আব্রাম খান শাহরুখের ‘ছোট্ট দানব’

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২২ জুন ২০১৭, বৃহস্পতিবার: তিন সন্তান আরিয়ান, সুহানা ও আব্রামের সঙ্গে শাহরুখ খানতারকাদের সন্তানদের বিষয়ে সবার মধ্যেই কাজ করে বাড়তি আগ্রহ। আর যদি ‘বলিউড বাদশা’ শাহরুখ খানের সন্তানের বিষয় হয়, তাহলে তো কথাই নেই।
শাহরুখের বড় দুই সন্তান আরিয়ান খান ও সুহানা খানকে নিয়ে এখন আলোচনা একটাই তাঁরাও কী বাবার পথ অনুসরণ করে বলিউডে পা রাখছেন? আর ছোট্ট আব্রাম তো শুধু শাহরুখের নন, শাহরুখ ভক্তদেরও চোখের মণি। সম্প্রতি ভারতের ডিএনএ পত্রিকার সঙ্গে আলাপে সন্তানদের অনেক বিষয় নিয়ে এবার কথা বলেছেন শাহরুখ।
এই তারকার বড় ছেলে আরিয়ান খুব শিগগিরই ২০ বছরে পা দেবেন। মা-বাবার পরে তাঁর অভিভাবক বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতা করণ জোহর। করণ তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। শাহরুখ বলেন, ‘আমার মনে হয় আরিয়ান চলচ্চিত্রনির্মাতা হতে চায়। সে পড়াশোনাও করছে এই বিষয়ে। আমার ছেলে আমার চেয়েও বড় কিছু হতে চায়, এটা আমার খুব ভালো লাগে।’
একমাত্র মেয়ে সুহানাকে শাহরুখ তাঁর বাড়ির সবচেয়ে নরম মনের মানুষ বললেন। সিনেমা দেখতে খুব ভালোবাসে এই মেয়ে। শাহরুখ খান তাঁর মধ্যে অভিনেত্রী হওয়ার আগ্রহ স্পষ্ট দেখতে পান। মঞ্চে মেয়ের পরিবেশনারও প্রশংসা করেন তিনি। কিছুদিন আগে ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবানা আজমিও শাহরুখের মেয়ের অভিনয় প্রতিভার প্রশংসা করেছিলেন।
আর বাড়ির খুদে তারকা আব্রাম খানকে শাহরুখ বলেন তাঁর ‘ছোট্ট দানব’। যেখানেই যান সঙ্গে করে নিয়ে যান তাঁর ছোট সন্তানকে। এর কারণ হিসেবে ‘কিং খান’ জানান, ‘আমি আব্রামের মধ্যে নিজের শৈশবকে খুঁজতে চাই। যত খেলনা আছে সব ওকে এনে দিই। ছোটবেলায় সামর্থ্য ছিল না বলে হয়তো আমার মা-বাবা আমাকে সেসব দিতে পারেনি। তাই ছেলের মাধ্যমে নিজের অপূর্ণ শখগুলো পূরণ করতে চাই।’
আব্রামের সম্পর্কে আরেকটি মজার তথ্য দিলেন শাহরুখ। বাবার জন্মদিনে আব্রাম নাকি একটু পর পর বাড়ির বারান্দায় যায়। ভক্তরা বাড়ির সামনে জড়ো হতে শুরু করলেই এই পুঁচকে দৌড়ে গিয়ে তার বাবাকে ডেকে আনে। আব্রাম তখন বলতে থাকে, ‘বাবা চলো, মানুষ চলে এসেছে। চলো দেখা করি।’
সবাই যখন শাহরুখের নাম ধরে চিৎকার করে তখন আব্রাম বাবার সঙ্গে হাত নাড়িয়ে তাঁদের অভিবাদন জানাতে খুব ভালোবাসে। ছোট থেকেই ভক্তদের সামলানো শিখে যাচ্ছে এই তারকা সন্তান। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*