ইন্ডিয়ান মুসলিম চেম্বারের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের চিটাগাং চেম্বারে মতবিনিময়

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২২ জানুয়ারী ২০১৭ রবিবার: ইন্ডিয়ান মুসলিম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র এক বাণিজ্য প্রতিনিধিদল ২১ জানুয়ারী বিকেলে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সাথে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। উভয় চেম্বার পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, মুসলিম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ দাউদ খান (গড়যধসসবফ উধড়িড়ফ কযধহ) ও পরিচালক সালমান, চিটাগাং চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, প্রাক্তন সভাপতি মির্জা আবু মনসুর, প্রাক্তন পরিচালক ড. মঈনুল ইসলাম মাহমুদ, ব্যবসায়ী নেতা তাহের সোবহান, বেঙ্গল শিপিং’র এমডি মোহাম্মদ এ আউয়াল বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালক মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), মোহাম্মদ হাবিবুল হক, হাবিব মহিউদ্দিন, সরওয়ার হাসান জামিল, অঞ্জন শেখর দাশ ও মোঃ আরিফ ইফতেখার, বিকেএমইএ’র সাবেক পরিচালক শওকত ওসমান, সিএন্ডএফ’র ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু, ইস্পাহানী গ্রুপ’র জিএম মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ, জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল’র সভাপতি জসিম আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সদস্যগণ ও দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সালেহ আহমেদ সুলেমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদলকে স্বাগতঃ জানিয়ে চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন-ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সম্ভাবনার পূর্নসদ্ব্যবহার সম্ভব হয়নি। উভয় দেশ পরস্পরকে শুল্ক সংক্রান্ত অনেক সুবিধা দিলেও কাস্টম স্টেশন, যোগাযোগসহ বিভিন্ন অশুল্ক বাধা এক্ষেত্রে মূল কারণ। তিনি এসব বাধা দূর করার মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্য ১.২ বিলিয়ন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব বলে মনে করেন। এক্ষেত্রে উভয় দেশের প্রাইভেট সেক্টরের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন চেম্বার সভাপতি।
ইন্ডিয়ান মুসলিম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ দাউদ খান বলেন-কৃষি অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ করে ভারতীয় কারিগরি দক্ষতা কাজে লাগিয়ে উভয় দেশ লাভবান হতে পারে। তিনি হালাল সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করে ভারতে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক রপ্তানি এবং ভারত থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন সেক্টরের প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তি তৈরীর আহবান জানান।
চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং বর্তমানের ন্যায় ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিবেশী বন্ধুপ্রতীম দু’দেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করেন। বক্তারা যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন, নির্মাণাধীন বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ, মিড লেভেল ম্যানেজমেন্টে প্রয়োজনীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন, বিসিআইএম ইকনোমিক করিডোর বাস্তবায়ন, আইটি ও কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: