অভিজিৎ হত্যা : আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দায় স্বীকার, খতিয়ে দেখছে পুলিশ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যার দায় স্বীকার করে সামাজিক যোগাযোগOvizit মাধ্যমে দেয়া ‘আনসার বাংলা ৭’ এর বক্তব্য খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায় বাদি হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশের পক্ষ থেকে এ কথা বলা হয়। ‘আল্লাহু আকবর.. বাংলাদেশে আজ একটি বিশাল সাফল্য। টার্গেট ইজ ডাউন..’ অভিজিৎ হত্যার পর বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যাম টুইটারে এভাবেই তৃপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে ‘আনসার বাংলা ৭‘ নামে একটি সংগঠন। যাদেরকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সহযোগি মনে করছে পুলিশ। ‘আনসার বাংলা ৭’ নামের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ওই টুইট করার পর হত্যার দায় স্বীকার করে আরো বেশকিছু টুইট করা হয়েছে। ওইসব টুইটে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডকে ‘বিজয়’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। দ্বিতীয় টুইটে অভিজিৎ ও তার স্ত্রীর একটি স্বাভাবিক ছবি পোস্ট করে ক্যাপসনে লেখা হয়েছে, ‘ইসলামের বিরুদ্ধে ‘অপরাধের’ জন্য ইসলামবিরোধী ব্লগার আমেরিকান বাঙালি অভিজিৎ রায়কে রাজধানী ঢাকায় হত্যা করা হয়েছে।’ এরপর হত্যাকাণ্ডের রক্তাক্ত একটি ছবি পোস্ট করে ‘এক্সক্লুসিভ!’ শিরোনামে আরো একটি টুইট করা হয়। ওই টুইটে বলা হয়েছে, ‘এটা স্বামীর মাথা ধরে থাকা অভিজিৎ রায়ের রক্তাক্ত স্ত্রী। শিরোশ্ছেদ করা হয়েছে। গত তিন থেকে চার বছর ধরে সে শীর্ষ টার্গেটে ছিল।’ পুলিশ ও নিহতের বাবা অজয় রায়ের ধারণ উগ্রবাদীরাই অভিজিৎকে হত্যা করেছে। মামলা দায়ের শেষে অজয় রায় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ আমার ছেলেকে হত্যার জন্য উগ্র জঙ্গিবাদীরাই দায়ী। এদের মদদ দিয়েছে জামায়াত।’ তিনি বলেন, ‘পুলিশ ইচ্ছে করলে আগামী ২৪ ঘন্টায় খুনিদের গ্রেফতার করতে পারে। করবে কিনা এখন তাদের ব্যাপার। আমি, আমার ছেলের হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই।’ এদিকে, ‘আনসার বাংলা ৭’ এর টুইটগুলো খতিয়ে দেখছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সেখানে পোস্টকৃত সকল বক্তব্য পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি চাপাতি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সূত্র : শীর্ষ নিউজ ডটকম

Leave a Reply

%d bloggers like this: