ইপসা’র শ্রম অভিবাসন বিষয়ক স্টেকহোল্ডারদের সভা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৩১ মার্চ ২০১৯ ইংরেজী, রবিবার: পৃথিবীর প্রায় ১৬২ টি দেশে বাংলাদেশের এক কোটির বেশি মানুষ অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। অধিকাংশ শ্রমিক সঠিক তথ্য না জেনে ও অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে বিদেশ যাচ্ছেন। এতে করে সে কি কাজ করবে বা কত টাকা বেতন পাবে এ ব্যাপারে তার কোন ধারণা থাকেনা। এবং অভিবাসন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কি কি সেবা প্রদান করে অনেক অভিবাসন প্রত্যাশি ও তাদের পরিবার সে সর্ম্পকে তেমন জানে না। এছাড়াও ইপসার গবেষনায় দেখা যায় সেবা প্রদানকারীর প্রতিষ্ঠান সমুহের মধ্যে সমন্বয়রে ঘাটতি রয়েছে। সে পেক্ষপটে অভিবাসন সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে পারস্পকির সমন্বয়ের লক্ষ্যে স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসার উদ্যোগে আগ্রাবাদাস্থ সরকারী কার্যভবন-২ এ ৩১ মার্চ (রোববার) শ্রম অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোলডারদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় আয়োজন করা হয়। যাতে শ্রম অভিবাসীদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা ও সহযোগীতা নিশ্চিত হয়।
ইপসা’র পরিচালক মো. মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উপ-পরিচালক আবু নোমান মো: জাকির হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক সায়েদ হোসেন, জেলা জনশক্তি ও কর্ম-সংস্থান অফিসের উপ-পরিচালক মো. জহিরুল আলম মজুমদার, চট্টগ্রাম মহিলা পলিটেকনিক্যালের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার মো: নজরুল ইসলাম এবং প্রবাসি কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপক সুমন কান্তি দেব। সভায় আগত সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে প্রতিনিধিগণ তাদের সেবা সর্ম্পকে বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং অভিবাসী ও আগত অতিথিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ শ্রম অভিবাসনের পেক্ষপট ও ইপসা লেবার মাইগ্রেশন প্রকল্পের অর্জন ও শিক্ষণীয় বিষয় দিক তুলে ধরেন প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আবদুস সবুর। তিনি আরো বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে সঠিক অভিবাসন প্রক্রিয়া সর্ম্পকে জনগণকে সচেতন করতে ও অভিবাসন বিষয়ক বিরোধ সামাজিক সালিশের মাধ্যমে নিস্পত্তিতে ইপসা সাধারন মানুষের মাঝে অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। বিদেশে গমন প্রক্রিয়ায় নিজে সব কিছু জেনে শুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনার ব্যাপারে গুরুত্ব দেন উপস্থাপনায়।
সভায় শ্রম অভিবাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষক, সাংবাদিক, রিক্রুটিং এজেন্সি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গ্রিভেন্স ম্যানেজমেন্ট কমিটি, অভিবাসন প্রত্যাশি ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সেন্টারের প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: