আইআইইউসির ছাত্রবন্ধু আবু নাসের জুয়েল

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১০ এপ্রিল ২০১৯ ইংরেজী, বুধবার: ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ও মেধাবী ছাত্র নেতা আবু নাসের জুয়েল আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম প্রাঙ্গণে ছাত্রবন্ধু হিসেবে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। ছাত্রদের প্রতিটি সমস্যা সমাধানে তিনি এগিয়ে আসেন এবং বিভিন্ন সমস্যায় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে তা সমাধানের চেষ্টা করেন। তার এই ঐকান্তিক চেষ্টায় গুণমুগ্ধ সকল আইআইইউসিয়ানরা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পতাকাবাহী আপোষহীন ছাত্রলীগ নেতা তার নিজ গুনে বুদ্ধিদৃপ্ত কর্মকান্ডের মাধ্যমে ছাত্রসমাজে দিন দিন আইকনে পরিনত হচ্ছে। যে ক্যাম্পাসে স্বাধীনতা কিংবা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কোন উচ্চারণ এক ধরণের ট্যাবুতে পরিনত হয়ে ছিলো, সে ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বীজ বপনে যারা উল্ল্যেখযোগ্য ভূমীকা রেখেছেন, আবু নাসের জুয়েল তাদের মধ্যে প্রধানতম। মেধা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে তিনি যোগ্য নেতৃেত্বের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মনে ঠাই করে নেন। তার সামগ্রিক কাজের মূল্যায়নে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ তাকে স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মনোনীত করেছে।তিনি শুধু আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামেরই নয় বাংলাদেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রথম এলামনি অ্যাম্বাসেডর। জুয়েল জানান, আমার প্রতিটি অর্জন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অর্জন, আইআইইউসি ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা কর্মীর অর্জন। সৌরভ, শাওন, ডলার, আনাস, তানভীর, বাবলু, নাইম, মুকিত, সফিউল, রবিউল,উচো মারমা, মুরাদ, সামিল, ফাহিম, নবীন, মহসিন, মফিজ,তানভীরদের মত অনেক প্রতিশ্রুতিশীল নেতাকর্মীদের অক্লান্ত চেষ্টায় আজ এই ক্যাম্পাসে প্রতিক্রিয়াশীল ছাত্র রাজনীতির জায়গায় প্রগতিশীল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ছাত্র রাজনীতির প্রতিষ্ঠা হয়েছে। ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের যুবায়ের ইসলাম ডলার জানান, জুয়েল স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর মনোনয়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ আইআইইউসি ছাত্রলীগের ইতিবাচক রাজনীতির স্বীকৃতি দিয়েছে বলে আমি মনে করি। তিনি আমাদের আইআইইউসি ছাত্রলীগের অভিভাবক হিসেবে কাজ শুরু করলেও, তার নেতৃত্বের গুণাবলীর মাধ্যমে আইআইইউসি সকল ছাত্রের অভিভাবক হিসেবে আভির্ভুত হয়েছেন। সাধারণ শিক্ষাথীদের সাথে আলাপকালে। তারা জানায় আবু নাসের জুয়েলের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে যে ইতিবাচক রাজনীতির সূচনা করেছে, তাতে তারা নিজেরাও অনুপ্রানিত হচ্ছে। তাদের যে কোন একাডেমীক সমস্যায় জুয়েল তাদের স্টুডেন্ট এডভোকেট হিসেবে কাজ করে।তার কাছ থেকে আমরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির একটি নতুন মডেল দেখতে পেয়েছি। সহমত পোষন করেন আইআইইউসি ছাত্রলীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা আসিফ ইকবাল সৌরভ। তার ভাষায় জুয়েল তাদেরকে হাতেকলমে শিখিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির প্যাটার্ন।
জানা যায় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের প্রকাশ্য রাজনীতি শুরু হলে সবাই অস্থিরতার আশঙ্কা করছিলো। আমরাও কিছুটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলাম কারন এটা একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় । কিন্তু জুয়েল তার রাজনৈতিক অনুজদের নিয়ে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে সকল আশঙ্কা ভুল প্রমান করেছে। জুবায়ের ইসলাম ডলারকে সাথে নিয়ে সে সকল ফ্যাকাল্টি ঘুরেঘুরে স্টুডেন্টদের সাথে কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক উন্নত করেছে। জুয়েল জানান, বঙ্গবন্ধু এবং তার রাজনীতির মুল পাঞ্চলাইন “বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যাপারে কোন আপোষ নেই”। যেহেতু বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচার সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে পুরোপুরি ভিন্ন, তাই তিনি চেষ্টা করছেন এই ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে একাডেমীক ভাবে প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা শীঘ্রই বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষের কাছে এখানে একটু “বঙ্গবন্ধু রিসার্স সেন্টার” স্থাপনের দাবী পেশ করবো।

Leave a Reply

%d bloggers like this: