আনিস ও খোকনের পাশে নেই নগর আ. লীগের নেতারা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগেরa শীর্ষ নেতৃত্ব একক প্রার্থী সমর্থন দিয়েছেন। ইতিপূর্বেই আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষ কাজ করতে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিদের্শ দিয়েছেন। ৩১ মার্চ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বৈঠক শেষে মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম শেখ হাসিনা সমর্থিত প্রার্থীকে ১৪ দল সমর্থন দেবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। কিন্তু এরপরও স্বস্তিতে নেই আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন। জানা গেছে, ভিন্ন ভিন্ন কারণে শেখ হাসিনা সমর্থিত এ দুই প্রার্থীর নিকটবর্তী হননি নগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা। গত ৩১ মার্চ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বৈঠক করেন। অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সিটি নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারেনি ক্ষমতাসীন এ জোট। যদিও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মাদ নাসিম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা যাকে সমর্থন দিয়েছেন ১৪ দলীয় জোট তাকে মেনে নেবে। ঢাকা মহানগর নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের ঘনিষ্ঠরা হানিফ পুত্রকে এখনো মেনে নিতে পারছেন না। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ বর্ধিত সভা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কামরুল ইসলাম অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. সেলিমের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানান দেন। বর্ধিত সভার পর এমএ আজিজ ডিএসসিসি’র প্রার্থী সাঈদ খোকনকে নিয়ে বৈঠক করে। যদিও তিনি ওই বৈঠককে পরে মিলাদ মাহফিল বলে জানান। অবশ্য নানা নাটকীয়তার পর হাজি সেলিম মনোনয়নপত্র জমা দেননি। ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে সাঈদ খোকনই আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী হন। কিন্তু নগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা শেখ হাসিনা সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি অংশ নেয়া নিয়ে এখনো সংশয়ে সাঈদ খোকনের ঘনিষ্টরা।অপরদিকে উত্তর সিটিতে শেখ হাসিনা সমর্থিত প্রার্থী ব্যবসায়ী আনিসুল হককে ভালোভাবে চেনেন না কর্মীরা। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত না থাকায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক নেই। নেতাকর্মীরা তাকে শীতের পাখি বলেই মনে করছেন। মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল আহমেদ মজুমদার উত্তর সিটিতে নির্বাচন করার ইচ্ছে থাকলেও হাইকমান্ডের ইশারায় তিনি সরে দাঁড়ান। তবে তার অনুসারীরা আনিসুল হকের পক্ষে এখনো মাঠে নামেননি বলে জানা গেছে। রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকায় আনিসুল হকের নিজস্ব কর্মী বাহিনী নেই। তবে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ তার পক্ষে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তারা প্রাকাশ্যে প্রচার-প্রচারণা চালাবেন। এ সিটিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টু’র মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় অনেকটা আশাবাদী হয়ে উঠছেন আনিসুল হক। সূত্র : শীর্ষ নিউজডটকম

Leave a Reply

%d bloggers like this: