আত্মনির্ভরশীল শিক্ষা বিশ্বায়ন ও মুসলিম বিশ্বকে টেকসই করবে

মো. আবুল হাসান, খন রঞ্জন রায়: ইসলাম শুধু একটি আ”ারসর্বস্ব ধর্ম নয়; এক সুসংহত জীবনবিধান। এখানে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। জীবনের পরিধি যেমন ব্যাপক, তেমনি ইসলাম ধর্মের শাখা-প্রশাখাও ব্যাপক ও বিস্তৃত। বহু শাখাবিশিষ্ট কোনো জিনিসের যেকোনো একটি শাখা নিয়েই ব্যস্ত থাকলে যেমন সেটা পূর্ণ হয় না, তেমনি ইসলাম ধর্মের কোনো একটি শাখা নিয়েই ব্যস্ত থাকলে এতে পরিপূর্ণতা আসবে না। বরং সামর্থ্য অনুযায়ী সব কয়টি শাখায়ই অংশ নিতে হবে। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ইমানের ৭২টি শাখা রয়েছে।
বিশ্বপ্রেক্ষাপটে বিবেচনায় নিলে মুসলিম উম্মাহ আজ নানাভাবে বিপর্যস্ত। তাদের মধ্যে বিরাজ করছে হতাশা। প্রতিপক্ষ শক্তিগুলো বিভিন্নভাবে মুসলমানদের দাবিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। অথচ বিশ্বশক্তি হিসেবে উম্মাহর জাগরণের অমিত সম্ভাবনা এখন উজ্জ্বল।
২০১০ সালে বিশ্বমুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১.৬ বিলিয়ন, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৩.২ শতাংশ। ২০৫০ সালে মুসলিম জনসংখ্যা ৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা ২.৮ বিলিয়ন বা ২.৯৮ বিলিয়ন, যা হবে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৯.৭ শতাংশ প্রতি ১০ জন মানুষের মধ্যে তিনজন হবে মুসলিম। আর ২০৫০ সালে খ্রিস্টান জনসংখ্যা হবে বিশ্বের জনসংখ্যার ৩১.৪ শতাংশ তখন খ্রিস্টান জনগোষ্ঠী বৃহত্তম হলেও মুসলিম জনসংখ্যা তার কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। আর ২০৭০ সালের পর মুসলিম জনসংখ্যা খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীকে ছাড়িয়ে যাবে। ২১০০ সালে মুসলিম জনসংখ্যা হবে প্রায় ৩৩৪.৪ কোটি অর্থাৎ বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ। ২২০০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যার বেশির ভাগই হবে মুসলিম, এটি সহজে আশা করা যায়। মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রধান কারণ মুসলিম সমাজে জন্মহার এবং তরুণ জনসংখ্যা। এদিকে ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৩১ কোটি, যা বিশ্বের যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের খ্রিস্টান জনসংখ্যার বর্তমান তিন চতুর্থাংশ থেকে ২০৫০ সালে দুই তৃতীয়াংশে পরিণত হবে। যে সময় ইহুদি জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে মুসলিম জনসংখ্যা দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠে পরিণত হবে দেশটিতে। পঁয়ত্রিশ বছর পরে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, বেনিন, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, মেসিডোনিয়া আর খ্রিস্টানপ্রধান দেশ থাকবে না। তথ্য পিউ রিসার্চ কেন্দ্রের।
মুসলিম জনসংখ্যা বেশি হলেই ইসলামি সভ্যতার বিকাশ ঘটবে এটি বলা চলে না। ইসলামের অতীত স্বর্ণযুগে মুসলমানেরা ছিলেন একেবারে সংখ্যালঘু। আর আধুনিক যুগে খ্রিস্টান ব্রিটেন একটি ছোট রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও তারা একদা একটি সুবিশাল সাম্রাজ্যের মালিক হতে পেরেছিল। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অর্জন নির্ভর করে তার সুযোগ সৃষ্টি, সুযোগের সদ্ব্যবহার এবং তা দীর্ঘায়ন করার ওপর। এ লক্ষ্যে মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল লক্ষ্য করতে পারছে না। জনসংখ্যার পরিমাণগত ও কাঠামোগত মানদণ্ডে মুসলিম বিশ্ব এমন একটি সময় পার করছে যেখানে নির্ভরশীলতার হার সবচেয়ে কম এবং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
এ সুযোগ সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ত্বরায়ণ করতে পারে। তবে সেটি নির্ভর করছে বয়স কাঠামোর পরিবর্তনে জনগোষ্ঠীর সুশিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও সুশাসন নিশ্চিতকরণের ওপর। এক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হল, বাল্যবিবাহ, দ্রুত সন্তানধারণ, শ্রমবাজারে নারীদের কম অংশগ্রহণ, কাক্সিক্ষত মাত্রায় স্থানীয় ও পরিবর্তিত বিশ্ববাজার মাথায় রেখে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া। মুসলিম বিশ্বের জন্য যে সামান্য উচ্চশিক্ষিত মানবশক্তির সৃষ্টি হচ্ছে, যতদূর জানা যায় তার প্রয়োগক্ষেত্র একেবারেই অপরিসর। যেটুকু বা ব্যবহার তাও একরকম অনুৎপাদনশীল।
মুসলমানেরা যখন বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করত, তখন ধর্মের ব্যাখ্যা নিয়ে একে অন্যের সাথে কলহে লিপ্ত হয়ে নিজেদের অর্থনৈতিক পতনকে ডেকে এনেছে। মুসলিম শাসকেরা ভোগবিলাসে মত্ত হয়ে নিজেদের শক্তি-সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছে। অতীতে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো যখন ভোগবিলাসে মত্ত তখন সারা ইউরোপে শিল্প বিপ্লব শুরু হয়ে গেছে। তারা সে বিপ্লবে অংশ নিল না, আর তাই পিছিয়ে পড়ল। নারী-পুরুষের উচ্চ মাত্রার অসাম্যে মুসলিম দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবে প্রতি বছর ৫০ হাজার কোটি ডলার হারাচ্ছে। এ ক্ষতি ঠেকাতে মুসলিম দেশগুলোকে লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
যারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করে না। আল্লাহ তাদের সহায়তা করেন না। এটা কুরআনের স্পষ্ট বক্তব্য। মানুষকেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে, তবেই মহান সৃষ্টা আমাদেরকে সাহায্য করবেন। বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ আমাদের গ্রহণ করতেই হবে। বিশ্বায়নের প্রক্রিয়াকে আয়ত্ত করে আমরা স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে পারি। এর জন্য চাই খোলাফায়ে রাশেদার মতো সত্যনিষ্ঠ দক্ষ প্রশাসক ও নির্মোহ কর্মোদ্যোগ। ভোগবিলাসের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। মুসলিম বিশ্বে দিশাহারা অবস্থা শুরু হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে। তখন থেকে তাদের ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে প্রতিপক্ষের হাতে। প্রতিপক্ষ হল পাশ্চাত্য শক্তি। পাশ্চাত্যের ঔপনিবেশিক শক্তি, ইউরোপ-আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। প্রধানত ব্রিটিশ, ফরাসি ও মার্কিন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মূলথ মার্কিনীরা পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি। এ পৃথিবীতে যারা প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন, সবাই অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমেই করেছেন। পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই বেঁচে থাকতে হয়। আধুনিক বিশ্বের যত বিস্ময়কর আবিষ্কার রয়েছে তার সবই নিরলস শ্রমের ফসল। শ্রমবিমুখ মানুষ দেশ ও জাতির জন্য বোঝা। অপরিশ্রমী মানুষ জীবনে উন্নতি ও সাফল্য অর্জন করতে পারে না। সকল উন্নতির মূলেই রয়েছে শ্রম।
মানুষকে যখন সম্পদ হিসেবে তুলনা করা হয় তখন সাধারণত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ও উন্নয়নে মানুষের ভূমিকা এবং অবদানকে বোঝায়। কারণ মানুষকে তখন অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্পদ বা দায় হিসেবে দেখা হয়। মানুষ যখন র্অথনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক অবদান রাখে তখন তা ‘সম্পদ’ আখ্যায়িত হয়। আর তা যখন অর্থনৈতিক ভূমিকা পালনে অক্ষম হয় এবং অন্যের অর্থনৈতিক ফসল ভোগ করে তখন তা ‘দায়’ হয়ে যায়। আধুনিক ও রুচিশীল অর্থনীতির একুিট অন্যতম আন্দোলন হল মানুষকে ‘দায়’ থেকে সম্পদে পরিণত করা। দায় থেকে মানুষের মুক্তি হলেই মানুষ সম্পদে পরিণত হবে। পবিত্র কোরআনে এ বিষয়টি খুব চমৎকারভাবে বিবৃত হয়েছে। ‘যখন নামাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো। আর আল্লাহর অনুগ্রহ তথা রিজিক সন্ধান করো। (সূরা জুমআ-আয়াত: ১০)
কাজের কোন বিকল্প নেই। অকর্মন্য মস্তিস্ক শয়তানের হাঁড়ি। কাজ মানুষের জীবনে একে দেয় সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) ও নিজ হাতে কাজ করতেন। ব্যবসার উদ্দেশ্যে সফর পর্যন্ত করেছেন। বর্তমান জ্ঞান নির্ভর অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সময়ে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য সুনির্দিষ্ট লেখা পড়া সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপুল জনগোষ্ঠীর শিক্ষাকে ডিপ্লোমা নির্ভর করে স্বল্প সময়ে ও ব্যয়ে জনসম্পদ গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডিপ্লোমাকে জনপ্রিয় করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ২০১৪ সাল থেকে ২৫ নভেম্বর জাতীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস পালন শুরু হয়েছে। ২০১৪ সালের শ্লোগান ছিল ‘ডিপ্লোমা শিক্ষার মূল্যায়ন দেশ ও জাতির উন্নয়ন’। ২০১৫ সালের শ্লোগান ছিল ‘টেকসই উন্নয়নে ডিপ্লোমা শিক্ষা’ জাতিসংঘের ভিশন ২০৩০ টেকসই উন্নয়নে ডিপ্লোমা শিক্ষা (Sustainable Development Goals for Diploma Education) শ্লোগান নিয়ে ২য় বারের মতো জাতীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস ২০১৫ উদযাপিত হয়েছে ভাবগম্ভীর ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে। ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর জাতীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবসের শ্লোগান দিন গ্রাম উন্নয়নে বিভাগীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা বোর্ড নানান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশ ব্যাপি ডিপ্লোমা দিবস পালন করা হয়েছে ফলে ডিপ্লোমার প্রতি অভিভাককের আগ্রহ বেড়েছে। সরকারি দৃষ্টিভঙ্গিও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। এই শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠাানিকীকরণে সুনির্দিষ্ট কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়ে এগুচ্ছে। প্রাথমিক অবস্থায় সরকারিভাবে ১০০টি উপজেলায় ১০০টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট নির্মাণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এই উদ্যোগ কর্মসংস্থান সুযোগে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখানে স্থানীয় সম্পদ ও স্থানীয় মানবসম্পদ ব্যবহারের এক সুযোগ তৈরি হবে। এখান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা কাছাকাছি কোনো অর্থনৈতিক অঞ্চলে কাজ করতে পারবে। ১০টি পলিটেকনিক ছাড়াও মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাট জেলায় ৫টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি স্থাপন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব উদ্যোগে ৫২টি টিটিসিতে ডিপ্লোমা ইন অ্যাডুকেশন (ডি অ্যাড) কোর্স চালু করেছেন। মাতৃত্ব ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্স চালু করেছেন। বর্তমান সরকারের ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণে উন্মুক্তনীতির কারণে বেসরকারি উদ্যোগ কৃষি প্রযুক্তি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল, ভেটেরিনারি সহ ৪১৭টি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট নির্মিত হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ডিপ্লোমা শিক্ষার গুরুত্ব যে অপরিসীম তা আমরা অনেক আগে থেকেই অনুভব করতে সক্ষম হই। এ প্রেক্ষাপটে অতি সম্প্রতি শিক্ষার মানোন্নয়নে এক হাজার ৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন করে।
ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের কাঁধে ভর করে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ জাতিসংঘের সদর দপ্তরে MDGS to SDGS অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেছেন Bangladesh Lead by example  in SDGS. এ কারণেই ২০১৬ সাল থেকে বিশ্ব ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস (World Diploma Education Day) ঘোষণা করা হয়েছে ২৫ নভেম্বরকে। এ বছর গ্রাম উন্নয়নে বিভাগীয় ডিপ্লোমা শিক্ষাবোর্ড শ্লোগানের কারণে মুসলিম প্রধান দেশগুলোর দুর্গম এলাকায় ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। নির্যাতিত নিপীড়িত পথহারা মুসলিম তরুণরা ডিপ্লোমা শিক্ষা গ্রহণের দিকনির্দেশনা পাবে। টেSustainable Development Goal) কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষিত দক্ষ জনবলের সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ সমগ্র বিশ্বের সকল সম্প্রদায়ের বেকারত্বের কারণে বিশ্ব উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হওয়ার ধারা বাধাপ্রাপ্ত হবে।
বিশ্বায়ন প্রতিযোগীতায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম তরুণদের অবদান প্রতিষ্ঠিত হবে। মানবসম্পদে পরিণত হওয়ার কারণে বন্ধ হবে বিতারণ চেতনা। প্রতিষ্ঠা পাবে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার। লেখক: সভাপতি ও মহাসচিব ডিপ্লোমা শিক্ষা গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ, ৪৭, মতি টাওয়ার, চকবাজার, চট্টগ্রাম।

Khanaranjanroy@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*