আয়ুর্বেদের সঙ্গে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২০ নভেম্বর আধুনিক জীবন যাত্রায় ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রম কম করায় বাড়ছে টাইপ টু ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা। এমনকী সবচেয়ে ভয়াবহ হলো, শিশুদের মধ্যেও ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। diabetis
যে কোনও রোগকে ডেকে আনতে ডায়বেটিসের জুড়ি নেই। অতিরিক্ত সুগার একের পর এক অঙ্গকে অকেজো করে দেয়—কিডনি থেকে লিভার থেকে চোখ। তাই প্রথম থেকেই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার।
হঠাৎ খাদ্যাভাসে বড় রকম পরির্বতন হলে রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়তে পারে। আবার রাত জাগলে বা দিনের বেলা ঘুমোলেও রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে। মানসিক উদ্বেগ, অবসাদ, দুশ্চিন্তা তো আছেই। শহুরে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খেলাধুলো-ব্যায়াম, এক কথায় কায়িক পরিশ্রম না করলেও রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়ে।
সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে
>সম-পরিমাণ শুকনো হলুদ ও আমলকির গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। সেটি দু’গ্রাম করে সকালে খালি পেটে ও রাতে খাওয়ার আগে ঠান্ডা পানির সঙ্গে খেতে হবে।
>দুই চামচ মেথি দানা ও চার ইঞ্চি পদ্মগুলঞ্চ রাতে এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন। সকাল সেটি ছেঁকে খেয়ে নিয়ে তাতে আবার পানি মেশাতে হবে। সেই পানি সন্ধায় খেতে হবে। রাতে আবার নতুন করে ভেজাতে হবে।
>কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা সমান ভাবে নিয়ে দু’কাপ পানি সেদ্ধ করে এক কাপ থাকতে নামিয়ে নিন। পরদিন সকালে খেতে হবে।
>৫০ গ্রাম সজনে ডাঁটা তিন কাপ পানিতে সেদ্ধ করে অর্ধেক করতে হবে। পরদিন সেই পানি ছেঁকে সকাল-সন্ধ্যায় অর্ধেক করে খেতে হবে।
>১০ গ্রাম নিমপাতা দুই কাপ পানিতে ফুটিয়ে এক কাপ করে নিতে হবে। সেটি ছেঁকে নিয়ে পরদিন সকালে খেতে হবে।
>কম বয়স থেকেই সপ্তাহে পাঁচ দিন সকালে খালি পেটে একটুকরো হলুদ খেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ সম্ভব। হলুদের সঙ্গে কোনও দিন কয়েকটি থানকুনি পাতা বা কোনও দিন কচি নিমপাতা মিশিয়ে খেলে ভাল হয়।
>ডায়বেটিস থাকলে পথ্য হিসেবে খাওয়া দরকার সজনে পাতা, মেথি শাক, লাউ ও লাউশাক, কচি মুলাসহ শাক, লেটুস, গাজর, টমেটো, রসুন, পেঁয়াজ, পাতিলেবু, কাঁচা মরিচ। এগুলোর কোনও একটি যেন প্রতিদিন খাবারে থাকে। ফল খেতে ভালবাসলে সপ্তাহে এক দিন দুপুরে অন্য কিছু না খেয়ে ইচ্ছে মতো নানা রকম ফল মিশিয়ে খেতে পারেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: