ইপসা- লিংক আপ প্রকল্পের সেন্সিটাইজেশন সভা অনুষ্ঠিত

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৩০ ডিসেম্বর: লিংক আপ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় উন্নয়ন সংগঠন ইপসা এর উদ্যোগে ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় ইপসা-এইচআরডিসি প্রশিক্ষণ Picture-1কক্ষে মোহাম্মদ মাহাবুবর রহমান, পরিচালক (সামাজিক উন্নয়ন) এর সভাপতিত্বে ও প্রকল্প সমন্বয়কারী সৈয়দ আশ্রাফ উল্লাহ’র সঞ্চালনায় লিংক আপ প্রকল্পের আওতায় ”ঝুঁকিপূর্ণ যুব জনগোষ্ঠীকে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক তথ্য ও সেবা প্রদানে সুযোগ ও প্রতিবন্ধকতাসমূহের উপর স্থানীয় পর্যায়ে এক সেনজেটাইজেশন” সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মো:মোখলেছুর রহমান (উপ-পরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-চট্টগ্রাম জেলা) এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফারজানা পারভিন (মহিলা কাউন্সিলর, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন), ডা: আনোয়ারুল ইসলাম (সভাপতি-বিআরএমপিডব্লিউ এস, চট্টগ্রাম)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন এনজিও, শিক্ষক, অভিভাবক, সংবাদকর্মী, বিভিন্ন ক্লাব এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগন। লিংকআপ একটি বহুদেশীয় (বাংলাদেশ, মায়ানমার, বুরুন্ডি, ইথিওপিয়া ও উগান্ডা) কর্মসূচি যার অর্থায়নে ডাচ (নেদারল্যান্ড) বৈদেশিক মন্ত্রণালয় -ইটতঅ। লিংক আপের লক্ষ্য হলো অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ, এইচআইভি ছড়ানো এবং এইচআইভি জনিত মাতৃমৃত্যু কমানো ১০-২৪ বছর বয়সের জনগোষ্ঠী এই কর্মসূচির মূল উপকার ভোগী জনগোষ্ঠী। লিংক আপের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হলো যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার ব্যবহার বৃদ্ধি করা, Picture-2উন্নতমানের মাতৃস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং এইচআইভি তথ্যসেবা এবং সেবার ব্যবহার বৃদ্ধি করা বুরুন্ডি, ইথিওপিয়া ও উগান্ডা যেখানে এইচআইভি মহামারী আকারে ও ভাংলাদেশ এবং মায়ানমার যেখানে এইচআইভি এখনও মহামারী ঘনীভূত আকারে ছড়িয়ে আছে যুব সমাজের মধ্যে যারা এইচআইভির জন্য সূচনাকারী/ক্ষতিগ্রস্তকারী তাদের যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার এর উন্নয়ন ঘটানো।
সভায় পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে, মানবাধিকার এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার ও শিশু সুরক্ষা, বয়ঃসন্ধিকালএবংকিশোর/ Picture-4কিশোরীরা বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তন, যৌনরোগ ও প্রজননতন্ত্রেও সংক্রমণ,জীবন দক্ষতা এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকারসমস্যা সমাধানের উপায়সমুহ, যৌনতা এবং প্রজননতন্ত্র সম্পর্কে, জন্ডার, জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য, সহিংসতা ও নির্যাতন বিষয় গুলো সর্ম্পকে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
সভায় বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলায় এইচআইভি আক্রান্ত এবং ঝুঁকির মধ্যে থাকা তরুন সমাজের মাঝে যৌনতা সম্পর্কির্ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকর আচরণের অভ্যাস বৃদ্ধি, এসআরএস/এইচআইভি পরিষেবার সুযোগ বৃদ্ধি, এন্টি-রেট্রোভাইরাল ওষুধ, গর্ভনিরোধক অন্যান্য পণ্য ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মরত সেবা সংস্থা, ব্যক্তি এবং সুশীল সমাজের সংগঠনসমূহের মাঝে দক্ষতা উন্নয়ন ও উন্নত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার /এইচআইভি পরিষেবা প্রদান বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: