আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ইপসা’র আয়োজনে এন্টি ট্যোবাকো মিডিয়া এ্যালাযেন্স (আত্মা)’র তত্ত্বাবধানে চট্রগ্রাম বিভাগের সংগঠনের সদস্যবৃন্দ বিভিন্ন পত্রিকার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্র atta-25-01-15মিডয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ, তামাকের ব্যবহার কমাতে, পত্রিকায় তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যে নিয়ন্ত্রণ ও এ বিষয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াতে ব্যাপক লেখালেখির জোর দেয়া হয়। সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ এন্টি ট্যোবাকো মিডিয়া এ্যালাযেন্স (আত্মা)’র বিভাগীয় সভা ইপসার স্মোক ফ্রি প্রজেক্টের কর্মকর্তা মোঃ ওমর শাহেদের উপস্থাপনায় ২৫ জানুয়ারি নগরীর জিইসি মোড়স্থ মেন্ডারীন রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে (আত্মা)’র চট্রগ্রামের আহবায়ক দেশ টিভির ইনচার্জ মোঃ আলমগীর সবুজ সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে তামাক কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সিনিয়র সাংবাদিক শামসুল ইসলাম বলেন, তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-এর আলোকে তামাকের বাজারজাতকরণ, সব ধরনের প্রচারণা, বিজ্ঞাপন ও পৃষ্ঠপোষকতা নিষিদ্ধ করা জরুরী। সাইফুল আলম বলেন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার পূর্বে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য আইন সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা প্রয়োজন এবং পাশাপাশি ব্যাপকভাবে আইনের প্রচারণা ও প্রয়োগের মাধ্যমে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সিনিয়র সাংবাদিক মিন্টু চৌধুরী বলেন, কর্মক্ষেত্রে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে ব্যাপক হারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ জানান। সিনিয়র সাংবাদিক শাহরিয়ার হাসান বলেন, সুপার মলে তামাক কোম্পানিগুলোর কূটকৌশলের মাধ্যমে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণার বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। উপস্থিত সকল সাংবাদিক অবিলম্বে আইনের বিধিমালা পাশ করানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান এবং লেখালেখির মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার উপর জোর দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন, আহসান কবির রিটন, আবু মোশারফ রাসেল, মোরশেদ তালুকদার, কামরুল হুদা, ইসমত মর্জিদা ইতি, লতিফা আনসারি লুনা, মিজানুর রহমান ইউসুফ, লোকমান চৌধুরী, নজরুল ইসলাম টিটু প্রমুখ। সাংবাদিকদের কাছে তামাক ও ধূমপানের নানা ধরনের ক্ষতি সম্পর্কে তুলে ধরেন ইপসা’র কর্মকর্তা মো. ওমর শাহেদ হিরু ও মোঃ দিদারুল আলম।

Leave a Reply

%d bloggers like this: