহমদ, যিয়াউদ্দীন আল-আজাদ, আবু তাহের সওদাগর, মুহাম্মদ হারুনুর রশীদ, হুমায়ুন কবীর, মীর আহমদ সওদাগর, ইবরাহীম খলীল, মাওলানা আবদুল গফুর, মুহাম্মদ আবদুর রহীম, হাফেজ মাওলানা ইবরাহীম, মুহাম্মদ ইসরাফীল আলী, আলহাজ শাহজাহান ভূঁইয়া, মুহাম্মদ আবদুর রশীদ, মুহাম্মদ আবদুর রহীম, আবদুল আজীজ সওদাগর, মনির হুসাইন, মুফতী আনিসুর রহমান, মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীন, মুহাম্মদ মনির হুসাইন, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আবদুর রহীম, মুহাম্মদ আশরফউদ্দীন, ইউনুস গাজী, মুহাম্মদ জানে আলম, উসমান গনী, হাবীবুর রহমান, হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হুসাইন, মাহবুবুল আলম, মুহাম্মদ জামাল উদ্দীন, নোয়াব মিয়া, মাওলানা দেলোওয়ার হুসাইন ও আবু ঈসা গাজী প্রমুখ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: